সন্তান বিপদে পড়লে সে তো বাবার কাছে যাবেই এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যে সন্তানের জন্ম আটকাতে বাবার বড় ভূমিকা থাকে পরবর্তীতে সেই সন্তানের জন্মের পর যদি সেই সন্তান সেই বাবার কাছে ফিরতে চায় সেটা বড় অস্বাভাবিক বিষয়। কিছু বুঝতে পারলেন আসুন বুঝিয়ে বলি তাহলে। ১৯৭১ পূর্ব পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশের জন্ম এই পথটা কিন্তু শহর ছিল না বাংলাদেশের কাছে। যার জন্য বাংলাদেশের জাতির জনক তথা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের বন্দী কারাগারে বন্দিও থাকতে হয়। সেসব আজ ইতিহাস কিন্তু এই সময় ২০২৬ এ দাঁড়িয়ে যদি পুত্র অর্থাৎ বাংলাদেশকে সেই সময় জন্মের পিছনে যার সবথেকে বেশি সাহায্য ছিল সেই ভারতের বিরুদ্ধেই যেতে চাওয়া পুত্ররূপী বাংলাদেশ আবার সেই জন্মাতে না দেওয়া বাবা অর্থাৎ পাকিস্তানের পায়ে পড়ে তাহলে বিষয়টি অতীব জটিল হয়ে দাঁড়ায়। আর সে ঘটনাই ঘটিয়ে বসলো মুহাম্মদ ইউনূসের বাংলাদেশ। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের সেনা সদর দফতরে মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের বায়ুসেনাপ্রধান। তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক আগ্রহ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষার বিষয়ে কথা হয়েছে। বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ঘনিষ্ঠতা বেড়েই চলেছে। পাকিস্তানের চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্স তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করলেন বাংলাদেশের বায়ুসেনাপ্রধান হাসান মাহমুদ খান। সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন তিনি। এর আগে পাক বায়ুসেনাপ্রধানের সঙ্গে মাহমুদ বৈঠক করেছেন এবং চিনে তৈরি যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭ কেনার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এ বার মুনিরের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষার বিষয়ে তাঁর কথাবার্তা হল। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানানো হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে বোঝাই যাচ্ছে ভারতের বিরুদ্ধে ইউনুস কৌশলগতভাবে পাকিস্তানের চরণে পড়েছে। এবং পাকিস্তান থেকে JF-17 যুদ্ধবিমান আনছে বাংলাদেশে।বৃহস্পতিবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের সেনা সদর দফতরে মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের বায়ুসেনাপ্রধান। তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক আগ্রহ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষার বিষয়ে কথা হয়েছে। একে অপরকে সামরিক সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন তাঁরা। পেশাগত সহযোগিতা, প্রশিক্ষণের আদানপ্রদান এবং প্রতিরক্ষার সম্পর্ক জোরদার করার গুরুত্বকে স্বীকার করেছেন তাঁরা। এমনকি যৌথ উদ্যোগে অন্য দেশের ডিফেন্স সিস্টেম ও যুদ্ধের সময় কৌশলগতভাবে ঝাপাতে শিকার হয়েছে পাকিস্তান-বাংলাদেশ। তাদের যৌথ সিদ্ধান্তে আঞ্চলিক শান্তিরক্ষায় পাক সেনার অবদানকে কুর্নিশ জানিয়েছেন বাংলাদেশের বায়ু সেনাপ্রধান মাহমুদ। বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে পাকিস্তান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, জানিয়েছেন পাকিস্তানের মুনির। অন্যদিকে আবার পাকিস্তানের নৌসেনাপ্রধান নবীদ আশরাফের সঙ্গেও মাহমুদের পৃথক বৈঠক হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়। সমুদ্রপথে শান্তি বজায় রাখার জন্য পাক নৌসেনা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, মাহমুদকে জানিয়েছেন নবীদ। দুই দেশের সামরিক সম্পর্ককে জোরদার করার বার্তা দিয়েছেন ঢাকার প্রতিনিধি।
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন বাংলাদেশের ইউনূস সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ঘটনাবলি নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে। পাক বিদেশ দফতর থেকে সমাজমাধ্যমে এই ফোনালাপের কথা জানানো হয়। সম্প্রতি ঢাকা থেকে করাচি পর্যন্ত বিমান চলাচল নতুন করে শুরুর বিষয়ে চুক্তি হয়েছে। ২৯ জানুয়ারি ঢাকা থেকে করাচির উদ্দেশে প্রথম বিমানটি রওনা দেবে। এই রুটে আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে বিমান চালানোর জন্য ইসলামাবাদের অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।












Discussion about this post