চরম নৈরাজ্য বাংলাদেশে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভাঙ্গন প্রকাশ্যে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধানের হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে মৌলবাদী সংগঠন গুলি। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও তার দলকে।
সূত্র বলছে গত ৪ঠা মার্চ ঢাকায় পৌঁছে যায় ভারতের চারজন আধিকারিক এবং তারা সেখানে ছিলেন ৭ ই মার্চ পর্যন্ত। টিম ডোভালের এই চার আধিকারিক বিভিন্ন বিষয়ে তাদের কাজকর্ম সেরে নিয়েছেন।
যিনি বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদের কথা বলেন তাকে মৌলবাদীরা নিকেশ করবে এই তথ্য সামনে আসতেই অতি সক্রিয় অজিত ডোভালের দল। এ চার অফিসার সেখানে পৌঁছেই গোটা বিষয়টি অপারেট করেন যেমন কোথায় সেনাপ্রধান নামবেন কোন পথ দিয়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন এবং সেনাপ্রধান কে কোথায় রাখা হবে এই সমস্ত কিছুর একটি ছক কষে নেওয়া হয়েছিল এই ঢাকা সফরের মাধ্যমেই। এই ছকের মাধ্যমে এবং বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের নিজস্ব ইন্টেলিজেন্স ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুসারে গোটা পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত সম্ভব হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতেই আবার পাকপন্থী 12 জন সেনা সদস্যকে চিহ্নিত করে গৃহবন্দী করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান তিনি এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেনানিবাসে গৃহবন্দী রয়েছেন। ইকবাল করিম ভূঁইয়া তাকেও নজরবন্দি করা হয়েছে। কারণ তার নেতৃত্বেই গোটা বিষয়টি পরিচালনা হচ্ছিল বলেই মনে করছে দেশের একাংশ যার জেরে এই নজরবন্দী। সেই সঙ্গে রয়েছেন আইএসআই ঘনিষ্ঠ ও সম্প্রতি বহুবার পাকিস্তানের যাওয়া লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুর রহমান তাকে ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফয়জুর রহমান কেও নজরবন্দী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য মিরপুর ও সাভারের বাংলাদেশ সেনানিবাসের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছেন জেনারেল ওয়াকার উজ জ্জামান। এবং সম্প্রতি সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফর থেকে ফিরে তার ঘনিষ্ঠ আধিকারিকদের নিয়ে একটি বৈঠকে বসেছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান। আর এই নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কারণ যাতে সেখানে সেনা অভ্যুত্থান না ঘটতে পারে। দীর্ঘ দু’ঘণ্টার এই বৈঠকের পরেই গাজীপুরের অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি সঙ্গে পাকিস্তানের যে চুক্তি হয়েছিল সেটি স্থগিত করে দেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমস্ত ছুটি বাতিল করা হয়েছে, কারণ কারা কারা পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সেটি বোঝার জন্য বলেই জানা যাচ্ছে।
সূত্র বলছে, এ অবস্থায় রমজান মাসকে সামনে রেখে আইএসআই কর্তারা বাংলাদেশ ছাড়ছেন। একইসঙ্গে রাষ্ট্রসঙ্ঘের এক আধিকারিক এর সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে বক্তব্যকে সামনে রেখে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহীতার অভিযোগ আনার ছক কষে ছিল পাকপন্থী সেনা অধিকারীরা।
এই আবহে জানা যাচ্ছে গত ৭ই মার্চ সেনাপ্রধান কে গ্রেফতার করার ছক কোষে ছিল জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহারি ও তৌহিদী জনতা। জানা যায় এই কাজের জন্য মোহাম্মদ আতাউর রহমান ও মোহাম্মদ তামিম নামে দুই জঙ্গিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।












Discussion about this post