এনসিপি নেত্রী তাসনিম জারার একটি গোপন মিটিং এর খবর এসেছে নর্থ ইস্ট নিউজে। অনেকেই মনে করছেন, গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকার কারণে যে গল্পটি কক্সবাজারে সম্পূর্ণ হয়নি, সেটি কি নেপালে সফল করতে পারলেন তাসনিম জারা।এই রসহ্যটি বেশী করে দানা বাঁধছে এই কারণে যে এই খবর প্রকাশের পর পরই, বাংলাদেশ থেকে নর্থ ইস্ট নিউজের পোর্টালটি দেখা যাচ্ছে না সম্ভবত এটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ঐ নিউজে দাবী করা হয়েছে তাসনিম জারা গত ১৭ই আগস্ট কাঠমান্ডু যান। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের ব্যুরো অফিসের সিনিয়র কর্মকর্তা এরিক মেয়রের সঙ্গে বৈঠক করেন যিনি দক্ষিন এবং মধ্য এশিয়ার বিশেষ করে বাংলাদেশ পাকিস্তান নেপাল এবং ভারতের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত। বাংলাদেশের কবি চিন্তুক ফরহাদ মাজার বলেন, ৫ই আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর, দেশের ক্ষমতা গেছে যমুনাতে, আর যমুনা পরিচালিত হয় মার্কিন দুতাবাসের দ্বারা। আর বরাবরই বাংলাদেশে ভোট আসলে, মার্কিন দুতাবাসের তৎপরতা বেড়ে যায়।যারা তাদের কথা মত চলবে তারাই থাকবে ক্ষমতায়, অন্যথায় কি হয়, হাসিনার সরকরাই তো তার বড় উদাহরণ ।বাংলাদেশের একটি নিরপত্তা সূত্রের বরাদ দিয়ে নর্থ ইস্ট নিউজে বলা হয়েছে তাসনিম জারার নেপাল সফরটি অত্যন্ত গোপনিয়, এবং মার্কন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও এই বিষয়টিকে গোপন রাখার কথা বলা হয়েছে। তবে তাসনিম জারা যে ফ্লাইটে কাঠমান্ডু গেছেন তার বিস্তারিত দিয়ে খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে। ঐ খবরে আরো বলা হয়েছে যে তার সহযাত্রী ছিলেন আরো দু-জন।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং পার্বত্য চট্টোগ্রামের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদেষ্টা সুপ্রদ্বীপ চাকমা। তবে নর্থ ইস্ট খবের জারার সাথে এদের সম্পর্কের কোন উল্লেখ নেই। তারা অন্য কাজে গিয়েছেন আর তাসনিম জারা অন্য কাজে গিয়েছেন। অনুমান করা যায় তাসনিম জারার কাজটি হল কক্সবাজারে যে বৈঠকটি সম্পূর্ণ করা যায় নি, সেটি সম্পূর্ণ করা। এনসিপি মুখে যত বড় বড় কথা বলুক না কেন। আসলে তো তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিন একটি সংগঠন, তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়িত করার জন্যই অর্থ এবং অস্ত্রের সহযোগীতা পেয়েছিল।এখন তো তাদের দায়বদ্ধতা তারা অস্থিকার করতে পারে না। তাদেরকে কয়ফিয়ত তলব করলে জবাব তো দিতেই হবে। এখন যদি ছাত্ররা বেঁকে বসে যে তারা মার্কিন প্রভুদের হুকুম মানবে না, তা হলে তাদের প্ল্যান বি অথবা প্ল্যান সি কাজে লাগাতে হবে। এর আগে যখন তারা কক্সবাজারে গিয়েছিল তখন তাদের নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল। যার জন্য তাদেরকে দল থেকে শোকজের নোটিস ধরানো হয়েছিল। যে তারা দলকে না জানিয়ে কেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিনে ৫জন কক্স বাজারে গেলেন। তারা তার উত্তরও দিয়েছিল। এবং জানিয়ে ছিল যে তারা দলকে জানিয়েই গিয়েছে। সেটাই স্বাভাবিক তারা দলের কাজে গিয়ে দলের থেকে শোকজের নোটিশ পাবে সেটা তো ঠিক না। কিন্তু সেখানে তাদের গতিবিধি যে সংবাদ মাধ্যমগুলি প্রকাশ করেছিল, তারা বলেছিল যে ডিজিএফআই তাদের তথ্য প্রকাশ করেছে এবং ডিজিএফআই তাদের উপর নজরদারি চালিয়েছে। তারপরই এক অনুষ্ঠানে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ডিজিএফআইকে গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। (বাইট-নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী) তো সেই সময় অনেক জায়গা থেকে সন্দেহ করে বলা হয়েছিল যে তারা পিটার হাসের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল।যদিও পিটার হাসের উপস্থিতি পাওয়া যায় নি। কিন্তু পিটার হাস না হলেও অন্য কারো সঙ্গে তাদের মিটিং ছিল কিনা বা হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। তবে তাদের হোটেল পরিবর্তনের ঘটনাটি মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে বা সন্দেহ করতে বাধ্য করেছে। এবার কি সেই জবাব দিহি সম্পূর্ণ করার জন্য তাসনিম জারাকে নেপাল ছুটতে হল।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post