বোমা ফাটালেন বোমা। একটা নয়, পর পর দুটি। সে বোমার তীব্রতা এতটাই যে যমুনা কেঁপে উঠেছে।
বোমা ফাটিয়েছেন তদারকি সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। সম্প্রতি তিনি বলেন, নভেম্বরের পর আর উপদেষ্টা পরিষদের আর কোনও বৈঠক হবে না। একেবারে হাটে হাড়ি ভেঙে ফেলায় বাকি উপদেষ্টারা রীতিমতো চটে লাল। সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে একটি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, কম করেও ১০জন উপদেষ্টা তদারকি সরকার প্রধান, মানে হেড স্যার ইউনূসের সঙ্গে দেখা করে সাফ জানিয়ে দেন, তাঁরা ইস্তফা দেবেন না। ইস্তফা দেওয়ার কোনও বাসনা তাদের নেই। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে মাহফুজ আলম আচমকা কেন এই কথা বললেন? তিনি আরও একটি মারাত্মক কথা বলেছেন। উপদেষ্টাকে বলতে শোনা গেল নির্বাচনের দিন তারিখ ঘোষণা হলে বাংলাদেশজুড়ে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি হবে।
প্রথমত বাংলাদেশ নির্বাচন নিয়ে এর আগে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছিল। সে প্রতিবেদনের মূল সুর ছিল বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ ভোট নিয়ে ইউনূস সরকার বেশ চাপে রয়েছে। আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য নানা প্রান্ত থেকে তাঁকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা চাপ আসছে সরকারের ভিতর থেকে। বাতাসে ইতিমধ্যে একটি খবর ভেসে বেড়াতে শুরু করেছে। তা হল ভোট বানচাল করতে একটি চক্র রীতিমতো নীল নকশা তৈরি করেছে। বিশেষ করে ইসলামী জঙ্গি গোষ্ঠী চায় না বাংলাদেশ নির্বাচন হোক। তারা চায় না গণতান্ত্রিক শাসন। তারা চাইছে এখন বাংলাদেশ জুড়ে যে নৈরাজ্যের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, সেই বাতাবরণ বজায় থাকুক। তাতে তারা সব থেকে বেশি লাভবান হবে। ইউনূসের সঙ্গে এমন কিছু লোক আছেন, যাঁরা নির্বাচনের বিরুদ্ধে। কারণ, তাঁরাও চাইছেন যেমন চলছে তেমন চলুক। বেশ সুখেই তাদের দিন কাটছে।
ফিরে যাওয়া যাক মাহফুজ আলমের বিবৃতিতে। সম্প্রতি বাংলাদেশের গাজিপুরের টোঙ্গিতে মৌলানা মহিবুল্লা নেওয়াজিকে অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তাকে খুঁজে পাওয়া গেল পঞ্চগড়ে। সেখানে তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন হয়েছে। বলা হচ্ছে ভারতের একটি সনাতনী সংস্থা তাকে গ্রেফতার করে পঞ্চগড়ে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার চালায়। বাংলাদেশের কোনও কোনও গণমাধ্যম থেকে দাবি করা হচ্ছে, এটা জেনে শুনে করা হয়েছে। যাতে বাংলাদেশে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করা হয়। বাংলাদেশে হাসিনা পরবর্তী সময়ে ওই সনাতনী সংস্থার সদস্যদের ওপর বাহিনী দমনপীড়ন চালায়। সংস্থার সদস্যরা সেনাবাহিনীর নিশানা হয়ে ওঠে। তারপরেও যখন তাদের গতিবিধিতে কোনওভাবেই বাঁধ দেওয়া যাচ্ছিল না, তাই, মহিবুল্লা নেওয়াজিকে কে বা কারা অপহরণ করে পঞ্চগড়ে নিয়ে গিয়ে তার ওপর অত্যাচার করে। আর এই ঘটনার পিছনে ভারতের ওই সনাতনী সংস্থাকে দায়ী করা হয়। মাহফুজ আলম কেন বলেছেন বাংলাদেশে নির্বাচনের দিন তারিখ ঘোষণা হলেই দেশজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ তৈরি হবে। তার একটা প্রেক্ষাপট তৈরি করে দেওয়া হল।
সম্প্রতি যমুনায় পাক সেনা প্রতিনিধিদলের সৌজন্যে একটি জলসা বসে। পাকসেনাকর্তার সৌজন্যে সেখানে বাংলাদেশের গান শোনানো হচ্ছি। জেনারেল সাহির শামসাদ মির্জা ওই সব গান শুনে বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁকে বলতে শোনা যায় উর্দু গান গাইতে হবে। এক তরুণী শেষে গান ধরেন।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post