ফের খবরে শিরোনামে এসেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তাকে নাকি সরিয়ে ফেলা হতে পারে। তবে এটা গুঞ্জন নয়। স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে, বিদেশের মাটিতে থাকা বাংলাদেশের অফিসগুলোতে রাষ্ট্রপতির ছবি সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৌখিকভাবে এই নির্দেশ গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, কেন লিখিতভাবে জানিয়ে সরানো হল না? কেন মৌখিকভাবে করা হল? এর পিছনে কি অন্য কোনও কারণ রয়েছে?
জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেই বিদেশের মাটিতে থাকা বাংলাদেশের বিভিন্ন দপ্তরে নির্দেশ গিয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির ছবি নামিয়ে ফেলতে হবে। কিন্তু কেন কোনও ইমেল বা চিঠির মাধ্যমে এই নির্দেশনা পাঠানো হল না? কেন এই নির্দেশ মৌখিকভাবে হল? আর কে দিলেন এই নির্দেশনা? এই মুহূর্তে খবর, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাহলে এটা স্পষ্ট, তিনি এই নির্দেশনা দেননি। নাম উঠে আসছে খলিলুর রহমানের। তিনি কি এটি করেছেন? নাকি এই গণঅভ্যুত্থানের মাস্টার মাইন্ড ইউনূসের অত্যন্ত স্নেহধন্য উপদেষ্টা করেছেন? অর্থাৎ মাহফুজ আলমের নাম উঠে আসছে সন্দেহের তালিকায়। কিছুদিন আগেই আসিফ মোহাম্মদ সাজিব ভূঁইয়া বলেছিলেন, সরকার গঠন হওয়ার আগেই কে কোন উপদেষ্টা পদে যোগ দেবেন, পুরোটাই পরিকল্পনা করেছিলেন মাহফুজ আলম। ফলে ধরেই নেওয়া যায়, এই উপদেষ্টা পরিষদের সব থেকে শক্তিধর উপদেষ্টা হলেন মাহফুজ আলাম।
তবে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সরকারের তরফে এটা অস্বীকার করা হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখোমুখি হয়েছিলেন রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, এই ধরনের আলাপ উপদেষ্টা পরিষদের হয়নি। এমনকি তিনি নিজেও কিছু জানেন না বলে জানান। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, অথচ উপদেষ্টারা জানেন না। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানেই প্রমাণ করে, যে সরকারের ভিতর আরেকটি সরকার রয়েছে। তবে সেই সরকারটা আসলে কে?
অন্যদিকে জানা যাচ্ছে, রাষ্ট্রপতিকে একরকম গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে। তিনি কোনও অনুষ্ঠানে যেতে পারছেন না। তাকে বঙ্গভবনের মধ্যেই থাকতে হচ্ছে। তবে রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কোনও পথ খোলা নেই এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে। ফলে কোন উপায়ে তারা রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করাতে চায়? এটাই সব থেকে বড় প্রশ্ন! যদিও নিজে থেকে যদি পদত্যাগ পত্রে সই করেন রাষ্ট্রপতি, তাহলে তাকে সরানো সম্ভব।












Discussion about this post