লালকেল্লায় বিস্ফোরণ নিয়ে নমোর হুঙ্কার, শাহি সতর্কবার্তায় কাঁপছে পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ। মোদি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দিল্লির ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সংযোগ থাকলে পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে এল একটি খবর। ভারতের একটি ইংরেজি দৈনিক তাদের ১০ নভেম্বর লস্করের মাথা হাফিজ সইদকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে তারা ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালিয়ে যাওয়ার ফন্দি করেছে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা হাতে পেয়েছে একটি ভিডিও, যেখানে দেখা গিয়েছে লেট কম্যান্ডার সইফুল্লাহ সইফকে।
গত ৩০ অক্টোবর পাকিস্তানের খইরপুর তামেওয়ালিতে লেটের তরফ থেকে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশের প্রধান বক্তা ছিলেন সইফুল্লা সইফ। সেই ভিডিওতে এই লেট নেতাকে বলতে শোনা যায়, তাদের নেতা হাফিজ সইদ চুপচাপ বসে নেই। কীভাবে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কাজ করা যায়, সেই পরিকল্পনায় ব্যস্ত রয়েছেন। ওই লেটা নেতা এও বলে, বাংলাদেশে লস্কর-ই-তৈবা রীতিমতো সক্রিয় রয়েছে। অপারেশন সিঁদুরের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। ভারতের ওই ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সইদ তাঁর বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সঙ্গীকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে। তাদের কাজ হবে সে দেশের তরুণদের মগজ ধোলাই করে জিহাদিক কাজে উদ্বুব্ধ করা। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। সবকিছুই ভারতকে কেন্দ্র করে। এই লস্কর নেতা আরও বলে, ‘আমেরিকা এখন আমাদের পাশে রয়েছে। আর বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও মজবুত হয়েছে। ’ ভারতের ওই ইংরেজি দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৩০ অক্টোবর পাকিস্তানের খইরপুর তামেওয়ালিতে লেটের তরফে যে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল, সেখানে দেখা গিয়েছে বহু কচিকাঁচাদের। সইফুল্লা সইফ রীতিমতো ভারত বিরোধী বক্তব্য রেখে তাদের প্ররোচিত করার চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে।
একথা আগেও বলা হয়েছে, যে হাসিনা আমলে যে পাকিস্তান বাংলাদেশের ছায়া পর্যন্ত এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করত। সেই পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন গলায় গলায়। সে দেশ এখন পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে পাকিস্তান সেনার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা সাহির শামসাদ মির্জা সম্প্রতি বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে বাংলাদেশ গিয়েছিলেন। তিনি তদারকি সরকার প্রধান ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক করে সে দেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজজামানের সঙ্গে।
বাংলাদেশে ক্ষমতার পালাবদলের পর থেকে সাউথব্লক সতর্ক হতে শুরু করে। আর পাক সেনাকর্তার বাংলাদেশ সফরের পর সাউথব্লক এবং সেনাসদর চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে শুর করে। সেই প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে সীমান্তে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে নজরদারি। শুরু হয়েছে সেনামহড়া। কিন্তু তারপরেও লালকেল্লায় ঘটেছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। এদিকে, বুধবারের আরও একটি খবরে জানা গিয়েছে, দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে যেমন ডক্টর্স মডিউল প্রকাশ্যে এসেছে জৈশ প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারের নেতৃত্বে সব কাজ শুরু করেছে জামাত উল মোমিনাত। মাঝারি গড়ন। দেখতে একেবারে সাদামাটা। মাসুদের বোন সাদিয়া আজহারের কাঁধে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ভারতের মহিলাদের জিহাদি কাজে উদ্বুদ্ধ করার। দিল্লি বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে ধৃত চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের সঙ্গে তাঁর আবার প্রেমের সম্পর্ক। ফরিদাবাদের বিস্ফোরক এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া মহিলা চিকিৎসক শাহিন শহিদকে জেরা করে মিলেছে দুই ঘটনার যোগসূত্র।












Discussion about this post