হটাৎ চারিদিকে এত নিরাবতা কেন ? তাহলে কি ভারতীয় মেডিসিন বাংলাদেশে কাজ করা শুরু করেছে ? গত ৮ ই অক্টোবর বাংলাদেশের ২৫ জন সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গুম, খুন, আয়নাঘর কাণ্ডে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এই গ্রেফতারি পরোয়না জারি করার পর থেকেই পরিস্থিতি পৌঁছেছে চরমে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউটর আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অনেক কিছু ঘটার একটি ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তার পূর্বাভাস মতো বাংলাদেশে শুরু হয়েছে অনেক কিছু ঘটা। সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেফতারির বিচার সেনা আইনে হবে নাকি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের আইনে বিচার হবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। কিছুদিন আগে বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ২৫ জন সেনা কর্মকর্তাদের অবধি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকবে নাকি গ্রেফতারি পরোয়ানা সেনা প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান অবধি গড়াবে। ভারতীয় বেশ কিছু গণ মাধ্যম বলেছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ পর্যন্ত যতজন সেনা প্রধান দায়িত্বে ছিলেন তাদের সকলকে উপদেষ্টা এবং পাকিস্তানী সহযোগিতায় আইনের আওতায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়েছে। গ্রেফতারি পরোয়না জারি করা ২৫ জন কর্মকর্তাকে এখনো পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। বিচার প্রক্রিয়া এখনো অমীমাংসিত। আর্মির প্রায় ১৫০ জনের একটি তালিকা রয়েছে। যার সংখ্যা বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে এই গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে অস্থিরতা চরমে। এই আবহে ১৪ ই অক্টোবর ভারতীয় আর্মি ইন্টেলিজেন্সের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশে যান। তাদের বাংলাদেশের সফর সীমা ছিল ১৪ – ১৬ ই অক্টোবর। কিন্তু তারা অতিরিক্ত একদিন বাংলাদেশে ছিলেন। ভারতীয় আর্মি ইন্টেলিজেন্সের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশের জঙ্গি ঘাঁটি ও জঙ্গি তৎপরতা রোধ করা নিয়ে কাজ করতে গিয়েছিলেন। সাথে বাংলাদেশকে সতর্ক করতে যে তারাও পাকিস্তানের মতো জঙ্গি লালন করছে। সম্প্রতি অপারেশন সিঁদুরের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানী জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দিয়েছিলো ভারত। পাকিস্তানকে দ্বিতীয়বার কোনও ছাড় না দেওয়ার কথা ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের কাছে স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারত। বাংলাদেশও সেই পথেই হাঁটছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ভারত কি পাকিস্তানের মতোই বাংলাদের অবস্থা সংঘটিত করতে যাচ্ছে ? ভারতের এই সতর্কতার পরেই কার্যত বাংলাদেশে বিরাজ করছে নিরাবতা।
প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের প্রেস সচিব একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিলেন, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা ২৫ জন সেনাকর্তা ব্যাতিত আর কাউকেই গ্রেফতার করা হবে না। গ্রেফতার কাকে করা হবে র কাকে গ্রেফতার করা হবে না তার সম্পূর্ণ সিদ্ধান্ত আদালতের। কিন্ত ডক্টর মহম্মদ ইউনুসের প্রেস সচিব আগেই এই কথা বলায় জন্ম দিয়েছে নানান প্রশ্নের। তাহলে কী এটি একটি মাস্টার প্লানের অংশ ? যা প্রেস সচিবের কথায় ফাঁস হয়ে গেল ? তাহলে কী বাংলাদেশ সেনা ধ্বংস করার জন্যই এই প্ল্যান ? উঠছে হাজারো প্রশ্ন।












Discussion about this post