কেঁচো খুলতে বেরিয়ে কালকেউটে।
লালকেল্লায় বিস্ফোরণের তদন্ত উঠে এল তুরস্কযোগ। অবাক হওয়ার মতো তথ্য হলেও এটাই বাস্তব। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা কিছু কোড উদ্ধার করেছে। সে কোডগুলি ডিকোড করতে গিয়ে ভয়ঙ্কর সব তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে উঠে এসেছে। প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা গিয়েছে, এই হোয়াইট কালার সন্ত্রাসী মডিউলটির মাধ্যমে পাকিস্তানের জৈশ-ই-মহম্মদ প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিল। এই টেরর মডিউলকে কী করতে হবে তাঁর নির্দেশ এসেছিল তুরস্ক থেকে। এর্দোয়ানের দেশ থেকে মডিউলের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত তাদের হ্যান্ডলাররা।
দিল্লি বিস্ফোরণের সঙ্গে নাম জড়িয়ে গিয়েছে আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের। হামলার সঙ্গে জড়িত চিকিৎসকেরা কোনও না কোনওভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িত। বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবৃতি দিতে হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দিল্লি বিস্ফোরণের কোনও সম্পর্ক নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বা যারা দিল্লি-কাণ্ডে জড়িত, সেটা তারা করেছে তাদের ইচ্ছায়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই ব্যাপারে না প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে, না মদত দেওয়া হয়েছে, না উস্কানি দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন উঠছে, যদি এই বিশ্ববিদ্যালয় জড়িত না থেকে থাকে, তাহলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সব ডাক্তারের সঙ্গে দিল্লি-কাণ্ডে নাম জড়িয়ে গিয়েছে, তারা কী করে দিনের পর দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের লকারে জমা করল বিস্ফোরণের মশলা?। তাই, গোয়েন্দাদের আতসকাচের তলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়। ভারতের একটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, জিহাদি ডাক্তারদের চারণভূমি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সাসপেন্ড করেছে অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ।
এই বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় পেত বিদেশী অনুদান। কাতার এবং সৌদি আরব থেকে আসত সেই অর্থ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ পড়ুয়া বিশেষ একটি সম্প্রদায়ের। তাদের মধ্যে ভারত-বিদ্বেষী মনোভাব তৈরি করাই ছিল এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল আদর্শ। দিল্লি-কাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুই মহিলা ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে একটি গণমাধ্যম থেকে বলা হয়েছে, এই দুই মহিলা চিকিৎসক উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকা গিয়েছিলেন। সেখানে থাকাকালীন তাদের মগজধোলাই করা হয়। জিহাদি মন্ত্রে দীক্ষিত করা হয়।
তবে তুরস্কের নাম জড়িয়ে যাওয়াটা বেশ চমকপ্রদ। এই হামলার সঙ্গে দুজনের নাম জড়িয়ে গিয়েছে। এরা হল ডা. উমর উন নবি এবং তাঁর সহযোগী ডা. মুজাম্মিল শাকিল গনাই। দুজনেই গিয়েছিল তুরস্কে। চমকে দেওয়ার মতো আরও তথ্য রয়েছে। দিল্লি বিস্ফোরণে ঠিক আগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সন্ত্রসদমন শাখা গ্রেটার নয়ডা থেকে ‘ইস্তানবুল ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিমিটেড ’ –য়ের সহ প্রতিষ্ঠাতা ফারহান নবিকে গ্রেফতার করে। তুরস্কের নাসি তোবাড় সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা এই প্রতিষ্ঠান তৈরি করে। নাসি এখনও ধরা পড়েনি। ফারহানকে হাওয়ালা নেটওয়ার্কের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল এই নাসি। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে উঠে এসেছে তুরস্ক এবং জার্মানি থেকে তহবিল আসত। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে স্বেচ্ছাসেবি সংগঠনের আড়ালে সুসংহতভাবে বিদ্বেষমূলক প্রচার চালাচ্ছিল একটি নেটওয়ার্ক।
ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, এই টেরর মডিউল রেইকিও করে। জানার চেষ্টা করেছিল দিল্লির কোন প্রান্তে সন্ত্রাসী হামলা হলে ক্ষতি বেশ হবে। এই টেরর মডিউল প্ল্যান এ এবং প্ল্যান বি তৈরি করে রেখেছিল। কোনও কারণে একটি বানচাল হলে, দ্বিতীয়টি প্ল্যান কার্যকর করবে।












Discussion about this post