পাকিস্তানের উস্কানিতে বাংলাদেশে যদি ভারতের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে না দেয়, তাহলে দুই দেশের যুদ্ধের আশঙ্কা খুবই কম। তবে এর অর্থ এই নয় যে বাংলাদেশ যুদ্ধের হাত থেকে বেঁচে যাবে। কারণ আরাকান আর্মির সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কার একেবারেই উড়িয়ে দিতে পারে না বাংলাদেশ। ভারতের সেনাপ্রধান বহুবার পাকিস্তানকে ভূগোল এবং ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন, তিনি এবার বাংলাদেশকে নিয়ে কিছু প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন, যার অর্থ হল একটি দেশে দখলদারী সরকার আছে, তাদের সঙ্গে সেই দেশের মানুষের সুখ দুখের কারণে যতটুকু সম্পর্ক রাখতে হয় রাখছে ভারত সরকার। কিন্তু দেশ বলতে এখন যা বোঝায় তা হল সেনাবাহীনি। সেই সেনার সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রাখছে ভারতীয় সেনাবাহীনি। ফলে মাহফুজ আলমের নতুন মানচিত্রের স্বপ্ন দেখানো বক্তব্য, অথবা হাসনাতের সেভেন সিস্টার কে অস্থির করার যে হুমকি তাকে ভারতীয় সেনা সেভাবে গুরুত্ব দেয় না।। তাছাড়া হাসনাতরা নিজেদের দেশে গালভরা ভারত বিরোধী বক্তব্য না দিয়ে, একবার আসামে যাক না তার ভারত বিরোধী চক্রদের সাথে নিয়ে, তাহলে বোঝা যাবে তার কত দম। যদিও সে নিজের দেশেই সেনার কনভয়ে লুকিয়ে নিজের বাড়ী ফিরতে বাধ্য হয়, সে আবার অন্য দেশকে অস্থির করার কথা বলে। যদিও সেনা প্রধান মনে করেন সব স্বাধীন দেশের এটা অধিকার আছে, যে তারা তাদের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে, কিন্তু তারা ভারত বিরোধী কিছু করছে কিনা তা শুধু নজরেই রাখছে না ভারত, প্রয়োজনে ভারত সেনা পাঠিয়ে তার নজরদারিও করছে।।
সেনাপ্রধান জানে ভারত বাংলাদেশ যুদ্ধ হলে জয় বা পরাজয় যে দেশেরই হোক না কেন, লাভ হবে শুধু ইউনূসের। আর ক্ষতি হবে দুই দেশের সেনা আর সাধারণ মানুষের। তাছাড়া বাংলাদেশের জনগনকে যে চোখে দেখে ভারত সরকার, সেই একই ভাবে দেখেনা পাকিস্তানের জনগনকে।ফলে শুধু মাত্র কিছু পাকিস্তান পন্থি জনগন যারা ভারত বিরোধীতা করে রাজনীতি করছে এবং তাদের পেট চালাচ্ছে, তাদের উস্কানিতে তো আর একটা যুদ্ধ করিয়ে দেওয়া যায় না। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে দুই দেশের সেনারা হত বা আহত হলে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের কোন অনুশোচনা বা ক্ষতি হবে না, তাদের দেশের সেনারা মারা যাওয়ার কারণে। তারা যে কোন উপায়ে ক্ষমতায় থাকতে চায়। এটা ভালো করে জানে ভারত। তাই তাদের কোন উস্কানিতেই যুদ্ধের পথে যাবে না ভারত। যদি এই সরকার আরও পাঁচ বছর ক্ষমতা দখল করে থাকতে চায়, তাহলেও ভারত তাদের গতিবিধির দিকে নজরদারি চালাবে, কিন্তু যুদ্ধের পথে যাবে না। আর যুদ্ধ যাতে না বাঁধে তার জন্য দুই দেশের সরকারের মধ্যে কূটনীতির সম্পর্ক থাক বা না থাক, সামরিক সম্পর্ক খুব ভালো ভাবেই বোজায় আছে। আর এটি এখন কোন আনুমানিক বক্তব্য নয়। এটি ভারতীয় সেনপ্রধানের সরাসরি বক্তব্য।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post