ডক্টর মহম্মদ ইউনুস আর এনসিপির টোকাই সম্মনায়করা মিলে যে প্ল্যান করেছিল এখন তা পুরোই ঘুরে গেছে। তারা মনে করেছিল দেশে একটি অশান্তির পরিবেশ তৈরী করে সব জায়গায় আন্দোলনের পরিবেশ তৈরী করবে। তাতে হয়ত দেশের আসন্ন নির্বাচন সংগঠিত হবে না। কিন্তু দেশের সেনাদের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরেই দেখা গেছে সেনা বাহিনীর অন্দরে এক বড় অসন্তোষ ও অস্বস্তি তৈরী হয়েছে। যার কারণে সেনাবাহিনী এই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ। এই কারণে খেলার মোড় ঘুরে গেছে। এই পরিস্থিতিতে ক্যান্টনমেন্ট থেকে প্রশিক্ষণ হচ্ছে যাতে মার্শাল ল জারি করা হয়। এই নিয়ে সেনাবাহিনীর ভিতরে বহুদিন ধরে প্রশ্ন ঘুরছে যে এতে ওয়াকার উজ্জামান সম্মত হবে কী না তা নিয়ে। এই আবহেই ভারতীয় গোয়েন্দার চার সদস্যের এক দল ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের ঢাকায় গোপন বৈঠক সেরে ফেলেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং এনসিপির টোকাই নেতারা চেয়েছিলো দেশে এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরী করতে। সেনাবাহিনী বুঝে গেছে এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে যদি সেনাবাহিনী শাসন জারি না করা হলে বাংলাদেশ একেবারেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই ক্যান্টনমেন্টে মার্শাল ল জারির প্রস্তুতি চলছে। যে কোনও মুহূর্তে বড় কিছু হতে পারে।
শিক্ষক ও ছাত্রদের আন্দোলন, শিক্ষা সংস্থার ভিতরে ছাত্রদের মেরে ফেলা হচ্ছে, জামাত – বিনপি সংঘর্ষ হচ্ছে মসজিদের ভিতরে, বহু জায়গায় বিনপির সাথে বিনপির সংঘর্ষে মানুষের মৃত্যু হচ্ছে সাথে প্রতিটা জায়গায় আন্দোলন চলছে যেমন – শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যাঙ্ক খাতে। ফলে বাংলাদেশে জ্বলছে আগুন। বাংলাদেশের সব কিছু আগুন দিয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। সাথে সকল চাকরিজীবীদের আন্দোলনে রাজপথে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাথে আর্মিদের ধ্বংস করার জন্য উঠে পরে লাগা হয়েছে। ফলে এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন হওয়া কোনও প্রকারেই সম্ভব না। ফলে এই পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীর মার্শাল ল অতিসত্তর জারি করা প্রয়োজন। যদি বাহিনী এই ল জারি না করে তাহলে আর বাংলাদেশকে খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ।
স্বাভাবিকভাবেই বোঝাই যাচ্ছে বাংলাদেশ উগান্ডা, সুদান, ফিলিস্তিন হওয়ার পথে। এখন বাংলাদেশের পরিস্থিতি গলার কাটার মতো হয়ে রয়েছে না গেটা যাচ্ছে না ওগরানো যাচ্ছে। কারণ, বাংলাদেশের বহু মানুষ এখন ক্ষুদার জ্বালায় জ্বলছে। তারা না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। নাগালের বাইরে পৌঁছে গেছে জিনিসের দাম। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পুরো খারাপ হয়ে গেছে। ফলে একটি অঘোষিত দুর্ভিক্ষ চলছে দেশের ভিতরে। আর এইগুলো করার কারণই হল আওয়ামীলীগ কে ঠেকিয়ে রাখার জন্য, আওয়ামীলীগ কে বাংলাদেশে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। কিন্তু আওয়ামীলীগ কে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। দেশের মানুষদের নাস্তানাবুদ অবস্থা করে দিয়েছে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।












Discussion about this post