ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই মুহূর্তে রাজনৈতিক ময়দান কাঁপিয়ে প্রচারে ব্যস্ত। স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলি বিশেষ করে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য ময়দানে নেমে পড়েছে। এর মধ্যেই একটি খবর বাংলাদেশের বিভিন্ন মহলে শোরগোল ফেলেছে। সেটা হল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আড়ালে একটি নকল সেনাবাহিনী আসরের নামতে চলেছে। হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন, নকল সেনাবাহিনী। ভাবছেন তো, এটা কিভাবে সম্ভব? হ্যাঁ মশাই, বাংলাদেশে সবই সম্ভব।
বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে যেভাবে হোক জামাত জোটকে জেতাতে হবে। পাশাপাশি গণভোটে হ্যাঁ সূচক ভোট পড়বে , কমপক্ষে ৫৫ শতাংশ। এটা একটা ষড়যন্ত্রের নীল নকশা। তাহলেই মুহাম্মদ ইউনূস আরও ছয় মাস ক্ষমতায় থাকবেন এবং পরবর্তী সময় তিনিই হবেন বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি। এটাই ইউনূস সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা। কিন্তু বাদ সেঁধেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। জেনারেল ওয়াকার উজ জ্জামান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্য হবে নিরপেক্ষ সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করানো। যদি সেটা হয় তাহলে আদৌ জামাত পক্ষ ক্ষমতায় আসবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ঠিক এই ভাবনা থেকেই রচিত হয়েছে নতুন পরিকল্পনা। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট ও আশেপাশের এলাকা থেকে ২০ হাজার নকল সেনা ময়দানে নামবে। যেটা নিয়ে একটু পরে আলোচনা করছি। তবে যেটা নিয়ে আগে আলোচনা করা প্রয়জোন, সেটা হল ফেক সেনাবাহিনী নিয়ে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সেনাবাহিনীর প্রায় ২০ হাজার নকল পোষাক তৈরি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, একটি রাজনৈতিক দলের সিভিলিয়ান সমর্থকরা এসব পোষাক পরে নিজেদের সেনাসদস্য হিসেবে উপস্থাপন করে নির্বাচনী মাঠে ভীতি, আতঙ্ক ও চাপ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছে। এই অভিযোগ কতটা বিশ্বাসযোগ্য? কারা এর পেছনে থাকতে পারে? কেন নির্বাচনকে ঘিরে এমন ভয়ঙ্কর কৌশল নেওয়া হচ্ছে? এর পরিণতি কী হতে পারে? ঘটনা হল, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে একটা বড় অংশ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের সঙ্গে রয়েছেন। তবুও যেটা জানা যাচ্ছে, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এবং আশাপাশের সেনাছাউনি থেকে একটা বড় অংশ অন্য উদ্দেশ্য নিয়ে এগোচ্ছে। সেনাবাহিনীর পোশাক পড়ে একটা বিশেষ দলের রাজনৈতিক কর্মকর্তারা ময়দানে নেমে পড়বেন। আর তাঁরা নানা অভিযানের নামে সেনাবাহিনীর মতোই গ্রামে গ্রামে অভিযান চানাবে। মূলত আওয়ামী লীগ ও বিরোধী মনোভাবাপন্নদের গ্রেফতার করার উদ্দেশ্য এই অভিযান চালানো হবে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি, প্রত্যেকেই এই ব্যাপারে সরব হয়েছে। উল্লেখ্য, আগে থেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহল এবং কূটনৈতিক মহলের মতে একটা বড় অংশ সরব হয়েছেন। যেটা জানা যাচ্ছে, এই পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মতো পোশাক পড়ে একটা অংশ এবার বিরোধী অধ্যুষ্যিত এলাকায় যখন তখন আভিযান করতে পারে। কেউ কেউ দাবি করছেন, এ ধরণের অভিযান ইতিমধ্যেই চলছে। যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং বিএনপি কর্মীদের ধরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করে একটা পরিকল্পিত ভোটের ফল প্রকাশ করার পরিকল্পনা করছে ইউনূস সরকার। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান কি করছেন।












Discussion about this post