দেশছাড়া শেখ হাসিনা । প্রয়াত খালেদা জিয়া । দেশের জনগণের মনে নৈরাজ্যের ক্ষত। তারেক রহমানের হাত ধরে BNP-র দুরন্ত কামব্যাক। ২৯৯ আসনের নির্বাচনে ২০০-রও বেশি আসনে এগিয়ে খালেদাপুত্র তারেক রহমানরা।তারেক রহমান দেশে ফিরেই বলেছিলেন, I HAVE A PLAN। কিন্তু কী PLAN সেটা তখন কেউ বুঝতে না পরালেও এখন সেটা জলের মত পরিস্কার। তারেক রহমান ১৭ বছর দেশে ফিরে বিএনপির দলের কাণ্ডারী হয়ে দাড়িয়েছিলেন। বিদেশে থেকেও তার এতদিন পর ফিরে আসায় কোনও রকম কিন্তু প্রভাব পড়েনি। দলের নেতা কর্মীরা তার কথা মতো কাজ চলেছে। তার দেখানো পথেই হেটেছে। নির্বাচনের আগে ডিজিটাল মাধ্যমে তিনি ব্যাপক প্রচার করেছেন। সাধারণ মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। যথেষ্ট সাড়া পেয়েছেন তিনি মানুষের পাশে দাড়িয়ে। খালেদা পুত্র খালেদা পুত্রর ক্ষমতার শীর্ষে বসা এখন সময়ের অপেক্ষা। জয়ের পর বিজয় মিছিল হওয়াটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। যেটা আমরা এপার বাংলাতে দেখি সেটা ওপার বাংলাতেও একই ছবি দেখাটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু তারেক রহমান বলেছেন, ভোটে জিতলে কোনরকম বিজয় মিছিল হবে না। মুখ থুবড়ে পড়ল জামাত-জোট। বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে জয়ী হয়েছে BNP । প্রায় দুই তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দু’দশক পর সরকারে গড়তে চলেছে BNP। ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬, দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন BNP চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনেক পিছিয়ে ছিল বিএনপির মূল প্রতিপক্ষ জামাত। জামাতের সহ্গে জোট বেধে লড়ে সেভাবে এগোতে পারেনি। হাসিনা সরকারের পতনের পর ইউনূসের জমানায় গত বছরে বহু পরিবর্তন হয়েছে। আওয়ামী লীগ তারা নির্বাচনে অঁশ নিতে পারেনি। নির্যাতন, মৌলবাদ, খুন একাধিক ঘটনার সাক্ষী ওপার বাংলা। পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। যা ভালো না উল্টে খারাপ হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষে সেটা খুব খারাপ। ভারতের বিরুদ্ধে একের পর এক মন্তব্য করেছেন মহম্মদ ইউনূস। বন্ধুত্ব বাড়েনি উল্টে কমেছে বন্ধুত্ব। শেখ হাসিনার পুত্র জয় বলেছেন, বিএনপি একটি বড় দল। তাদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করতে হবে। কথা বলতে হবে তাদের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, বিএনপি আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট বাঁধতে পারে। জোট বেধে শেখ হাসিনা ফিরলেও ফিরতে পারে। শনিবার ভোটে জয়ী হয়ে প্রথম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তারেক রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখবে এবং কারও প্রতি কোনও পক্ষপাতিত্ব করব না। দেশের স্বার্থই সবার আগে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা হবে। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি জোট বাঁধবে কিনা সেটা তো সময় বলবে। গত দেড় বছরে যে একাধিক ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে সেই বিষয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যেকোনও মূল্যে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনওরকম অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড আমরা বরদাস্ত করব না। দলমত, ধর্ম নির্বিশেষে কোনও অজুহাতেই দুর্বলের উপর সবলের আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আমাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য আইন সমান।” বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোণঠাসা অবস্থা থেকে একচেটিয়া জয়। তাই জয় নিঃসন্দেহে পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post