বাংলাদেশের তদারকি সরকার প্রধান ইউনূস শেষপর্যন্ত জাতিসঙ্ঘর মহাসচিব পদে বসতে চলেছেন?
আর কইয়েন না কত্তা, ঘুড়ায় হাসব।
ঘোড়া হাসবে কি না, সেটা পরের বিষয়। তবে ইউনূসকে নিয়ে এরকম একটা খবর তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি দৈনিক তাঁকে নিয়ে একটি খবর প্রকাশ করেছে। তবে প্রধান উপদেষ্টার দফতর থেকে বলা হয়েছে, জাতিসঙ্ঘের মহাসচবি পদে ইউনূসের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি গুজব। উপদেষ্টার প্রেস সচিব সফিকূল আলম বাংলাদেশের বণিকসভাকে বলেছন, ‘এটা পুরোটাই রটনা। এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই। ’ তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি সূত্র বলছে, এই বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও আন্তর্জাতিক রাজনীতির সর্বোচ্চ অভিভাবক সংস্থার শীর্ষ পদে ড. মহম্মদ ইউনূসের নাম নিয়ে আলোচনার বিষয়টি নতুন নয়। তার নাম আলোচনায় আসা অস্বাভাবিক নয়।
জাতিসঙ্ঘের বর্তমান মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বরে। স্বাভাবিক কারণে পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত তিনটি নাম ঘোরাফেরা করছে। সেই তিনটি নাম হল চিনের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট তথা জাতিসঙ্ঘের প্রাক্তন মানবিধাকার কমিশনের প্রধান মাইকেল ব্যাসেলেট, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার ডিরক্টের জেনারেল রাফায়েল ম্যারিনো গ্রোস্সি, কস্টারিকার প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা জাতিসঙ্ঘের বাণিজ্য এবং উন্নয়ন দফতরের সেক্রেটারি জেনারেল রেবেকা গ্রিনসপ্যান। জাতিসঙ্ঘের একটি সূত্র উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের একটি পত্রিকা জানিয়েছে, তদারকি সরকার প্রধানের নাম সম্ভাব্য মহাসচিবের তালিকায় নাম না থাকলেও গত কয়েক মাস ধরে তাঁকে নিয়ে নানা কানাঘুসো শোনা যাচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কর্তা জানিয়েছেন, এই নিয়ে সরকারি পর্যায়ে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এই নিয়ে আলোচনা হবে না, সেই সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব পদে নিয়োগ একটি নিয়মের ভিত্তিতে হয়ে থাকে। গুতেরেসের আগে মহাসচিব পদে নিয়োগ করা হয়েছিল এশিয়া থেকে বান কি মুনকে। সেই নিয়ম অনুসারে এবার আফ্রিকা বা লাতিন আমেরিকা থেকে কাউকে নিয়োগ করা হবে। এশিয়া মহাদেশ থেকে এখনও পর্যন্ত কারও নাম প্রস্তাব করা হয়নি। এই ধরনের কোনও পদক্ষেপ করা হলে অবশ্যই সরকারি স্তরে এই নিয়ে আলোচনা হবে। তবে সম্প্রতি জাতিসঙ্ঘের বর্তমান মহিসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল তদারকি সরকার প্রধান মহম্মদ ইউনূসের। সাক্ষাতে দুইয়ের মধ্যে এই নিয়ে কোনও আলোচনা হয়েছে কি না, তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের একাধিক সূত্র বলছে, আন্তর্জাতিক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতার নিরিখে ড. মহম্মদ ইউনূসের জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব হওয়াটা খুবই কাঙ্খিত । তিনি এই ধরনের একটি পদের জন্য অন্যতম যোগ্য ব্যক্তি। মন্ত্রকে জানিয়েছে, এর আগেও জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব পদে ড. মহম্মদ ইউনূসের নাম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বাংলাদেশের একটি পত্রিকার প্রতিবেদন অনুসারে, জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব পদের তালিকায় ইউনূসের নাম রয়েছে। আর তাঁর অর্থনীতিবিদ তথা কূটনীতিক খলিলুর রহমান কিন্তু একটা বিষয়য়ে বেশ দক্ষ। তিনি জানেন কোথায় ‘বিনিয়োগ’ করতে পারলে, ভালো লাভ হবে। ফলে, তিনি তদারকি সরকার প্রধানের হয়ে বিনিয়োগ করবে না, এটা ধরে নেওয়াটা বালখিল্য চিন্তা-ধারা হয়ে যাবে। গুতেরেসের উত্তরসূরী ইউনূস কি না, সেটা দেখার জন্য আমাদের আর কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post