ছাত্র আন্দোলনের ফলে দেশছাড়া হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তারপরেই সে দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের ক্ষমতার রাস টেনেছেন মুহাম্মদ ইউনূস। এবং ইউনূস রাজত্বে বরাবরের বাংলাদেশের পরম বন্ধু ভারতের সাথে চরম দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা ৮ থেকে ৮০ সবারই জানা। যে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে একটা স্বাধীন দেশ জন্ম নেয় নাম হয় ‘বাংলাদেশ’ সেই বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় বসে মুহাম্মদ ইউনূস স্বাধীনতার ইতিহাস ভুলে গিয়ে নিজের কার্যসিদ্ধির জন্য সেই পাকিস্তানের পায়েই পড়েছে বরাবর। এমনকি বাংলাদেশকে পাকিস্তানের জঙ্গির আঁতুর ঘর বানাতেও পিছপা হয়নি প্রধান উপদেষ্টা।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ সাজস করে ভারতে অশান্তি পাকানোর মতলব করছে বাংলাদেশ প্রধান উপদেষ্টা। অপারেশন সিঁদুরে নাস্তানাবুদ হবার পর পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আই এস আই, মৌলবাদী দলগুলি এবং জঙ্গি গোষ্ঠীরা বাংলাদেশের সাহায্য নিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে নজর দিয়েছে। পাকিস্তানের দ্বিতীয় শীর্ষ সেনাকর্তার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরে আরো একজনকে দেখা গিয়েছে যে লস্কর- ই- তৈবার মালিক হাফিজের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহচর বলেই অভিহিত।লস্কর প্রধান হাফিজ সৈয়দের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে বাংলাদেশে দেখা যাওয়ার পরই ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সজাগ হয়ে গিয়েছে। এমনকি ভারতের জেমস্ বন্ড অজিত ডোভাল কৌশলী পদক্ষেপ নিয়ে রেখেছেন।কারণ এই জঙ্গি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচি চালিয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে অজিত ডোভাল খবর পেয়েছেন আর তাতেই তৎপরতা তুঙ্গে ভারতের।ইবতিসাম ইলাহী জাহির পাকিস্তানের মারকাজি জমিয়াত আল ই হাদিয়াতের জেনারেল সেক্রেটারি আমেরিকার আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমাধারী হাফিজের দীর্ঘদিনের ছায়াসঙ্গি। ইলাহিও ঢাকায় এসেছে গত ২৫ অক্টোবর বিশেষ সূত্রে খবর পাওয়া গেছে আর আসার পর থেকেই উত্তেজনাপ্রবণ সীমান্ত জেলাগুলিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।শুধু তাই নয় বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার তার গোপনে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন বলেই খবর। এখানেই প্রশ্ন উঠেছে তবে কি জেনারেল ওয়াকার নিজেকে বাঁচাতে বাংলাদেশকে জঙ্গির হাতে ঠেলে দিচ্ছে, এমনকি এও জানা যায় হাফিজ ঘনিষ্ঠই জঙ্গি নেতাকে সাদরে বরণ করেছে বাংলাদেশের মৌলবাদী কট্টর ইসলামী সংগঠনগুলি। সবকিছুই ঘটেছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের সেনাবাহিনীর চোখের সামনে। কাজেই বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না যে সমস্ত বিষয়ে সহমত পোষণ করেই এগোচ্ছেন সেনাপ্রধান।জানাগেছে, এইসব এলাকায় উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়েছে সে, এবং স্থানীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে একের পর এক আলোচনা সভা সেরেছে।গত কয়েকদিনে বাংলাদেশে জঙ্গি আনাগোনা অনেকাংশেই বেড়ে গেছে এখানেই বড় প্রশ্ন কি করতে চলেছে ইউনুস এবং ওয়াকার সম্মিলিত কৌশলে? জানা যায় সে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে রাতের অন্ধকারে গোপন মিটিং করেছে।মুহাম্মদ ইউনূস জমানায় এ নিয়ে দ্বিতীয় বার সে বাংলাদেশ সফরে এলো। এর আগেই প্রায় সপ্তাহখানেক সফরে এসেছিল ফেব্রুয়ারিতে।
রাজশাহীতে এই কট্টর ইসলামীদের বিশাল মন্ত্রনালয় গড়ে উঠেছে গোপনে এমনকি সেখানে ঘন ঘন সভা হচ্ছে বলে খবর। আজ ৭ নভেম্বর জাহির এই দফায় প্রায় ১২ দিন বাংলাদেশে কাটাবে বলে অনুমান। যে কারণে ভারতে নতুন কোনো অশান্তি পাকানো ছক কষা চলছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে ক্যান্টনমেন্টে যোগ সুস্পষ্ট না হলে সেনাবাহিনী এত নীরবতা পালন করছে কেন এমনকি গোপনে কি করতে চাইছেন সেনাপ্রধান সেদিকেও নজর রাখতে হয়।ভারতকে চাপে ফেলতে বাংলাদেশের সাহায্য নিতে চাইছে পাকিস্তান। আর ক্ষমতালোভী ইউনূস তার গদি বাঁচাতে বাংলাদেশকে ভয়ংকর এক বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। গত ২৫ অক্টোবর জাহির রাজশাহীর শাহ মাকদুম বিমানবন্দরে এসে নামে বলে বিশেষ সূত্রের খবর।তাকে স্বাগত জানায় আব্দুর রহিম বিন আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি, যে আল-জামিয়া আস সালিপার সদস্য। এই সংস্থাটি একটি ইসলামিক গবেষণা কেন্দ্র। সোমবারে জাহির চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় যায়, সেখানে স্থানীয় মসজিদগুলির ইমামদের সঙ্গে আলোচনা করে।চাঁপাইনবাবগঞ্জের জাহির একটি সভায় উস্কানিমূলক ভাষণ দিয়ে বলে, ‘ইসলামের জন্য তোমাদের সকলকে কুরবানী দিতে তৈরি থাকতে হবে। নিজের সন্তানকে কুরবানী দিতে তৈরি থাকো’। ভয়ঙ্কর ভয়ংকর ভাষণ চলছে বাংলাদেশে।ধর্মনিরপেক্ষ উদারপন্থী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে এমনও কথা বার্তায় শোনা যায়।পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত সমস্ত মুসলিমকে এক হওয়ার দাবি তোলা হয়।ধর্মনিরপেক্ষদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের হুংকার দিতেও শোনা যায়।কাশ্মীর নিয়ে সে বলে কাশ্মীরিদের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এইসব উস্কানিমূলক বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে জঙ্গি ঘাঁটি গজিয়ে উঠছে কোনায় কোনায়। আর প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ও সেনাপ্রধান ওয়াকার সমানে তালে তাল ঠুকে চলেছেন।












Discussion about this post