অনেক জল্পনার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকায় নতুন বাংলাদেশ সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে এবং প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরে আসে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
শপথগ্রহণের পরপরই ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালীন সময় বিড়লা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তার দায়িত্ব গ্রহণের জন্য উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং ভারত সরকারের শুভকামনা জানান। তিনি তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অভিনন্দনপত্রও উপহার দেন। এই চিঠিটি দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক এবং সহযোগিতার চেতনাকে তুলে ধরে। চিঠিতে তারেক রহমানকে জয়ের অভিনন্দনের পাশাপাশি, স্বপরিবারে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি।সাক্ষাৎকালে, ওম বিড়লা তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণও জানিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সফর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করবে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তথ্য ভাগ করে নিয়ে বিড়লা লিখেছেন যে, তিনি নতুন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে আনন্দিত। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণের জন্য ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তারা সহযোগিতার একটি জনকেন্দ্রিক এজেন্ডা নিয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যার মধ্যে বাণিজ্য, নিরাপত্তা, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে, এমন সময়েই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হর। বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহও বৈঠক সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন যে, উভয় পক্ষ জনগণের কল্যাণের জন্য একসাথে কাজ করার আশা প্রকাশ করেছে। এই ঘটনা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন সূচনা চিহ্নিত করে। অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ভৌগোলিক নৈকট্যের কারণে দুই দেশ আগে থেকেই মজবুত সম্পর্ক রয়েছে। নতুন সরকার সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, জলসম্পদ, বাণিজ্য ভারসাম্য এবং সন্ত্রাসবাদ দমন প্রচেষ্টা সহ সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।সাক্ষাৎ শেষে ওম বিড়লা জানান, দুই প্রতিবেশী দেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্ব আরও গভীর করার বিষয়ে ভারতের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রিও এই সফরে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ বিমানবন্দরে তাঁদের স্বাগত জানানোর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ইউনূস আমলে ভারত বাংলাদেশের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিংহাসনে আসার সাথে সাথেই ভারতের তৎপরতা এবং বাংলাদেশের নতুন সরকার অর্থাৎ বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও যেভাবে ভারতকে গ্রহণ করেছেন স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যাচ্ছে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতি ঘটতে চলেছে এবং ইউনূসের মতন কুচক্রকারী উপদেষ্টারা একে একে বাংলাদেশ ত্যাগ করছেন গোপনে এখন দেখার বিষয় ভবিষ্যৎ কোন দিকে নিয়ে যায়।












Discussion about this post