নারদ, নারদ।
আওয়ামী লীগের ডাকা লকডাউন কর্মসূচি বানচাল করতে গিয়ে জামাইয়ের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির ঝগড়া শুরু হয়েছে। শ্বশুরবাড়ির তরফ থেকে জামাইবাবাজিকে রীতিমতো ধমক দিয়ে বলা হয়েছে, সে যেন এবার মুখে লাগাম পরায়। তাঁর ওই সব আনতাবড়ি কথার তুবড়ির জন্য তাঁদের বাড়িতে বোমা পড়েছে। শ্বশুরবাড়ির ধমক খেয়ে জামাই এখন ঠকঠক করে কাঁপছে। শুধু কি কাঁপা, গায়ে তাঁর ধুম জ্বর। মাথায় নাকি তিনি জলপট্টি দিচ্ছেন। সেই খবর আবার যমুনাভবনের বাসিন্দার কানেও পৌঁছে গিয়েছে। তিনিও নাকি এই খবর শুনে মাথা চাপড়াচ্ছেন আর বিড় বিড় করে বলছেন – ওমা তাই না কি? এখন কী হবে? কী করতে কী হল!
আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচির দিন প্রেস সচিব শফিকুল আমলের শ্বশুরবাড়িতে কে বা কারা বোমা মারে। আর সেই ঘটনায় জেরে প্রেস সচিবকে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা রীতিমতো ধমকেছে। শোনা যাচ্ছে শাঁসানিও দিয়েছে। কাটা কাটা কথায় শ্বশুরবাড়ির তরফ থেকে জামাই শফিকুলকে বলে দেওয়া হয়েছে আগামীদিনে সে যেন আবোলতাবোল কথা না বলে। গত ১৪ মাস ধরে তারা অনেক ঝামেলা তাদের সহ্য করতে হয়েছে। লোকে ছিঃছিঃ করছে। এনাফ ইজ এনাফ।
শুধু কি প্রেস সচিব চাপে পড়েছেন? যমুনাভবনের বাসিন্দা ড. ইউনূসও রীতিমতো চাপে। লকডাউন কর্মসূচি বানচাল করতে গিয়ে সরকারিস্তরে গুণ্ডাবাহিনী তৈরি করায় তাঁর বিপদ আরও বেড়ে গেল কয়েকগুন। একটি আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তাঁর কাছে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে বলে খবর। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, একটি রাজনৈতিক দলের ডাকা লকডাউন কর্মসূচি ভেস্তে দিতে তাঁর সরকারের এক উপদেষ্টা তৈরি করেছেন মিলিশিয়া বাহিনী। লকডাউনের দিন আওয়ামী লীগের কর্মীদের খুন করা জন্য ওই মিলিশিয়া বাহিনী তৈরি করা হয়। বাহিনীর সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল এ কে ৪৭ রাইফেল, স্নাইপার। এভাবে কোনও একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি বানচাল করা যায় না। সরকার কেন সব বুঝেও হাত গুটিয়ে বসেছিল? দিল্লির বিস্ফোরণকাণ্ডে বাংলাদেশ রীতিমতো চাপে। অসমর্থিত সূত্রের খবর, পাক জঙ্গিরা বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ওই সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। যদিও সাউথব্লক থেকে এখন সরকারিভাবে কোনও দেশের দিকে আঙুল তোলা হয়নি। জাতীয় তদন্ত সংস্থা, দিল্লি পুলিশ ব্যস্ত নমুনা সংগ্রহের কাজে। সেই চাপ আরও বাড়িয়ে দিল এই রিপোর্ট।
আরও চাঞ্চল্যকর খবর রয়েছে। তদারকি সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান গোপনে কাতার যান। সেখানে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-য়ের নয়জন কর্তার সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, তিনি কার্যত র-য়ের ওই নয় কর্তার সামনে হাতজোড় করে বলেন, তারা যেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না করেন। খলিলুর রহমান তাঁদের জানিয়েছেন, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর সরকারের দিন খুব ভালো যাচ্ছে না। এবার র তাদের বিরুদ্ধ কোনও পদক্ষেপ করলে সাড়ে সর্বনাশ।
বাংলাদেশের একটি দৈনিকের প্রতিবেদন অনুসারী, আগামী ১৯ নভেম্বর তিনি ভারতে আসছেন। ‘ভারত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের’ সম্মেলনে যোগ দেবেন খলিলুর রহমান। সরকারিভাবে সেটাই হবে বাংলাদেশের তদারকি সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার প্রথম ভারত সফর। তাঁকে দিল্লি আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের ‘জেমস বন্ড’।তিনি আসেন কি না, সেটা অবশ্য সময় বলবে। কারণ, বাংলাদেশের সেনাপ্রধানেরও ভারত আসার কথা ছিল। তিনি শেষ মুহূর্তে তাঁর সফর স্থগিত রাখেন।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post