সম্প্রতি PBI থেকে আমরা জেনে ছিলাম জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যত মামলা তার ৫৬ % মামলাই ভুয়ো। বাকি ৪৪ % মামলার ৯০ % আসামিই ভুয়ো। এবার কেঁচো খুঁড়তে কেউটে। একে একে বেরিয়ে আসছে ভুয়ো মামলার হদিশ। তাতে দেখা যাচ্ছে, ভাই নিহত হয়েছে এই দাবিতে মামলা করা হয়েছিল তাতে প্রধান আসামি করা হয়েছিল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এমনকি গ্রেফতার ও করা হয়েছিল বেশ কয়েকজনকে। তারপর তদন্তকারী নিশ্চিত হয়েছেন যে মামলাটি মিথ্যা ছিল। যে ভাই দাবি করেছিল যে তার ভাই নিহত হয়েছে আসলে তার ভাই জীবিত। মামলাটি বাতিল করে দেওয়া হয়। এই মামলা থেকে শেখ হাসিনা সহ ৪২ জন অব্যাহতি পাচ্ছেন।
ঘটনাটি হচ্ছে, ভাইয়ের সাথে পারিবারিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে বেঁচে নেন আরেক ভাই। ঐসময় ভাইকে নিহত দেখিয়ে মামলা করেন। তবে শেষ রক্ষা হল না। মিথ্যা মামলাকারী নিজেই ফেঁসে যান। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, ৩ রা অগাস্ট দুলাল ওরফে সেলিমকে যাত্রা বাড়িতে গুলিতে নিহত হওয়ার অভিযোগে মিথ্যা মামলা করেছিল তার ভাই মোস্তফা কামাল। অথচ জীবিত রয়েছে দুলাল ওরফে সেলিম।
এলাকায় ডাকাত বলে পরিচিত মোস্তফা কামাল হত্যা, ডাকাতি, মামলা মাথায় নিয়ে পলাতক মোস্তফা কামাল পারিবারিক বিরোধের জেরে তার ভাই সেলিমকে ফাঁসাতে মিথ্যা মামলাটি করেছিলেন।
অন্যদিকে সেলিম ভাইদের ভয়ে বাড়িতে থাকতে না পেরে তার স্ত্রীকে নিয়ে ময়মহনসিংহের ফুলবাড়ী ও বেলতলী বাজারে দোকানে বসবাস করছেন। তিন ভাইয়ের বিরুদ্ধে জমি দখলের চক্রান্তর অভিযোগ করে সেলিম বলেন, আমার কোনও পুত্র সন্তান নাই। ওরা আমাকে মেরে আমার জমি দখল করতে চায়। তাই আমি খুন হয়েছি বলে মামলা করে। যাতে পরে আমাকে খুনের কাজটা করা সহজ হয়। শুধু আমাকে না জমি দখলের জন্য আমার মেয়েদেরকেও মেরে ফেলার হুমকি দেয় ওরা।
মিথ্যা মামলার কারণে মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় ২১১ ধারায় অভিযোগ দায়েরের অনুমতি চেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের ওয়ারী বিভাগের এস আই এনামুল ইসলাম। ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের উপ পুলিশ কমিশনার মল্লিক আহসান উদ্দিন বলেন, ইচ্ছাকৃত মিথ্যা মামলা দায়ের করার জন্য অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আদালত অনুমতি দিলে আমরা মামলা করব।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, জুলাই আন্দোলনের বাকি মামলাগুলি কি গ্রহণযোগ্যতা পাবে তাহলে যে বিচার প্রক্রিয়াগুলি হয়েছে তা কি সাজানো নাটক












Discussion about this post