বাংলাদেশ নৌবাহীনি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে, যে কারণে ভারত বাংলাদেশ যে কোন সময়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত রয়েছে। বাংলাদেশ নৌবাহীনির যে ঘোষনা, সেই বিষয়ে আসার আগে বলে নিই, বাংলাদেশ যে দেশে বিদেশে ভারতের চিকেন নেক নিয়ে নানারকম উস্কানি মূলক কথা বলে চলেছে, কখনও মহম্মদ ইউনূস আবার কখনও হাসনাত অথবা অন্যকোন জিহাদী এবং জামাতীরা। আর এই ভারত বিরোধীতাকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে ঘিরতে দেশের বিভিন্ন সীমান্তে চলছে সৈন্য মহড়া, যেখানে বাংলাদেশে পাকিস্তানি সেনার সঙ্গে ভারত বিরোধী জিহাদীরাও রয়েছে।
কিন্তু ভারতের চিকেন নেক কি ছেলের হাতের মোয়া? চাইলাম আর কিনে খেয়ে নিলাম। এই চিকেন নেক এখন ভারতের সবচেয়ে দুর্ভেদ্য জায়গা। যেখানে বর্তমান সময়ে প্রায় দেড় লাখের বেশী সৈন্য অবস্থান করছে, এবং এই চিকেন নেক সংলগ্ন এলাকায় ভারত এমন এক কোরের সেনাবাহীনিকে মোতায়েন করেছে, যা গত ৫৪ বছরে করেনি। যে কারণে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, তাহলে কি ভারতও অন্য কিছু ভাবছে? কেন এই বিশেষ ধরণের প্রশিক্ষিত সেনাকে ৫৪ বছর পরে ভারত চিকেন নেক এলাকায় ডিপ্লয় করল। এছাড়া সব ধরণের যুদ্ধ বিমান ড্রোন এবং এস ফোরহানড্রেড এয়ার ডিফেন্স সবই মোতায়েন করা হয়েছে। ভারত যে কতটা সাবধান এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত তা জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান। সেই সঙ্গে চিকেন নেকের আশে পাশে নতুন করে তিনটি সেনা ঘাঁটি তৈরী করা হয়েছে। বাংলাদেশের উদ্দেশ্য যদি ভারতের চিকেন নেক হয়, তাহলে ভারতেও যে বাংলাদেশে রংপুর এবং চট্টোগ্রাম নামের দুটি চিকেন নেকে হামলা করতে পারে তাও জানিয়ে দিয়েছে বর্তমান বিজেপি সরকারের অন্যতম মুখ হেমন্ত বিশ্বশর্মা। ফলে বাংলাদেশের দুটি মূল ভূখন্ড এবং দুটিই সবথেকে গূরুত্বপূর্ণ জায়গা, একটি কৃষি পন্য উৎপাদনের গূরুত্বপূর্ণ,আর একটি হল বাংলাদেশকে আর্থিক দিক থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য গূরুত্বপূর্ণ বন্দর চট্টোগ্রাম। ফলে ভারতের চিকেন নেকের দিকে নজর দিলে বাংলাদেশের দুটি চিকেন নেকও যে সুরক্ষিত থাকবে না তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার আসি কেন মনে হচ্ছে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ চাইছে।
পাকিস্তান এবং তুর্কির সাথে যোগ সাজেস করে বাংলাদেশ চাইছে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করতে। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধে যাওয়া সম্ভব কিনা, তাই নিয়ে যখন অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করছে, বিশেষ করে তারা যখন ভারতের কাছ থেকে তাদের খাদ্য পণ্যের জন্য কাতর আকুতি জানাচ্ছে। প্রথমে তারা পাকিস্তান থেকে চাল কেনার ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু একই চাল পাকিস্তান থেকে কেনার বদলে ভারত থেকে নিলে প্রতি ক্রয়ে তাদের ২০০ কোটি টাকার মত অর্থ শাশ্রয় হয়, ফলে তারা আগ বাড়িয়ে যুদ্ধে যাবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি ঘোষণা ভারত বাংলাদেশ যুদ্ধের সম্ভাবনা উস্কে দিচ্ছে। ঘটনা প্রবাহ দেখে মনে হচ্ছে ঢাকা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। বাংলাদেশ নৌবাহীনি তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে, যেখানে বলা হচ্ছে যে ২০২৫ সালের ২৯ এবং ৩০শে ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরের একটি বিশেষ এলাকায় ভারী গোলাবর্ষনের কার্যক্রম চালানো হবে।আর এই সময়ে ঐ এলাকায় সব ধরণের জলযান চলাচল থেকে সকলকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আর এর ফলেই অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ কি তাহলে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষনা করতে চলেছে। বিভিন্ন সময়ে ভারতও নোটাম জারি করেছে। একটি সার্বৌভৌম রাষ্ট্র তাদের সার্বৌভৌমত্ব রক্ষায় এধরনের কাজ করতে পারে কিন্তু বাংলাদেশ যেভাবে ভারতকে বার বার যু্দ্ধের প্ররোচনা দেওয়ার চেষ্টা করছে তাতে একটা স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলে। এছাড়া সেদেশে শেখ হাসিনার মৃত্যু দন্ড ঘোষনার পরই তারা ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়েছিল, যদিও ভারত তার উত্তর দিতে দেরী করেনি। বাংলাদেশ জানতই যে ভারত কখনই শেখ হাসিনাকে তাদের হাতে তুলে দেবে না। ইউনূসের মূল উদ্দেশ্য হল দেশে অরজাকতা বজায় রাখতে, এবং ভোট না করিয়ে বকলমে জামাতের ইশারাতেই সরকার চালাতে, যাতে ভারতের সঙ্গে একটি যুদ্ধ করা যায়।












Discussion about this post