বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন যেন থামার কোন প্রবণতায় দেখা যাচ্ছে না।২৪ শে বাংলাদেশে পালা বদলের সাথে সাথে হাসিনার পতন এবং ক্ষমতায় ইউনুসের আগমন যেন বাংলাদেশের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। শান্তশিষ্ট সুজলা সুফলাং শস্য শ্যামলাং সবুজে ঘেরা শান্তির বাংলাদেশ আজ যেন সবই ওলট পালট হয়ে গেছে ইউনূসের হাতে। সেই দেশটি বারংবার খবরের শিরোনামে উঠে আসে প্রতিবেশী ভারতের উপর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে এবং বাংলাদেশের মধ্যে বসবাসকারী সনাতনী হিন্দুদের উপর হামলার খবর নিয়ে। দেশে বিদেশে বাংলাদেশের এই সমস্ত খবরে মুখ পুড়েছে সেই দেশের। প্রথমটা শুরু হয় সনাতন হিন্দু চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারি নিয়ে এবং পদ্মার জল যত গড়ায় ততো খবরের শিরোনামে উঠে আসে সনাতনী হিন্দু দীপু দাসের হত্যাকাণ্ডের খবর এমনকি হিন্দুদের বিভিন্ন ধার্মীক পুজো অনুষ্ঠান বন্ধ করা। মবের নামে সে দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু দের বাড়ি ভাঙচুর করার মতন ঘটনা আজ বিশ্বমহলের চায়ের চর্চা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদেশে একটি কথা খুবই প্রচলিত ‘কানকাটা’ অর্থাৎ কোন ক্ষেত্রে কারর নেতিবাচক দিকটি তুলে ধরতে বলা হয় কানকাটা মানুষ। কিন্তু ভেবে বলুন তো কারো যদি দুকান কাটা যায় তাকে কি বলা যায়?
মুহাম্মদ ইউনূসের অবস্থা হয়েছে ঠিক তেমনটাই।
যতই ওনার লজ্জার বিরলতম দিকগুলি ফুটে উঠুক না কেন উনি থাকেন ওনার খেয়ালে। অবনীলায় চালাতে থাকেন হিন্দুদের উপর অত্যাচার। যার নতুন সংযোজন সমীর কুমার দাস।
বাংলাদেশের ফেনি জেলার দাগনভূঞা উপজেলায় রবিবার গভীর রাতে নৃশংসভাবে খুন হলেন এক সনাতনী হিন্দু অটো-রিকশা চালক। মৃত ব্যক্তির নাম বছর ২৮ এর সমীর কুমার দাস। যিনি সমীর চন্দ্র দাস নামেও পরিচিত। হামলাকারীরা তাঁকে পিটিয়ে ও দেশি অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার পর তাঁর ব্যাটারি চালিত সিএনজি অটো-রিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছে সমীরের উপর হামলা চালানো হয়। সোমবার রাত আনুমানিক ২টো নাগাদ দক্ষিণ করিমপুর মুহুরি বাড়ি এলাকার কাছে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা। এবং পরবর্তীতে পুলিশের খবর দেয়া হয়। এখানেই প্রশ্ন উঠছে। কি হবে পুলিশকে খবর দিয়ে যে দেশের মাথায় বসে আছেন মুহাম্মদ ইউনূসের মতন মানুষ। সেই মরা গাঙে কখনো কি জোয়ার আসতে পারে! টিম নিউজ বর্তমান প্রশ্নটি রাখল আপনাদের কাছে আপনাদের মূল্যবান উত্তর আমাদের কমেন্ট করে জানাবেন।
সূত্র মারকত খবর নিহত সমীর কুমার দাস বাংলাদেশের রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস এবং মা রিনা রানী দাস। পরিবার সূত্রে জানা যায়,বহু বছর ধরে অটো চালিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ করতেন সমীর। রবিবার বিকেলের পর বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং পরে তাঁর মৃত্যুর খবর পান। এই ঘটনায় দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। শুধুমাত্র ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই এই খুন, নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিহতর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আসলে এই উদ্বেগের মূল কারণ হলোই সে দেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের রাজত্ব। সেখানে দেখা যায় মৌলবাদী পাকিস্তানি জঙ্গিদের বারবার বাড়ন্ত। আর সনাতনী হিন্দুদের ওপর নির্মম অত্যাচার চিন্ময় প্রভু থেকে সমীর দাস কি দোষ ছিল এদের কেন হত্যা হতে হল এদের? বাংলাদেশে সনাতনী হিন্দুর ঘরে জন্মই কি এদের প্রকৃত দোষ?
ইউনুস ও তার উপদেষ্টা মহল মুখ বন্ধ রাখলেও পদ্মার এবার থেকে এই প্রশ্ন বারংবার তুলবে এবং জনগণের সামনে ইউনূসের উলঙ্গ চিত্র তুলে ধরবে টিম নিউজ বর্তমান।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post