১৯৭১ এর পর আবার ভায়ের পিঠে পর পর ছুরি বসাল পাকিস্তান। প্রথম ছুরি মেরেছিল ২৪এর জুলাই অভ্যুত্থান নামে। সেই সময়ের পর থেকে বাংলাদেশের উন্নতি স্তব্ধ।যে দেশটি দ্রুত উন্নতির পথে এগোচ্ছিল সেই দেশ আজ জঙ্গীরাষ্ট্রে পরিনত হয়েছে। আর এর পিছনে পাকিস্তানের জামাত শিবিরের হাত আছে। তারাই অভ্যুত্থানের নামে হাসিনার সরকার ফেলেছিল। তার পর থেকে তো বাংলাদেশের অবস্থা কেমন সবাই তা বুঝতে পারছে। শুধু বাংলাদেশ উন্নতই হচ্ছিল না, উন্নত হচ্ছিল সে দেশের ক্রিকেটও। বাংলাদেশের ক্রিকেট এতটাই উন্নতি লাভ করেছিল,যে তারা যে কোন দেশকে টক্কর দেওয়া মত জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল। পাকিস্তানের উস্কানিতে ভারত বিরোধীতা করতে গিয়ে তাদের দেশের ক্রিকেট টাই ধ্বংস হতে চলেছে। এখন তো সাধারণ মানুষের প্রশ্ন করা উচিৎ পাকিস্তানের সেই শুভাকাঙ্খিরা কোথায়। যারা বলেছিল বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে না পারলে তারাও বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াবে।এখন প্রশ্ন্ বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তান কি সরে দাঁড়িয়েছে। তাারা বুদ্ধি করে বোকা বাংলাদেশকে মিথ্যে সাহস দিয়ে, নিজেদের গ্রুপ থেকেই বের করে দিয়েছে। ফলে তারা তাদের গ্রুপে একটি সহজ দলকে পাবে, সেই সঙ্গে বাংলাদেশকে সব দিক থেকে ভারত বিরোধী করে তুলেছে। ফলে
বাংলাদেশ যদি ভাবে পাকিস্তান এখন তাদের বন্ধু, তাহলে বলতে হবে যারা এমন ভাবে তারা নিজেরাই নিজেদের শত্রু। এর জন্য অন্য দেশকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। কারণ পাকিস্তানের সরকারকে বিশ্বাস করে না পাকিস্তানের জনগনই।তারাই সরকারকে নিয়ে হাসাহাসি করে। সেখানে বাংলাদেশকে মেলায় হারিয়ে যাওয়া ভাই বলে খুঁজে পেয়েছে পাকিস্তান। আর সেই মেলটি হল ত্রিশ লক্ষ্য সাধারণ মানুষের হত্যা আর দুই লক্ষ্য নারীর সম্ভ্রমহানি। যদিও এই বর্তমান সরকার এসব আওয়ামীলীগের বানানো গল্প বলে চালাতে চায়, তারা বিশ্বাসই করতে পারে না যে পাকিস্তানের মত এমন নিরীহ একটি দেশ এমন অত্যাচার করতে পারে। তো সেই ভাই বলেছিল তারা তাদের পরমাণু বোমা বাংলাদেশকে দিয়ে দিবে, যদি কেউ তাদের প্রিয় ভাই বাংলাদেশের দিকে আঙুল তুলে। যদিও পাকিস্তানের হাতে পরমাণু বোমা আর আছে কিনা তাই নিয়েই অনেকের সন্দেহ আছে। যাক সে কথা, এই পাকিস্তান বাংলাদেশকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারাও বিশ্বকাপ খেলবে না, যদি বাংলাদেশের সঙ্গে আইসিসি ন্যায় বিচার না করে। মানে বাংলাদেশের দাবী ছিল তারা তাদের দেশের ক্রিকেটার এবং সাংবাদিক সহ দর্শকদের নিরপত্তার অভাব আছে বলে ভয় পাচ্ছে। তো আইসিসি বলে দিয়েছে তোমাদের ভয়ের ঔষুধ তোমাদেরই বার করতে হবে। কারণ আইসিসি ভারতে খেলতে আসা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিরপত্তার অভাব খুঁজে পায়নি। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান সরকার এটা বুঝতে পারছে না যে ভিক্ষারিদের ইগো থাকতে নেই। যদিও খেলতে না যাবার জেদ ধরেই বসে নেই বাংলাদেশ, তারা আবার আইনি লড়ায়েও যেতে চাইছে। বর্তমান সরকারের এই জেদকে সমর্থন করছে অধিকাংশ মিডিয়া। যদিও তাদের সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার মত ক্ষমতা বা অধিকার কোনটিই নেই। তারা বলছে পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক নাকি বলেছে যে, ভারতে খেলতে না আসার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নয়, এটি সে দেশের সরকারের। বাংলাদেশের সরকার খেলাতে রাজনীতি নিয়ে এসেছে।মানে তারা বলতে চাইছে বাংলাদেশের মত একটি ছোট দেশের এই আত্মঅভিমান বা জেদ দেখে ভারত হিংসার কারণে এই কথা বলছে। কিন্তু আমরা আপনাদের কাছে সত্যিটা তুলে ধরছি। এর থেকে স্পষ্ট যে বোর্ড সরকারের ইগোকে সমর্থন করতে গিয়ে নিজেদের দেশের ক্রিকেটকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিশ্বকাপে না খেলতে পারার কারণে বেশ কয়েক হাজার কোটি টাকা পাওয়া থেকে বিরত থাকল বাংলাদেশ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post