নির্বাচন দোরগড়ায়। এক সপ্তাহ বাকি হাতে নির্বাচন আসতে। এখনও মানুষের মনে প্রশ্ন আছে নির্বাচন আদৌ হবে কিনা। যদি নির্বাচন হয় তাহলে সেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে হবে তো? এই সব প্রশ্ন রাজনীতিতে ঘোরাফেরা করছে। কারণ বর্তমান সরকার সেনা অন্তর্গত সরকার। সেনা পরিচিত সরকারের সঙ্গে এর আগে আমরা পরিচিত হয়েছি। ২০০৭-,২০০৮ সালে পরিচিত হয়েছিলাম। আবার এই সেনার সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়েছে। এতদিন পরে এসে আরও এক সেনার সঙ্গে পরিচিত হয়েছি বাংলাদেশে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, যদি নির্বাচন না হয় তাহলে কিন্তু ক্যান্টনমেন্টই সেই নির্বাচন ভাঙার কারণ। সামনা সামনি হয়তো বোঝা যাবে কিন্তু নির্বাচন বাতিল করার পরিকল্পনা হয়ে যাবে। যদি বিদেশী শক্তি আসে তাহলে মাধ্যম থাকবে ক্যান্টনমেন্ট।
সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা মানুষের মন বুঝতে চেষ্টা করছে। বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা বলছে। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলছেন। বুধবার সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমরা সক্ষম বলে মন্তব্য করে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে সবাই আগ্রহী। নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ সবাই আগ্রহী। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিন বাহিনীর প্রধানদের গাজীপুর জেলা পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরও বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মাধ্যমে কিছু মানি ট্রানজেকশন হতে পারে। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু অপরাধী থাকতে পারে। সবাই এ ধরনের অপকর্ম করবে না। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যারা র্যাগিং এবং ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দেবে তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী অ্যাকশন নেবে। অপরাধ করলে যতটুকু আইনে রয়েছে ততটুকু শাস্তি পাবে। সভায় নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, দিনে-রাতে বিভিন্ন সময় অপারেশনের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আটক করা হচ্ছে। সবসময় যেন তারা ভয় ও আশঙ্কার মধ্যে থাকে সেই পরিবেশ অব্যাহত রাখতে হবে। আমাদের সবার উদ্দেশ্য একটাই- সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন। বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। সে উদ্দেশ্যে সাধারণ ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে হবে। যারা মাঠে মোতায়েন থাকবেন তাদের সবার দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে, কাউকে বসে থাকা যাবে না। ভোটের দিন আগে কিংবা পরে মব হলে সেনাবাহিনীর কী ভূমিকা থাকবে?—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোপূর্বে দেখেছি বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে, মবের ইনসিডেন্ট আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন এবং সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করণীয় তা করতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু কেন একথা বলেছেন…. রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছে, বাহিনীর মধ্যে একাধিকবার অশান্তিতে তাদের মধ্যে বিভেদ তৈরী হয়েছে। এক পক্ষ রয়েছে বিএনপির হয়ে অন্য পক্ষ রয়েছে আওয়ামী লীগের হয়ে। যাতে পরিস্থিতি আর অবনতির দিকে না যায় সেই কারণে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে সেনাপ্রধানের তরফে বলা হয়েছে, এখানে সেনাদের মেরুদ্ণ্ড সোজা রেখে কাজ করতে হবে। সেনা প্রধানের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান কারও পক্ষ নেবে না। নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। বাংলাদেশে একদিনে গণভোট এবং নির্বাচন দুটো সুষ্টু ভাবে হওয়া বাংলাদেশ সরকারের কাছে চ্যালেঞ্জ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post