মাস পেরোলেই বাংলাদেশের অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন। তার আগেই দীর্ঘ ১৭ মাস পর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের সমর্থকদের নিয়ে ভারতে অনুষ্ঠিত হলো আওয়ামী লীগের বিশাল বৈঠক। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতের অবস্থানের 17 মাসের পর বাংলাদেশের নির্বাচনের প্রাক্কালে এই বৈঠক এক বিরাট ভূমিকা রাখে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে। আর এই বৈঠক শেষেই নেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে অবস্থিত বিশাল আওয়ামী লীগ সমর্থক ও নেতাকর্মীদের বিরাট বার্তা দিলেন আর তারপরেই ইউনুস ও তার উপদেষ্টা মহলের মাথায় হাত পড়ার উপক্রম। সর্ব দিক সমন্বয় মুজিব কন্যা ইউনূসের উলঙ্গ চিত্র মিষ্টি মুখের আড়ালে মৌলবাদী ইউনূসের মুখোশ খুলতে নেত্রী হাসিনার কড়া বার্তা।বাংলাদেশে বর্তমানে সংখ্যালঘুদের অবস্থান নিয়ে একাধিক বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। আওয়ামী লীগের বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ উঠেছে। ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা বলে মাহমুদদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ।গণবিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ১৭ মাস পর প্রথম বার ভারতে বসে সাংবাদিক বৈঠক করলেন তাঁর দল আওয়ামী লীগের নেতারা। দাবি, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন আয়োজন করতে অক্ষম। সেই কারণেই আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে লড়তে দেওয়া হচ্ছে না। হাসিনার দলের জনপ্রিয়তাকে ইউনূসেরা ভয় পাচ্ছেন, দাবি আওয়ামী লীগের।গত শনিবার আওয়ামী লীগের নেতা হাসান মাহমুদ এবং মোহিদুল হাসান চোধুরী নয়াদিল্লি থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী মাহমুদ বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাই। আমরা সব সময় নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছি। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি। কিন্তু এই প্রশাসন থাকলে আওয়ামী লীগ কখনওই ভাল কাজ করার সুযোগ পাবে না।’বাংলাদেশে বর্তমানে সংখ্যালঘুদের অবস্থান নিয়ে একাধিক বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত সরকার। আওয়ামী লীগের বৈঠকেও সেই প্রসঙ্গ উঠেছে। ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কথা বলে মাহমুদদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ। এমনকি তাঁরা দাবি করেন, আওয়ামী লীগের কর্মীদের হত্যার অভিযোগে অভিযুক্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে ইউনূসের নির্দেশে।২০২৪ সালে জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে বিক্ষোভের সময় প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছিল বলে দাবি করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন যা ইউনাইটেড নেশন্স হাই কমিশন ফর হিউম্যান রাইট্স -এর রিপোর্ট বলে পরিচিত। বৈঠকে ওই তথ্যের সমালোচনা করেন মাহমুদ এবং মহিবুল। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিভাগের প্রধান ভলকার টার্কের ভূমিকা নিয়ে সরব হন তাঁরা। মাহমুদের ক্ষোভ, তাঁর এবং মহিবুলের সঙ্গে কথা বলার পরেও, তাঁদের কোনও মতামত ওই রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।গত বছরের ৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ঢাকা ছেড়ে দিল্লিতে চলে এসেছিলেন হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই ‘অজ্ঞাতবাসে’ রয়েছেন তিনি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। ওই দিন একই সঙ্গে হবে জুলাই সনদ নিয়ে গণভোটও। গত ১২ ডিসেম্বর থেকেই মনোনয়ন জমা নেওয়া হয়েছে। চলেছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি হয়েছে মনোনয়ন পরীক্ষার কাজ। মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তগুলির বিরুদ্ধে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করেছেন বাদ পড়া প্রার্থীরা। ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে সেই আপিলগুলির যথার্থতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থিতালিকা প্রকাশ এবং নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করা হবে ২১ জানুয়ারি। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারের পালা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত।
বাংলাদেশে অবস্থিত বর্তমান পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলা ইউনূসের সন্ত্রাসী পোষ্যপুত্রদের লাগাম ছাড়া সন্ত্রাস ও সে দেশে অবস্থিত সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর আক্রমণ এবং নিজের ক্ষমতা দাখিল করার জন্য ক্যাঙ্গারু কোর্টে হাসিনার বিচার সমস্ত প্রসঙ্গ সামনে রেখেই নেত্রী হাসিনার কড়া বার্তা যে ভোটে আওয়ামী লীগ নেই সেই ভোটে কোন সমর্থন নেই অর্থাৎ বাংলাদেশের অবস্থিত অসংখ্য আওয়ামী লীগ সমর্থকের ভোট যদি বয়কট হয় আসন্ন বাংলাদেশ নির্বাচন যে ভারের মা ভবানী হয়ে দাঁড়াবে তা বলাই বাহুল্য। নির্বাচনী প্রাক্কালে হাসিনার এই বার্তা এবং ভারত থেকে আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রেস কনফারেন্স বাংলাদেশে অবস্থিত আওয়ামী লীগের অসংখ্য কর্মী সমর্থকদের মধ্যে পালে জোয়ারের হাওয়া লেগেছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post