চিকেন নেক নিয়ে মহম্মদ ইউনূস এমন ভাবে প্রচার চালিয়ে আসছেন, যেন চিকেন নেক এবং সেভেন সিস্টার তিনি দখল করে নিয়েছেন। কখনও তিনি চীনকে ডাকছেন লালমোনির হাটে, আবার কখনও পাকিস্তানের হাতে গ্রেটার বাংলাদেশের ম্যাপ তুলে দিচ্ছেন। তবে ভারত তার আর সব শত্রু দেশের মত বাংলাদেশকেও হালকা ভাবে নিচ্ছে না। অনেকেই তো বলছেন অঘোষিত ভাবে ভারত চিকেন নেক কে ২২ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত করে ফেলেছে। আর ভারতের এনএসএ অজিত ডোভাল ঘোষনা করে দিয়েছেন যে, এবার বাংলাদেশ নর্থইস্টে বিন্দুমাত্র ভুল করলে শিলিগুড়ি করিডরকে এক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তার করা হবে। সেই সঙ্গে কক্সবাজার এলাকাও ত্রিপুরার মধ্যে যুক্ত করা হবে। অর্খাৎ বাংলাদেশের দিকে ভারতের সেনাবাহীনি একটু একটু করে অগ্রসর হতে শুরু করেছে।
ভারতের চিকেন নেক নিয়ে শুধু মহম্মদ ইউনূস একাই আগ্রহী নয়। পাকিস্তানের সঙ্গে আছে চীন এবং আমেরিকাও। এই মহুর্তে শুধু চিকেন নেক সামলানোই ভারতের এক মাত্র সমস্যা নয়, সমস্যা পিওকে এবং সারক্রিকেও। অনেকেই বলেন দুটি ফ্রন্টে যুদ্ধ করা অনেক বেশী কঠিন। এই মহূর্তে ভারতকে চারটি দেশের সঙ্গে চারটি ফ্রন্টে যুদ্ধ করার জন্য প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। আর সেই প্রস্তুতির নামই হল ত্রিশূল। সম্প্রতি পাকিস্তান লুকিয়ে শাহিন থ্রির পরীক্ষা চালিয়েছে। এবং সেটিও আমেরিকার সাহায্য নিয়ে। আবার সেই আমেরিকাই বলছে যে পাকিস্তান নিউক টেস্ট করেছে। অর্থাৎ প্রতিটি দেশ মুখে এক বলছে আর মনের ভিতরে অন্য কিছু চলছে। কে যে কাকে বিশ্বাস করবে আর কাকে শত্রু মনে করবে সেটাই বুঝে উঠতে পারছে না। এই কারণেই বুঝি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের হাত ধরে গোটা পৃথিবীকে নিউক্লিয়ার যুদ্ধের মুখোমুখি হতে হবে। আমেরিকা ভারতের সঙ্গে দশ বছরের জন্য সামরিক সহযোগীতা চুক্তিতে সই করলেও, তারা বাগরামে তাদের হারকে মেনে নিতে পারছে না। তারা ভেবেছিল তারা বাগরাম থেকে পুরো এশিয়া কন্ট্রোল করবে কিন্তু সেটি হাত ছাড়া হতেই, তারা এখন নজর দিয়েছে বাংলাদেশ পাকিস্তান এবং মায়নমারের দিকে।তাদের তালিকায় বাদ নেই ভারতও। কারণ নাগাল্যান্ডকে অশান্ত করার চেষ্টা হচ্ছে, নাগাদের বলা হচ্ছে তোমরা ভারতীয় নও। তোমাদের ৯৮ শতাংশ মানুষ খ্রীস্টান। অর্থাৎ নাগাল্যান্ডকে আলাদা দেশ করতে পারলে, সেখানে আমেরিকা এসে যাবে। মনিপুরে তো অশান্তি অনেক আগের থেকেই লাগিয়ে রাখা হয়েছে দুই জাতির মধ্যে বিভেদ তৈরী করে। তো আমেরিকা চাইছে বাংলাদেশ পাকিস্তান মায়ানমার এবং ভারত এই সব এলাকাতে তাদের যে কোন ভাবে প্রভাব বিস্তার করা। চীন চাইছে অরুনাচল প্রদেশ, তারাও বহুদিন থেকে অরুনাচল তাদের বলে দাবী করে আসছে, এবং ভারতের সীমান্তে তারা গোপনে ব্যঙ্কার তৈরী করছে । রইলো পাকিস্তান বাংলাদেশ। এই দুই দেশ এখন চাইছে এক সঙ্গে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। পাকিস্তান যুদ্ধ করবে সারক্রিক এবং জম্মুকাশ্মীর ফ্রন্টে, আর বাংলাদেশ চিকেন নেক এবং উড়িষ্যার নেভি কোস্টালে অর্থাৎ যেখানে আব্দুল কালাম স্পেস সেন্টার আছে। আর এদের পিছন থেকে সাহায্য করছে চীন এবং আমেরিকা। আর বর্তমানে বাংলাদেশে হাফিজ সইদের নেটওয়ার্ক কাজ শুরু করে দিয়েছে ভারত বিরোধী প্রচার চালানোর জন্য।বাংলাদেশের বহু যুবক হাফিজ সইদের সংগঠনে নাম লেখাচ্ছে।এখন ভারত যে চুপ করে বসে নেই সেটা তো বোঝাই যাচ্ছে, ভারতের ত্রিশূল এক্সেসাইজের মাধ্যমে। সেই সঙ্গে ভারত তার চার দিকে নোটাম জারি করে রেখেছে। কোন দিক থেকে কোন রকম ভারত বিরোধীতা মূলক কোন কার্যকলাপ দেখা গেলে, ভারত শুধু জবাব দেবে না। এবার ভারত শেষ দেখে ছাড়বে। কারণ ভারতের নেভি যুদ্ধের জন্য মুখিয়ে আছে। আর অজিত ডোভাল তো বলেই দিয়েছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নর্থইস্টে সামান্যতম ভুলচুক হলে চিকেন নেক আর ২২ কিলোমিটার থাকবে না, তার সীমা এক হাজার কিলোমিটার করে নেওয়া হবে। আর সেই ভয়েই বাংলাদেশ চীন থেকে স্বল্প পাল্লার মিশাইল কেনার চেষ্টা করছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post