গভীর রাতে বাংলাদেশ থেকে পলাতক প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি! মুখ পুরলো বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোঃ ইউনুসের। এরপরই সরগরম বাংলাদেশের রাজনীতি। বুধবার গভীর রাতেই ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংকক রওনা দেন সেদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। জানা গেছে পুত্র এবং সড়ককে সঙ্গে নিয়ে ব্যাংকক পাড়ি দিয়েছেন শেখ হাসিনার খাস লোক আব্দুল হামিদ।
সূত্র বলছে নিয়ম অনুযায়ী থাইল্যান্ডে যেতে বাংলাদেশে নাগরিকদের ভিসা আবশ্যিক, কিন্তু কূটনৈতিক পদাধিকারীদের জন্য ভিসা প্রয়োজন হয় না। এমনকি কূটনৈতিক পাসপোর্ট থাকা কোন ব্যক্তি আগামী ৩০ দিন পর্যন্ত থাইল্যান্ড এ থাকার অনুমতি পায়। এরপরও অতিরিক্ত মেয়াদে থাকার জন্য ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করতে হয় ওই ব্যক্তিকে। কিন্তু এখন প্রশ্ন বাংলা দেশের ভূমিকা এই মুহূর্তে কি? তারা কি আব্দুল হামিদকে ফেরাতে পরবর্তী ৩০ দিন অপেক্ষা করবে? বিভিন্ন মহলে উটছে প্রশ্ন।
বাংলাদেশী বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করছে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে দেশে ফেরানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। আব্দুল হামি তো তার সহযোগী কিভাবে দেশ ছেড়ে ব্যাংককে পালিয়ে যেতে পারলেন তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে অন্তর্ভুক্তি সরকার ও তার উপদেষ্টা পরিষদ। এরপরে যথাযথ কর্তব্য পালন না করার অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে দুই পুলিশ কর্তা সহ আরো সহযোগী পদাধিকারী। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ পলাতক হওয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে কি বললেন তিনি শুনুন,,,
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের শেখ হাসিনার আমলে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ছিলেন হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। কলেজ জীবন থেকে ই তিনি আওয়ামী লীগ পন্থী। তার রাজনৈতিক জীবনে ১৯৭০ থেকে ২০০৯ সাতবারের সাংসদ তিনি। ২০০৯ সালে জাতীয় সংসদে স্পিকারের পদে আসীন হন তিনি। এরপরে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের ১৬তম রাষ্ট্রপতির পদে নিযুক্ত হন আব্দুল হামিদ। এরপর তামার ১০ বছর তিনি সে দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বছর জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতন হয়। জুলাই আন্দোলন কে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা দায়ের করা হয় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে। দেশ ছাড়া হন দলটির নেত্রী শেখ হাসিনা আর এবার পলাতক প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। তিনি দেশ ছাড়ার আগে কিশোরগঞ্জ থানা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির পলাতক হওয়ার বিষয়ে কিছুটা ইঙ্গিত দিয়ে ছিল। আগাম সর্তকতা পাওয়ার পরেও কেন নড়েচড়ে বসত না সরকার উঠছে নানা প্রশ্ন।












Discussion about this post