বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের পর কেটে গিয়েছে ছ টা মাস। শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি এখন দিল্লিতে রাষ্ট্র অতিথি হিসেবেই থাকছেন। ভারত স্বাধীনতার পর কোন বিদেশি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভারতে আশ্রয় নেয়নি, শেখ হাসিনার প্রথম যিনি ভারতের আশ্রয় রয়েছেন।
চীনের সঙ্গে রেষারেষি করে তিব্বতের দালাই লামাকে আশ্রয় দিয়েছে। এবং পশ্চিমী দুনিয়ার চীনের সঙ্গে রেষারেষি করেই তাকে বন্ধুত্বের অভিসংবাদিত নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছে। কিন্তু দালাই লামার ক্ষেত্রে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি এবং গণমাধ্যম গুলি এমন অবস্থান নাইনে যেটা শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে তারা সমর্থন জানিয়েছেন। সেখানে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই নেওয়া হয়নি, আরও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অর্থাৎ দিল্লির নিয়ামক দল কংগ্রেস বিজেপি এদের সমর্থনেও দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে। এছাড়া বিভিন্ন প্রদেশে যে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি রয়েছে তারা সম্মিলিতভাবে একটি বৈঠক করে, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া প্রশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত তারা গ্রহণ করেছে।
এই মুহূর্তে শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের দৃঢ় সম্পর্ক, এবং ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস এর সঙ্গে ভারতের অত্যন্ত খারাপ সম্পর্ক। এই সময়তেই ভারতের জন্য কেন বিপদজনক, কারণ ভারতীয় গণমাধ্যম যে প্রচার চালাচ্ছে বা প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে, এবং ইতিমধ্যেই তারা বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ভিসা বন্ধ রেখেছেন, সীমান্ত বন্ধ রেখেছেন, গাড়ির যন্ত্রাংশ রপ্তানি বন্ধ রেখেছেন। আর এখন বিভিন্ন ট্রাক এবং মোটর সাইকেলের কোম্পানিগুলি সবটাই ভারতের দখলে রয়েছে। তাই পুরো রপ্তানি ব্যবস্থা এখন বন্ধ করে রেখেছে ভারত। এছাড়াও ইলেকট্রনিক দ্রব্য এমনকি যেগুলি চায়না থেকে কোরিয়া থেকে আসছে সেগুলোও আমাদের হলদিয়া বা দিল্লি বন্দর হয়ে বাংলাদেশে রপ্তানি হত এক্ষেত্র ভারত হস্তক্ষেপ করেছে এবং সেই রপ্তানি ব্যবস্থা বন্ধ রেখেছে। শেখ হাসিনা কেউ তারা দেশে ফিরত দেবে না সে কথাও স্পষ্ট করেছে ভারত।
কিন্তু এখন রাজনৈতিক মহলে বা আন্তর্জাতিক মহলে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ের পাশাপাশি ও আলোচনা হচ্ছে বাংলাদেশের সমন্বয়করা ক দফা দাবি নিয়ে স্বরূপ হচ্ছেন, তারা গণভবন নিয়ে আর নতুন কি ষড়যন্ত্র করছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশকে কিভাবে জঙ্গির আখড়া করে তুলে পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কিভাবে বাংলাদেশ ভারতের মুখোমুখি হবে এই সকল বিষয় নিয়ে এখন আলোচনা হচ্ছে বাংলাদেশের সিনিয়র সেনাকর্তাদের মধ্যে। এই সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে প্রতিমুহূর্তেই বিভিন্ন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর তারা বক্তৃতা দিচ্ছেন। জানাচ্ছেন যে বাংলাদেশে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার পরিস্থিতিও তৈরি হয়ে গিয়েছে। তারা সদা তৎপর ভারতের মুখোমুখি হওয়ার জন্য। কিন্তু দেশের অর্থনীতি বনানীতে গিয়ে ঠেকেছে সেই দেশ যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে। এখন তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।












Discussion about this post