আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বিবিসি বাংলা। সেখানে তারা লিখছে, আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করতে চান। নির্বাচন তফসিল প্রত্যাখ্যান করলেও তারা থাকতে চান। অর্থাৎ নির্বাচন বানচাল করার কোনও প্ল্যান নেই তাদের। এই পরিস্থিতিতে ইন্ডিয়া টুডে-তে শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। জয়ের সাক্ষাৎকারে বেশ কিছু বিষয় উঠে এসেছে। বাংলাদেশের উল্টো পথে হাসিনা পুত্র জয়। ঢাকায় সহিংসতার ডাক। রয়টার্সের সাক্ষাৎকারে তিনি নির্বাচন প্রতিরোধ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। ইন্ডিয়া টুডেতেও সেই একই ভাষ্য উঠে এল। এবং সেই প্রতিরোধ করতে গিয়ে সহিংসতা রূপ নেবে। এমনই মন্তব্য করেছেন। এই ধরনের বক্তব্য আওয়ামী লীগের জন্য কতটা লাভজনক, সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় সম্প্রতি যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, সেটা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। এমনকি বাংলাদেশের একাধিক গণমাধ্যমে হেডলাইন দিচ্ছে, নির্বাচন বন্ধ করাই আমাদের লক্ষ্য, আন্দোলন সহিংস হতে পারে। বাংলাদেশে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তেজনার পারদ বাড়ছে বাংলাদেশে। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য কর্মসূচি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। সম্প্রতি ভারতীয় এক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ নির্বাচন বন্ধ করতে আন্দোলনে নামবে এবং সেই আন্দোলন ঢাকায় সহিংসতায় রূপ নিতে পারে। জয় এমন একটি সময়ে এই মন্তব্য করেছেন যখন নিরাপত্তা বিশ্লেষণ ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণদের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে বাংলাদেশে পরিকল্পিত সহিংসতা অরজগতা বা বিশৃঙ্খলা হতে পারে। আর সেখানেই অনেকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন।
ওই সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের লক্ষ্য হল নির্বাচন বন্ধ করা। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবে। যদি তাদের অংশগ্রহণ করতে না দেওয়া হয়। কারণ দেশের গণতন্ত্র অনুযায়ী অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন অত্যন্ত প্রয়োজন। তিনি আরও দাবী করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন আয়োজনকে কেন্দ্র করে যে বাস্তবতা তৈরি হয়েছে তাদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ এর সম্ভাবনা একেবারেই কম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচন বন্ধ করতে প্রতিবাদ করবে এবং সেটি ঢাকায় সহিংস্রতায় রূপ নেবে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের নেতা কিভাবে মন্তব্য করতে পারেন? যদিও উল্টো দিক থেকে অনেক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। যাতে সরকার এটা না করে, তাই এই বক্তব্য রাখছেন জয়। ইতিমধ্যেই নির্বাচন বাংলাদেশে যত এগিয়ে আসছে, ততই পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এরমধ্যে শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়েছে। তাঁকে গুরতর অবস্থায় এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সিঙ্গাপুরে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অনেকে বলছেন, বাংলাদেশে অশান্তি শুরু হয়ে গিয়েছে। একদল যারা চাইছে, নির্বাচন না হোক বাংলাদেশে। কিন্তু এক্ষেত্রে ভারতকে কাঠগড়ায় তুলে দেশের মধ্যে থাকা সন্ত্রাসীদের লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে। এখন দেখার বাংলাদেশের পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।












Discussion about this post