ফিরেছেন তারেক রহমান। হাতে মাত্র ৯ দিন তারপরই বাংলাদেশে ভোট। যে ভোটের জন্য সকলেই অপেক্ষা করে আছে। নাগরিকরা ভোট দিয়ে অন্য সরকারকে আনতে মরিয়া। ত্রয়োদশ নির্বাচনের দিনই গত বেশ কয়েকদিন ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সারাদেশে গণভোট নিয়ে প্রচারণা শুরু করে সরকার। প্রথমে সরকারের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র গণভোট নিয়ে নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে প্রচারণা শুরু করে। পরে অবশ্য সেই অবস্থা থেকে সরে এসে সরাসরি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা শুরু করে। যা নিয়ে তুমুল বাকবিতণ্ডা চলে বেশ কয়েকদিন। জাতীয় সংসদ নির্বাচন আমাদের কাছে খুব চেনা বিষয় কিন্ত গণভোট তা একেবারেই নতুন। কেউ বলছেন এই গণভোট হতে পারে মাস্টারস্ট্রোক, আবার অনেকে বলছেন গণভোটে আদৌ কিছুই হবে না। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে জনতা মুখিয়ে আছে। নির্বাচনে জামায়েত ই ইসলামী ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে। তাদের লক্ষ্য খুব পরিস্কার ১৫৫ আসন। রাজনীতির ময়দানে প্রশ্ন উঠছে যদি জামায়েত বা অন্য কোনও দল ভোট না পায় তাহলে কী তাদের বাস্তব সব চিন্তাভাবনা ধুলিসাৎ হয়ে যাবে। গণভোটে যদি ‘হ্যা’-র পক্ষে বেশী ভোট পড়ে তাহলে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসবে রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে। গণভোটে হ্যা হলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আর প্রকাশ্য ভোটে হবে না। পুরোটাই হবে গোপন ব্যালটে। এরফলে mp-রা দলের হয়ে নিজেদের পছন্দমতো ব্যাক্তিকে ভোট দিতে পারবেন। ফলে রাষ্ট্রপতি আর প্রধানমন্ত্রীর হয়ে থাকবে না। তখন রাষ্ট্রপতি নিজের ইচ্ছায় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া নিজের ইচ্ছায় কাজ করতে পারবেন। অন্যদিকে, সাংবিধানিক পদগুলিতে নিয়োগ করতে পারবেন। ভাববার বিষয় যদি জামায়েত বা যদি ক্ষমতায় না আসতে পারে কিন্তু তাদের সমর্থিত ইউনূসের মতো রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দিয়ে গোপন ভোটে জিতে যায় তাহলে সরকারের লাগাম কার হাতে থাকবে? রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষকরা বলছেন, জামায়েত ইসলাম এই সমীকরণটি খুব ভালো বুঝতে পেরেছে। তাই তারা সরকার গঠন না করলেও রাষ্ট্রপতি পদটি নিজেদের মতো করে মানুষকে ভোট দেবে। সংবিধাননুযায়ী প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষর করলেই দেশের জরুরী অবস্থা জারি হয়ে যায়। যার ফলে নাগরিকদের মৌলিক অদিকার স্থগিত হয়ে যায়। অন্যদিকে, আগামী নির্বাচনে অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টার নিয়োগ প্রক্রিয়া আর একপাক্ষিক হবে না। সব দলের ভিত্তিতেই সরকার গঠন করা হবে। হ্য়া ভোট পাশ হলে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে। আগামী দিনে নজির বিহীন ঘটনা হতে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন তাহলে বিএনপি কী করবে? বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কী এই ব্যবস্থার বিরোধীতা করবে? আপাতত উত্তর না। তিনি পুরো নিয়ম এবং পরিবর্তনকে গ্রহণ করেছেন। এবং গণভোটকে প্রচারের হাতিয়াড় হিসেবেও ব্যবহার করছে। এক জনসভায় তিনি বলেছেন, হ্যা পক্ষের ভোটে ভোট দিতে। বলেছেন ১২ তারিখে ভোট হবে ১৩ তারিখে সরকার গঠন হবে বিএনপির। বিএনপিও হ্যা ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি ১২ ফেব্রুয়ারী গণভোটে হ্যা পক্ষ জয়ী হয় বাংলাদেশ এক নতুন অধ্যায় প্রবেশ করবে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post