সাম্প্রতিক সময়ে চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরীর পর বিপদে অন্তর্বর্তীসরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। যেসমস্ত অস্ত্র চিনের থেকে বাংলাদেশ কিনেছে তা প্রত্যেকটাই একেকরকম ত্রুটি রয়েছে। এক কথায় বলা যেতে পারে- এত টাকা যে অস্ত্র কেনা হয়েছে তা হল খারাপের পর্যায়। সেগুলির কোয়ালিটি একেবারেই নিম্নমানের। অর্থাৎ যে গোলাবারুদ কেনা হয়েছে সেগুলো যখন ব্যবাহর হবে সেই কোয়ালিটি অত্যন্ত খারাপ। অর্থাৎ এই খারাপ গোলাবারুদ যখন শত্রুপক্ষের কাছে গিয়ে পড়বে সেটা ক্ষতি করতে পারবে না শত্রুপক্ষকে। বাংলাদেশের সেনা কর্তাদের তরফ থেকে একথা বলা হয়েছে। ওয়াকারুজাম্মান তিনি বলেন, ইউনূসের কথায় গোলাবারুদ কেনা। অস্ত্র দেখে বাইরে মনে হয়েছে, এগুলো খুব তরতাজা। গোলাবারুদের সব কিছু ই কোনো আপডেটেড ভার্সান নয়, অনেক পুরনো। এই গোলাবারুদ নিয়ে যুদ্ধ করা একেবারেই অসম্ভব। সেনাকর্তারা অস্ত্র কেনার পর থেকে বলছেন তারা কী ব্যবস্থা নিলেন? তারা কী যুদ্ধের অস্ত্র কিনলেন সেগুলো কোনও টাই কার্যকর হবে না। শত্রুকে শেষই করতে পারবে না। বাংলাদেশের অনেকটা বড় ক্ষতি। বিপাকে মহম্মদ ইউনূস। অর্থাৎ ইউনূসকে দিয়ে কোনও কাজ হচ্ছে না। ১৫ মাসের বেশী সময় ধরে তিনি ক্ষমতায় রয়েছেন। দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে মুহাম্মদ ইউনূস ব্যর্থ। দেশের জনগণ বলছেন মুহাম্মদ ইউনূস তিনি কোনও কাজ করছেন না। জনগণের কথা ভাবছেন না। জনগণই সব। শেখ হাসিনা বা খালেদা জিয়ার মত প্রধানমন্ত্রী নন ইউনূস। ছাড় পেলেন না ইউনূস বাংলাদেশের সেনাকর্তাদের সমালোচনার হাত থেকেও। কারণ ইউনূসের নেতৃত্বে চিনের থেকে যুদ্ধাস্ত্র কিনেছিল বামলাদেশ। ইউনূস চিনকে খুব ভরসা করে সেই কারণে চিনের কাছে থেকে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধাস্ত্র কিনেছিল। চিনের সফর করতে গিয়েছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস। চিনের তরফ থেকে বলা হয়েছিল, চিন বাংলাদেশে অনেক invest করবে। কিন্তু এবার কী দেখাগেল? দেখা গেল বাংলাদেশ চিনের কাছে থেকে ট্যাঙ্ক কিনলেন। কারণ যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে শক্তপোক্ত বাংলাদেশ হবে। অবশ্যই দেশকে সুরক্ষা রাখতে সবরকম দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাবে সেটাই তো স্বাভাবিক। যা যুদ্ধাস্ত্র কেনা হয়েছে সেটা প্রচুর টাকার ক্ষতি। কারী কারী টাকার লোকসান বাংলাদেশের। যেসব যুদ্ধাস্ত্রগুলো কিনেছিল সেগুল হল, T-59 DURJOY, T-69-IIG, MBT-2000, VT-5 নামগুলো সহজ হলেও দেখতে কিন্তু ভারী। আর সেগুলোর কাজ কিন্তু জিরো। দেশ কিন্তু বড় ধাক্কার সম্মুখীন হল এইসব অর্থ কিনে। আর্থিক দিক থেকেও অনেকটা সমস্যায় পড়তে হবে বাংলাদেশকে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের মোট বাজেটের একটা বিরাট অংশই ঋণ পরিশোধ করতে বেরিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজেট ব্যয়ই হচ্ছে ঋণ পরিশোধ খাতে। বাংলাদেশের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৩৯ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় ৩৪ শতাংশ ছিল। ওই প্রতিবেদনেই দাবি, সাম্প্রতিক এক সেমিনারে, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, বেতন এবং পেনশনের পরে বাংলাদেশের রাজস্ব বাজেটে কৃষি এবং শিক্ষা দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যয় ছিল, কিন্তু এখন আর তা নেই ! তাহলেই বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোচ্ছে।












Discussion about this post