ফের বৈঠকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস এবং বিএনপি। যমুনাতে এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। তবে হঠাৎ কেন এই বৈঠক? কি কি আলোচনা হতে পারে বৈঠকে? নির্বাচন ইস্যুতে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত? নাকি সমঝোতায় না এলে
ইউনূসের পদত্যাগ নাকি সেনা শাসন? বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্নগুলি ঘোরা ফেরা করছে। ঠিক তখন জানা যাচ্ছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মোহম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জাপানে থাকাকালীনই টেলিফোনে প্রায় আধ ঘন্টা কথা বলেছেন। আদতে কি কথা হলো?
সম্প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির সঙ্গে বর্তমান সরকারের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। জাপানে থেকে মোহম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, বাংলাদেশে একটি মাত্র রাজনৈতিক দল ডিসেম্বরে নির্বাচন চাইছে। অর্থাৎ ইউনুস যে বিএনপিকেই নিশানা করেছে, সেটা পরিষ্কার। বিষয়টি নিয়ে বিএনপি সোচ্চার হয়েছে। প্রতিবাদ করছে। আর সেই পরিস্থিতিতে যমুনাতে বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক। অনেকে বলছেন, হয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে, আর সেটা না হলে, নির্বাচনের সমঝোতায় না গেলে পদত্যাগের পথে যেতে পারেন ইউনুস। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে কি বিএনপি রাজি করাতে না পারলে সত্যি সত্যিই পদত্যাগ করে চলে যাবেন ইউনুস,? আরও একটি বিষয় হতে পারে, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। যেহেতু সরকার বলছে জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে, তাই চাপে পড়লেও নিজের কথাতে অনড় থাকার জন্য ১লা জানুয়ারিতে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন? অর্থাৎ এক্ষেত্রে জেদ বজায় রাখারও বিষয় ঘটতে পারে। মোট কথা হল, হয় বিএনপি জিতবে আর না হয় সরকার জিতবে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশে। এদিকে সেনাবাহিনীকেও আস্থায় নিতে পারেনি সরকার, তখন বিএনপিকে আস্থায় নিতে না পারলে তাদের দায়িত্ব পালন করাটা কঠিন হবে। অর্থাৎ সেনা শাসনের যে খবর, সেটাও অস্বাভাবিক না হতে পারে। এটাই বাস্তবতা। অন্যদিকে আরও একটি বিষয় উঠে আসছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইউনূসের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তবে বিষয়টি কতটা সত্যি সেটা জানা যাচ্ছে না। তবে এটা বলা হচ্ছে, বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে যেতে ভয় পাচ্ছে। তারা আন্দোলন করতে ভয় পাচ্ছে। আদতে আন্দোলন করে দেশের সরকারের বদল আনতে পারবে কিনা সেটা প্রশ্নাতীত।












Discussion about this post