বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবরই জাতীয় ঈদগাহ ঈদের নামাজ পড়েন।এবং বঙ্গভবনে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের কর্মসূচিও থাকে। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ঈদের বার্তাও দেন তিনি। কিন্তু এবার, ঈদের নামাজ পড়তে জাতীয় ঈদগাহের বদলে বঙ্গভবনে দেখা গেল সে দেশের রাষ্ট্রপতিকে সেইসঙ্গে তার কোনও ঈদের কর্মসূচিও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে কি আবার মোহাম্মদ ইউনুস রাষ্ট্রপতিকে এড়িয়ে চলছেন? উৎসবের আবহে আবারো কি তাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে?
কোভিড মহামারির সময় শুধু তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বঙ্গভবনে ঈদের নামাজ পড়েছিলেন। কারণ সেই সময় দুই বছর জাতীয় ঈদগাহে নামাজ হয়নি।এরপর কভিট মহামারী কিছুটা শিথিল হলে ২০২৩ সালে ঈদ জামাত জাতীয় ঈদগায় ফিরলে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি তাতে অংশ নেন। মো. শাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর পরের ঈদগুলোতে জাতীয় ঈদগাহেই ঈদের নামাজ পড়ে আসছিলেন।ঈদুল ফিতরের দিন নির্ধারণে ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানিয়ে ছিলেন যে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সোমবার ঈদের নামাজ পড়বেন বঙ্গভবনের মসজিদে।
কী কারণে তিনি জাতীয় ঈদগায় যাচ্ছেন না, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ধর্ম উপদেষ্টা। এদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস জাতীয় ঈদগায় নামাজ পড়বেন।ঈদের উৎসবে, প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বার্তা যেমন এসেছে। সেই সঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা, সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা, পরিবেশ উপদেষ্টার ঈদের শুভেচ্ছা বার্তার খবরও এসেছে।কিন্তু রাষ্ট্রপতির শাহাবুদ্দিনের কোনো ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা আসেনি। যদিওকেন রাষ্ট্রপতির কোন বার্তা আসেনি তা জানা যায়নি।
অথচ গত সপ্তাহে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষেও রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বার্তা সরবরাহ করা হয়েছিল তথ্য অধিদপ্তর থেকে।আবার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা গত বছরও ঈদুল ফিতরের আগের দিন রাষ্ট্রপতির বাণী প্রকাশ করেছিল, রাষ্ট্রপতির ঈদের দিনের কর্মসূচি নিয়েও প্রতিবেদন করেছিল। তার ঈদগাহে জামাতে অংশ নেওয়ার খবরও প্রকাশ করেছিল।এবার রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে তাদের কাছ থেকে কোনো খবরই পাওয়া যাচ্ছে না। কেন যাচ্ছে না, সেই বিষয়েও কোনো তথ্য জানা যায়নি।












Discussion about this post