।ইউনূস চাচা খেলোয়াড় ভালো, তিনি সব সময় এক ঢিলে দুই পাখী মারেন।দূরদৃষ্টি আছে বলেই না- কোন ভোটে না জিতেই দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেলেন, আবার নিজের ব্যবসার কর মুকুব করে, নতুন নতুন ব্যবসার ব্যবস্থা করে ফুলে ফেঁপে উঠলেন। তবে ইউনূস সাহেবকে চাচা বললে আবার অনেক দর্শক আছেন তারা রেগে যান। বলেন আমরা সবাইকে ঠিক ঠাক করে সম্মান দেখাই না। কারা রেগে যান আমরা জানি, যেহেতু তারাও আমাদের দর্শক, তাই তাদের মতামতকে আমরা ভীষন সম্মান করি, এবং তার জন্য দুঃখ প্রকাশও করছি । কিন্তু কারণ থাকলে শুধু আমরাই নই, আপনাদের নতুন পীর পিনাকী বাবুও আপনাদের প্রিয় মানুষদের কিরকম সম্মান করেনে শুনে দেখুন একবার, তারপর আমাদের দোষ দেবেন। হ্যাঁ এবার যা বলতে চাইছিলাম যে ইউনূস সাহেব কিভাবে এক ঢিলে দুই পাখী মারলেন।ইউনূস সাহেবের প্রথম থেকেই লক্ষ্য ছিল যে তিনি এবং তার সহযোগী উপদেষ্টারা যাতে কোন অসম্মান অপমান ছাড়াই নিউইর্য়ক সফরটি সারতে পারেন, তার জন্য একটি ব্যবস্থা করা, এবং সেই ব্যবস্থাটি এমন হবে যাতে এক ঢিলে দুই পাখী মরে। তাই শেষ মহুর্তে তার সঙ্গে বিএনপি জামাত এবং এনসিপির নেতাদের প্ল্যেনে উঠিয়ে নেন কোন অফিসিয়াল ভিসার ব্যবস্থা না করেই। তাদের ভিসাটিও এমন ভাবে করা হয়েছিল যে যাতে তারা কোন ভিআইপি প্রটোকল না পান। কিন্তু তিনি তার উপদেষ্টারা মানে লামিয়া মুরসেদ, আসিফ নজরুলদের জন্য ভিআইপি প্রটোকলের ব্যবস্থাটি পাকা করে রেখেছিলেন।শুধু তাই নয়, বিএনপি জামাত এবং এনসিপির নেতারা কোন গেট দিয়ে বেরোবেন সেই খবরটিও আওয়ামীলীগের কর্মিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল, যাতে তারা তাদের আক্রোশ এই নেতাদের উপর মেটাতে পারেন। আর তিনি দিব্যি তার উপদেষ্টাদের নিয়ে অন্য গেট দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন। তিনি আশা করেছিলেন যে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মিরা এতটাই ক্ষেপে আছে যে তারা কাউকেই ছাড়বে না। মানে মির্জা ফকরুল সাহেবও তাদের আক্রমনের মুখে পড়বেন। ফলে বিএনপি তাদের সিনিয়র নেতাকে অপমানের কারণে, আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করবে। যেহেতু বিএনপি বার বার বলে আসছে তারা আওয়ামীলীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে আছে, মির্জা ফকরুলের উপর আক্রমন হলে, সেই মতটি বদলে যাবে। তিনি এনসিপিকে খুশি করতে পারবেন। কিন্তু আওয়ামীলীগ শুধু মির্জা ফকরুলকে অসম্মান করা তো দুর। তাসনিম জারাকে পর্যন্ত দু-একটি কটু কথা বলা ছাড়া কোন শারীরিক নির্যাতন করেনি। এমনকি কোন কোন কর্মীতো আবার অন্যদের অনুরোধ করছে যে আপুকে ছাড় আখতারকে ধর। আর এখানেই প্রশ্ন হল শুধু আখতার কেন ডিম খেল।আর এই ঘটনার ফলে এখন ঘরের ঝামেলা বাইরে চলে এসেছে। এনসিপি বলছে আওয়ামীলীগের সঙ্গে বিএনপির গোপন আতাঁত আছে তাই বিএনপির উপর কোন আক্রমন হয়নি।জামাতের কর্মীরা কেন শুধু তাহের সাহেবকে বাঁচালেন আখতারকে কেন বাঁচালেন না। এনসিপির তরফ থেকে সরকারকেও প্রশ্ন করা হয়, কেন আখতাররা ভিভিআইপি সুবিধা পেলেন না। এনসিপির এই ধরনের কথা শুনে মনে হচ্ছে ঐ বিমান বন্দরটি এনসিপির মামা বাড়ী। যেমন বাংলাদেশটি এখন এনসিপির মামা বাড়ী, সেই রকম আরকি। কিন্তু এদের অফিসিয়াল ভিসিট ছাড়া আর অন্য কোন ভিসা না থাকা স্বত্বেও কেন প্লেনে ওঠানো হল তার কোন বাক্ষ্যা সরকার দেয়নি। কারণ সরকার এদের ব্যবহারই করেছে টোপ হিসাবে, আর এখানেই প্রশ্ন লামিয়া মুরসেদ আসিফ নজরুলদের কি করে অফিসিয়াল ভিসা হল, আর জামাত বিএনপি এনসিপির কেন সাধারণ ভিসা হল। তাহলে কি জামাতের তাহের সাহেব বিএনপির মির্জা ফকরুল সাহেব মহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিজনেস ক্লাসে ওঠার জন্য উতলা হয়ে উঠেছিলেন তাদের সুরক্ষার কথা না ভেবেই। নাকি সবটাই ইউনূসি প্ল্যান। যে যদি আওয়ামীলীগে কে ফাঁসানো না যায়, তাহলে এদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলাতো লাগিয়ে দেওয়া যাবে। অনেকে বলেবেন জামাত বিএনপি এবং এনসিপির মধ্যে ঝামেলা বাঁধিয়ে ইউনূসের কি লাভ। ইউনূসের লাভ হল এই তিন দলের মধ্যে যত বিরোধ থাকবে ততই বাংলাদেশের গদিতে তার প্রভাব বোজায় থাকবে।












Discussion about this post