কি হচ্ছে বাংলাদেশে? দিন দিন যে সব ঘটনাগুলি ঘটছে তার একটির সঙ্গে কি আর একটির কোন যোগ সংযোগ আছে নাকি হঠাৎ করেই ঘটে যাচ্ছে। তবে যাই ঘটুক না কেন, সব ঘটনাই আওয়ামীলীগের জন্য সুখবর বয়ে আনছে। যে সরকারকে উৎখাৎ করার জন্য দেশের সাধারণ মানুষও পথে নেমেছিল, মাত্র এক বছরের মধ্যে সেই সব সাধারণ মানুষ যে আবার আওয়ামীলীগের পক্ষ্যে অবস্থান নিচ্ছে, তারা ভয় না পেয়েই বলছে হাসিনাই ভালো ছিল, সব পেশার মানুষ হাসিনাকে সমর্থন করছে, এবং বিরোধীরা পর্যন্ত বলছে যে এই অভ্যুত্থান হাসিনার বিরুদ্ধে শুধু মাত্র আমেরিকার প্রতিশোধ। পৃথিবীর ইতিহাসে এটি বিরল ঘটনা যে মাত্র একবছরের মধ্যে একটি দল আবার স্বমহিমায় ফিরে আসছে। কারণ গনঅভ্যুত্থানে উৎখাত হওয়া দল সাধারণত দশ থেকে পনের বছরেও ফিরে আসার স্বপ্ন দেখতে পারে না। সেখানে সরকারের রির্পোট বলছে ভোটে আওয়ামীলীগকে অংশ গ্রহণ করতে দিলে তারা বিপুল ভোটে জয়ী হবে।তার প্রধান কারণ হল এই সরকার দেশের মানুষকে শুধু মিথ্যে কথা বলে চলেছে, আর গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে, সেই মিথ্যে এবং গুজব দেশের মানুষ এখন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে। যেখানে একটি দলের চার পাঁচ লক্ষ্য নেতা কর্মী জেলের মধ্যে বন্দী, এবং বহু নেতা মন্ত্রী দেশ ছাড়া, সেই অবস্থাতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শুধু নয়, ঢাকাতেও আওয়ামীলীগের মিছিল এটা প্রমান করে যে তারা বাংলাদেশের এক মাত্র ভরসা যোগ্য দল, যারা দেশের স্বাধীনতাকে রক্ষায় শুধু নয়, দেশের সার্বোভৌমত্বকেও রক্ষা করবে, সে প্রাণের বিনিময়ে হলেও। এখন যে কোন মিছিলে দু-পাঁচ হাজার লোক দেখা যাচ্ছে, তবে আর সেই দিন বেশী দুরে নয়, যখন আওয়ামীলীগের মিছিলে এক লাখ থেকে দু লাখ লোক অংশ গ্রহণ করবে। আর পুলিশ বুঝে গেছে তাদের কে দিয়ে যা করানো হচ্ছে তা অন্যায়, একতো তাদের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের বিচার হয়নি, তাই তারাও আর আওয়মীলীগের মিছিলে কোন বল প্রয়োগে যাবে না। বিএনপির কিছু নেতা বলতে বাধ্য হচ্ছে যে আওয়ামীলীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে সেটি হবে আওয়ামীলীগের মতই নির্বাচন। যে নির্বাচনে দেশের একটি বিশাল সংখ্যক মানুষকে বঞ্চিত করা হবে। আবার সরকারের ভয় হল আওয়ামীলীগকে অংশ গ্রহণ করতে দিলে, আওয়ামীলীগ হয়ে যাবে নির্বাচিত আওয়ামীলীগ। তাহলে সরকার যে এত বিচার করল ভোটকে প্রভাবিত করা হয়েছে বলে সাবেক নির্বাচন কমিশনকে জেলে পাঠালো, সেগুলি তো সব মিথ্যে প্রমানিত হয়ে যাবে। কারণ এবার আওয়ামীলীগ আগের থেকে অনেক বেশি ভোট পেয়ে ক্ষমতায় ফিরবে।আর সেই ভয়েই ইউনূস নির্বাচন করাবে না। কারণ মানুষ আসল সত্যটি বুঝতে পারছে শুধু নয়। তারা এখন সেটি চোখের সামনে দেখতেও পারছে। কারণ হাসিনা আগেই বলে দিয়েছিলেন যে তার সরকার টিকবে না, কারণ তিনি আমেরিকাকে সামরিক ঘাঁটি বানাতে কোন জায়গা দেবেন না। তাই হয়েছে। হাসিনাকে সরিয়ে এখন আমেরিকার হাতের পুতুল সরকার দেশে আনা হয়েছে। তাই আমেরিকার সৈন্যরা লুকিয়ে বাংলাদেশে চলে আসছে। আর সেটি যখন গোপন থাকছে না, তখন তারা বলছে তারা যৌথ সামরিক মহড়ার জন্য বাংলাদেশে এসেছেন। কিন্তু তাদের সরকারী ওয়েবসাইটে তার আগাম কোন খবর দেওয়া নেই। দেশে অন্য দেশের সেনা থাকলে কি হয়, এবং কখন অন্য দেশের সেনা ইচ্ছা মত একটি অন্য দেশে থাকে তা নিশ্চয় বুঝিয়ে বলতে হবে না। এখন প্রশ্ন দেশকে কি দিয়েছে এই সরাকার, যে সাধারণ মানুষ এই সরকারের পক্ষ্যে থাকবে। দেশের মানুষকে গুজবের মধ্যে দিয়ে নিয়ে গেছে, যতরকমের মিথ্যে বলা যায় দেশেরে মানুষকে তাই বলা হয়েছে। মানে পাকিস্তানে যাদের হেড কোয়াটার সেই জামাত চাইছে ১৯৭১ এর বদলা নিতে। আর আমেরিকা চাইছে এশিয়াতে তাদের একটি সামরিক ঘাঁটি। কিন্তু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কি পাবে। বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলির জন্য একটি সামরিক মহড়ার স্থল। অথবা সিরিয়া লিবিয়া প্যালিস্তাইনের ছায়া।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post