আওয়ামীলীগের আমলে শেখ মুজিব কে নিয়ে কোন বিতর্কিত মন্তব্য করলে, তার রেহাই ছিল না জেল যাত্রা ছিল নিশ্চিৎ।এখন পুরানো পত্র পত্রিকা ঘাঁটলে সেই সব খবরের ছড়াছড়ি। কত শিক্ষক এবং ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে গেছে শেখ মুজিবকে নিয়ে তির্যক মন্তব্য করার কারণে। ধানমন্ডি সড়কটি এখন যান চলাচলের জন্য উন্মক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ১৫ই আগস্ট যেটিকে সুরক্ষা বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল। যে অগস্ট মাস জুড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যার মাস হিসাবে ধরে নিয়ে সারা মাস জুড়ে শোক পালন হত। আজ সেখানে বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবের বাসভবন এক বিশাল ধ্বংস স্তুপে পরিনত হয়েছে। যাদুঘর হিসাবে যে বাসভবন সাজানো হয়েছিল, তার সামনে এখন আবর্জনার দুর্গন্ধ। আওয়ামীলীগ সরকারে থাকায় আগস্ট মাসকে যে ভাবে শোকের মাস হিসাবে পালন করা হত, তার কিছুই এখন আর নেই।আগস্ট মাস এবং বঙ্গবন্ধুর বাসভবন এখন বহন করছে আওয়ামীলীগ পতনের চিহ্ন। অনেক বিশেষজ্ঞরা এটা মনে করেন যে আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি দুটি দলই লাশের রাজনীতি করে। তারা তাদের পূর্বপুরুষদের রাজনৈতিক পণ্য হিসাবে ব্যবহার করেন। হাসিনা তার বাবাকে নিয়ে রাজনীতি করেছেন বলেই আজ শেখ মুজিব জীবিত না থাকা স্বত্বেও তার উপর মানুষের ক্ষোভ এত বেশী। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের পর অনেক দিন আলোচনায় ছিলেন না শেখ মুজিবর রহমান। ১৯৭১ সালে যার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে সেখানে সরকার গঠন এবং রাষ্ট্র প্রধান হওয়ার পর তার জনপ্রিয়তা কমতে থাকে। ৭২সাল থেকে শেখ মুজিব ক্ষমতার রাজনীতি শুরু করেন এবং তিনি একদিকে যেমন চাটুকারিতা পছন্দ করতেন, তেমনই সংবিধানকে এমনভাবে তৈরী করেন যে নির্বাচনের মাধ্যমে তাকে সরিয়ে অন্য কারও ক্ষমতায় আসার কোন ব্যবস্থায় তিনি রাখেন নি। ফলে তার পিছনে এমনকি সামনেও অনেকে এই নিয়ে সমালোচনা করেছেন। অনেকের মনে শেখ মুজিবকে নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তিনি যে দেশের নেতা ছিলেন তা মানছেন অনেকেই। তবে তাকে নিয়ে যে অত্যাধিক বাড়াবাড়ি হয়েছে সেই কারেনেই তার গুরুত্ব বাড়ার জায়গায় অনেকাংশে কমে গেছে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। তবে বিশেষজ্ঞরা এটাও স্থিকার করেন যে শেখ মুজিবের চিন্তা থেকেই বাংলাদেশের জন্ম। তার মাথাতেই আসে যে বাংলাদেশ একটি নতুন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করবে। আর হয়তো এই কারণেই দেশের অনেক নেতা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী থাকা স্বত্বেও বর্তমান রাজাকার সরকারের তার উপর ক্ষোভ বেশী। তবে দেশের এই বিপর্যয়ের কারণ হিসাবে তারা মনে করেন যে উস্কানি মুলক ভাষন এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। দলগুলির মধ্যে গঠন মুলক কিছুই নেই। আছে শুধু প্রতিহিংসা এবং বিরোধীতা। যার ফলে এই গুম খুন লাশের রাজনীতির বাড়বাড়ন্ত বেশী। অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশে ৭৫এর পর যে রাজনীতির চল শুরু হয়, তার প্রকোপ থেকে বাঁচতেই দেশের মানুষ আওয়ামীলীগকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। আর হাসিনার সময়ের রাজনীতিকে অনেক ভুল থাকার কারণেই আবার সেই আওয়ামীলীগেরও পতন ঘটে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post