যখন ইউনূস বাহীনি বলছে যে আওয়মীলীগ বলে দেশে আর কিছু নাই। তখন শুধু ঢাকাতেই ৪০টি বেশী স্থানে মিছিল বার করে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা প্রমাণ করে দিল, যে দলটি স্বাধীনতা আন্দোলোনে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে, সেই দলটিকে নিষিদ্ধ করে ঠিকেয়ে রাখা যাবে না। ৫ই আগষ্টের পর লাখ লাখ নেতাকর্মী জেলে অথবা দেশ ছাড়া। তার পর নিজেদের অস্বিত্ব শুধু টিকিয়ে রাখাই যেখানে অসম্ভব, সেখানে আগের তুলনায় আওয়ামীলীগ অনেক বেশী শক্তিশালী হয়ে উঠছে। বিএনপির অনেকেই স্বীকার করছে যে আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছরের চেয়ে বেশী সংগঠিত হয়েছে।তাদের ৫০ ভাগ একত্রিত হয়েছে, বাকী ৫০ ভাগ একত্রিত হলে কেউ তাদের সাথে পারবে না।বিএনপির অনেক কর্মি মনে করে তাদের দল রাজনীতি বাদ দিয়ে ক্ষমতায় যেতে গনবিরোধী কার্যকলাপ করে ই চলছে।ইউনুসের যে সকল দালাল বড় গলায় বলেছিল আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আওয়ামী লীগ খোদ ঢাকার বুকে ৪০ টি স্পটে ঝটিকা মিছিল বার করে প্রমাণ করে দিয়েছে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মাটির ভূমিপুত্র। আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা সহজ নয়। ইউনূস সরকার যতবেশী আওয়ামীলীগের উপর অত্যাচার মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করার চেষ্টা করছে আওয়ামীলীগ ততই নিজেদের সংগঠিত করে শক্তি বৃদ্ধি করছে। আসন ভিত্তিক এবং ওয়ার্ড ভিত্তিক তৃণমূল আওয়ামীলীগ অনেক বেশি সক্রিয়। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে এখন সংখ্যাটি লাখ লাখ ছাড়িয়ে কোটি কোটি মানুষ ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসবে এবং যমুনার আকাশ ভারি করে তুলবে। যদি নিষেধাজ্ঞা না তুলে, তবে এই অবৈধ সরকার কে জনগণ আর সময় দিবেনা- বিস্ফোরণ ঘটে যাবে। অনেকে আবার এই সব মিছিল দেখে অবাক হচ্ছেন না, কারণ তারা জনানেন যে আওয়ামীলীগ জেল জোর জলুম, মামলা হামলাকে কোন পরোয়া করে না। কারণ এরাই হলো দলের জন্য নিবেদিত তৃনমুল কর্মী, যারা দলের থেকে কিছু পাওয়ার আশা করেন না বরং দলকে শুধু দিয়েই যান। তারা ভয় করেন যে পরে হাইব্রিড নেতারা আসবে আর লুটপাট করে খেয়ে চলে যাবে, বঞ্চিত হয়ে রয়ে যাবে তৃনমূল স্তরের এই কর্মীরা। অনেকে বলছেন পুলিশের লজ্জ্বা বলে কিছু নেই, পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে, যারা ৫ই আগস্টের পর হাজার হাজার পুলিশকে বর্বর ভাবে হত্যার বিরুদ্ধে পথে নেমেছে। পুলিশের উচিৎ চাকরি ছেড়ে এই আন্দোলোনে যোগ দেওয়া। আবার অনেকে আশা করেন যে ভোট ঘোষনা হয়ে গেলে তখন পুলিশ তার বর্তমান অবস্থানে থাকবে না। আওয়ামীলীগের জন্য আশার খবর হল যে, শুধু দেশ থেকে নয় বিদেশ থেকেও ইউনূসের উপর চাপ বাড়ছে আওয়ামীলীগকে নির্বাচনে ফিরিয়ে আনার জন্য। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছে ছয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।চিঠিতে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সব রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশে মানবাধিকার, নিরাপত্তা খাত সংস্কার, বিচারিক জবাবদিহি এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলো হলো- এইচআরডব্লিউ, বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা নিউইয়র্কভিত্তিক সংস্থা কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট, বিশ্বজুড়ে নাগরিক সমাজের অধিকার রক্ষায় কাজ করা দক্ষিণ আফ্রিকাভিত্তিক সংস্থা সিভিকাস, রোহিঙ্গাদের অধিকার নিয়ে বিশেষভাবে কাজ করা মানবাধিকার সংগঠন থাইল্যান্ডভিত্তিক ফোরটিফাই রাইটস, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটস ও টেক গ্লোবাল ইনস্টিটিউট। এখন দেখার আওয়ামীলীগকে সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরানোর ঘরে এবং বাইরের এই চাপ কি করে উপেক্ষা করেন ইউনূস।












Discussion about this post