বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলোনের ফলে কিছু মানুষ যেমন লাভবান হয়েছেন এটা জলের মত পরিস্কার।তেমন কিছু মানুষ যারা জুলাই আন্দোলোনে নিজেদের শ্রম মেধা দিয়ে প্রচুর পরিশ্রম করেও কোন পদও পাননি এবং আর্থিকভবে লাভবানও হননি। তাদের মধ্যে যে নামগুলি সবার আগে আসে আসে তারা হলেন পিনাকী ভট্টাচার্য এবং ইলিয়াস হোসেন।তাই তারা ইউনূস সাহেবকে এখন রাত দিন গালি দিচ্ছেন। তবে আন্দোলোন এবং তদরকি সরকার গঠনের ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলির কাছে বিশেষ করে আওয়ামীলীগ বিএনপির মত দলগুলির জন্য অনেক সুবিধা হয়েছে। এখন অনেকেই বলবেন আওয়ামীলীগের কি সুবিধা হল, সুবিধা ভোগ করছে তো জামাত এবং বিএনপি। কিন্তু একটু ভেবে দেখলে বোঝা যাবে এই সরকার গঠনের ফলে ভবিষ্যতে সবথেকে বেশী লাভবান হবে আওয়ামীলীগ। কারণ সাধারণ মানুষ এখন বুঝতে পারছে যে দেশ চালানো এক জন ব্যক্তির কাজ নয়। এখানে বহু দফতর এবং বহুমানুষের সহযোগ প্রয়োজন। তাই কোথাও কিছু ভুল হলেই হাসিনা দায়ী এটি আর বলা যাবে না। এখন তদারকী সরকারের মত একটি সরকার যারা মানুষের দ্বারা নির্বাচিত নয়, যাদের মনে চুরি করতে গিয়ে ভয় থাকা উচিৎ, যে একটি নির্বাচিত সরকার অন্যায় করার জন্য দেশের মানুষ যদি তাদের ছুঁড়ে ফেলে দিতে রাস্তায় নামতে পারে, তাহলে তাদের কি অবস্থা করবে। কিন্তু তদারকী সরকার সেই ভয় না পেয়ে ইচ্ছা মত চুরি চামারি করে যাচ্ছে। এবং এই কথা গুলি আমরা বলছি না। যারা এই সরকারের সমর্থক এবং প্রতিষ্ঠাতা তারাই উদাহরণ দিয়ে বলছে। এখন যদি কোন অনির্বাচিত সরকার দেশ চালাতে গিয়ে কয়েক মাসে এত চুরি চামারি করতে পারে তাহলে বহুদিন ধরে একটি দল সরকার চালালে সেখানে অনিয়ম হওয়া স্বাভাবিক। আর এই অনিয়ম থামাতে কঠোর নেতৃত্বের প্রয়োজন। আওয়ামীলীগ গত দশ বছর ধরে একই অনিয়ম ক্রমাগত করে আসছে সেটি হল টাকার বিনিময়ে ছোট খাট পদগুলিও বিক্র করে দেওয়া। আর যে সমস্ত অযোগ্য ব্যক্তিরা টাকা দিয়ে পদগুলি পেয়েছে তারা তো দূর্নীতি করেই টাকা উপার্জন করবে। এটিই স্বাভাবিক। শোনা যায় ছোট খাটো চেয়ারম্যান পদের জন্যও নাকি পাঁচ সাত কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। নেতৃত্বের উচিৎ ছিল তৃণমূল স্তরের সত্যিকারের আওয়ামীলীগ ভালোবাসে এবং দেশের উন্নতি করতে চায় এমন লোকদের গুরুত্ব পূর্ণ পদে বসানো। যেটি আওয়ামীলীগের প্রধান নেতৃত্ব করেনি। এবং টাকা নিয়ে অযোগ্য লোকেদের পদ দিয়ে দিয়েছে। ফলে নিচু স্তরের নেতা কর্মীরা যখন দেখছে যে তারা শুধু স্লোগান দিতেই দলে আছে, আর তাদের উপর ভর করে নেতাদের ছেলেমেয়েরাই নেতা মন্ত্রী হয়ে যাচ্ছে, তখন তো তারা দল থেকে সরে আসবেই। তাই এই অভ্যুত্থান থেকে যদি দল শিক্ষা নেয়, তাহলে আগামীদিনে দেশ সুরক্ষিত থাকবে আওয়ামীলীগের হাতেই। তবে তার জন্য লোভী অর্কমন্য লোকদের দল থেকে সরাতে হবে। এবংযারা দলের এই দুঃসময়ে দলের পাশে নেই, তাদের আগামী দিনে দলে যাতে ঠাঁই না হয় তা নিশ্চিৎ করা, আর এই কঠিন সময়ের সাথীদের যোগ্য পদ এবং খমতা দেওয়া।












Discussion about this post