একুশের জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশ থেকে প্রতিবেশী দেশের পাশে থাকার কথা বলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন বাংলাদেশে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের জেরা উত্তাল হয়েছে পরিস্থিতি। তাই ওখান থেকে ভারতের নাগরিকরা ফিরে আসছেন। বাংলার মানুষজন যাঁরা ওখানে ছিলেন তাঁরাও ফিরে আসছেন। এই বিষয়ে সবরকম সাহায্য করা হবে বলে জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে বলেছিলেন, প্রতিবেশী দেশের মানুষজন যদি আশ্রয় চান এবং তার জন্য দরজায় কড়া নাড়েন তাহলে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। এবার এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠালেন।
রাজভবন মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য নিয়ে আপত্তি তুলে সংবিধানের ১৬৭ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা বলে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর ওই মন্তব্যের জন্য রিপোর্ট তলব করেছেন। রাজভবনের এক্স পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘‘সংবিধানের ১৬৭ নম্বর ধারায় দেওয়া ক্ষমতার ভিত্তিতে রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন মাননীয় রাজ্যপাল।’’ অর্থাৎ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস সরাসরি নিজে এই বিতর্কে এখনও প্রকাশ্যে নিজেকে জড়াতে চাইছেন না। রাজ্যপালের সেই পোষ্টের মতে, বিদেশ সংক্রান্ত সমস্ত ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের আছে।
আরও বলা হয়েছে, ভিন্ন দেশ থেকে আসা লোকেদের আশ্রয় দেওয়ার দায়িত্ব নেওয়া নিয়ে একজন মুখ্যমন্ত্রীর প্রকাশ্য বিবৃতি অত্যন্ত গুরুতর। এটি সাংবিধানিক উলঙ্ঘনের সমান। ভারতের পার্শ্ববর্তী দেশগুলির প্রয়োজনে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া দেশের নীতি। তাছাড়া প্রকৃত ভুক্তভোগীদের আশ্রয় দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের সাংবিধানিক বিশেষ অধিকার।












Discussion about this post