ভারতের কাছে গোয়েন্দা রির্পোট বলছে পাকিস্তান আবার প্রস্তুতি নিচ্ছে জলপথে আক্রমন করার, সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মাটিও ব্যবহার করা হতে পারে। আর এবার যদি পাকিস্তান বাংলাদেশকে নিয়ে কোন অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করে তবে ভারত আর কোনভাবেই যে সংযম দেখাবে না তার প্রমান দেখানোর বাকি আছে, নাকি অপারেশ সিন্দুরে তা দেখিয়ে দিয়েছে। তবে অপারেশন সিন্দুর-থামানো নিয়ে ভারতের সেই সময়কার সিদ্ধান্তেদেশ বিদেশে যে আলোচনা এবং সমালোচনা থাক না কেন, বর্তমানে ভারত যে মাত্র কয়েক ঘন্টাতে পাকিস্তানের যে কোন সেনা ঘাঁটিকে ধ্বংস করতে পারে, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশকে উদ্দেশ্য করে তাই জানিয়ে দিলেন ভারতের এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং।
আমেরিকার ভেনেজুয়েলার উপর আক্রমন, গ্রীনল্যান্ড দখল করার ঘোষনা, আবার চীনের তাইওয়ান কে দখল করার হুমকি, এই ঘটনাগুলি ভারতের জন্য এক নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে। আমেরিকা এবং চীন দেখিয়ে দিচ্ছে যে ক্ষমতা থাকলে আন্তর্জাতিক নিয়ম মানার প্রয়োজন নেই। এই বার্তাটিই প্রয়োজন ছিল ভারতের। তাই ভারতের একের পর এক সেনাকর্তার মুখে পাকিস্তানকে কঠোর বার্তা। প্রথমে সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী পাকিস্তানকে সাবধান করলেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়ে ছিলেন অপারেশন সিন্দুর টু পয়েন্ট ও, যে কোন সময় শুরু হতে পারে এবং ভারত তৈরী আছে। আর এবার পাকিস্তান কোন ভাবেই আমেরিকান লবিকে কাজে লাগাতে পারবে না। এবার যুদ্ধ হলে তা হবে নির্ণায়ক যুদ্ধ।। সেনাপ্রধান যা বলেছিলেন তাই শোনা গেল এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং এর গলায়। তিনি বোঝালেন দেশ তখনই শক্তিশালী যখন শক্তিশালী হবে মিলিট্যারি পোত। তা না হলে দেশ যতই আর্থিক শক্তিশালী হোক না কেন লাভের লাভ কিছু হবে না। যে কোন শক্তিশালী দেশ ভেনেজুয়েলার মত শক্তিশালী দেশকে নিজের অধিনে করতে পারে। এর পর তিনি যা বললেন তার মানে অন্যরকম, মানে বার্তাটি পাকিস্তানকে সাবধানবানী, এখন আর সংযম দেখানোর সময় নেই, যার ক্ষমতা আছে তার সংযম দেখানোর প্রয়োজনও নেই। তিনি বললেন শুধু মিলিট্যারি শক্তি থাকলেই হবে না।সেই শক্তি ব্যবহারের ইচ্ছা শক্তিও থাকতে হবে। যা আছে ভারতের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সেনাকর্তাদের মধ্যে। তিনি জানালেন ভারতের আশেপাশে কোথাও হামলা হলে, ভারত আর তথ্য প্রমান নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ছুটাছুটি করবে না। হামলাকারীর নাম ও নিশানা মুছে দিতে প্রস্তুত। ভারত গত দশ মাস ধরে যে প্রস্তুতি নিয়েছিল এবার তার প্রমান দেওয়ার সময় এসেছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post