আসলে কার সঙ্গে যুদ্ধ করবে বাংলাদেশ? কেন বলছি? তার কারণ সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, রণসজ্জায় সজ্জিত হচ্ছে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে বিশাল পরিসরে আধুনিক যুদ্ধবিমান এবং অ্যাটাক হেলিকপ্টার দিয়ে সাজানোর বহর দেখা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, জে ১০সি, ইউরো ফাইটার টাইফুন, জে এফ ১৭ এবং টি ১২৯ নিয়ে প্রবলভাবে আলোচনা চলছে। এগুলি সরকারের নীতিগত অনুমোদন এবং জি ২ জি চুক্তির পথে থাকতে পারে। এত এত বিপুল পরিমাণে যুদ্ধবিমান কেনার অর্থের জোগান কে দেবে? স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন যেমন উঠছে, একইভাবে প্রশ্ন উঠছে, এত যুদ্ধবিমান কেন? তবে কি যুদ্ধে জড়াচ্ছে বাংলাদেশ? কিন্তু কার সঙ্গে? প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটি উন্নতি হয়নি। ফলে সেই ইঙ্গিত যেমন দেখা যাচ্ছে, একইভাবে মনে করা হচ্ছে, তবে কি কোনওভাবে যুদ্ধের আভাস পাচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তীকালীন সরকার?
চিন থেকে ২০ টি ফাইটার জেট কেনার খবর প্রত্যেকেই জানে। কিন্তু বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নে যে যে বিমানগুলি যুক্ত হচ্ছে, সেগুলি অবাক করছে অনেককে। জানা যাচ্ছে, এবার ইউরো ফাইটার টাইফুন ও বিভিন্ন অ্যাটাক হেলিকপ্টার আসছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামরিক খাতে বিশেষ করে বিমান বাহিনীতে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সূত্র বলছে, চিন থেকে জে ১০ সি, ইতালি থেকে ১০টি ইউরো ফাইটার টাইফুন ও পাকিস্তান থেকে ১৬টি জে এফ ১৭ এবং তুরস্কের তৈরি ৬টি টি ১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার যোগ করা হবে বাংলাদেশে বিমান বাহিনীতে।
যা নীতিগত অনুমোদন এবং দুই দেশের সরকারের সঙ্গে চুক্তিপত্র চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইতালি ও তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করা হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের মধ্যেই এইসব ক্রয় চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চুক্তিতে যুদ্ধ বিমান কেনার পাশাপাশি থাকবে বিমানের সংরক্ষণ, পাইলট ও ক্রু প্রশিক্ষণ ইত্যাদি। ক্রয় প্রক্রিয়া জে টু জি বা গভর্নর টু গভর্নর পদ্ধতিতেই যাচাই, বাছাই করা হচ্ছে। চীনের সঙ্গে আগেই ২২০ কোটি ডলারের ২০ টি জে ১০ সি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। এইবার পাকিস্তানের থেকে ১৬ টি জে এফ ১৭ যুদ্ধবিমান কেনার জন্য আরও প্রায় ৭২০ বিলিয়ন ডলার খরচ ধরা হয়েছে। অন্যদিকে ন্যাটো স্ট্যান্ডারে ইউরো ফাইটার টাইফুনকে বিশ্বমানের ফাইটার জেট হিসাবে গণ্য করছেন বিদেশী সমরবিদরা। তারা বলছেন, টাইফুন ডবল ইঞ্জিনের লং রেঞ্জ। প্রচুর পরিমাণে সমরস্ত্র বহন করার ক্ষমতা রাখে। অন্যদিকে চীনের জে ১০ সি ৪.৫ প্রজন্মের তুলনামূলকভাবে ব্যয় সাশ্রয়ী।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তান ভারত বা চিন ভারত সীমান্তুলিতে চলমান উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন অত্যন্ত জরুরি। তাই আকাশ সক্ষমতা শক্তিশালী করাই সরকারের অগ্রাধিকার। তবে বিমান বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর যে পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তাতে যুদ্ধের আশঙ্কা করছে তারা? নাকি নিজে থেকে যুদ্ধ করবে বাংলাদেশ? এই প্রশ্নও উঠছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post