এই মুহূর্তে ভারত চিকেন নেক নিয়ে যথেষ্ট তৎপর। শিলিগুড়ি করিডোরে রাফাল যুদ্ধবিমান এবং S 400 মোতায়েন করেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশ ভয় পেয়েছে। সেটা উঠে আসছিল বিভিন্ন ক্ষেত্রে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের আরও একটি খবর সামনে এসেছে। বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তে দেখা গেল ভারতীয় ড্রোন। বাংলাদেশের আকাশে ভারতীয় ড্রোন চক্কর কাটতে দেখা গেল। আসলে কোন পথে ভারতের প্রস্তুতি? কোনওভাবে কি যুদ্ধের দিকে এগোচ্ছে ভারত? কেন ভারতীয় ড্রোন বাংলাদেশ সীমান্তে এল? এই কাজ কি আদেও ভারত করল নাকি অন্য কোনও দেশ করল? যা ঘিরে যেমন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম সীমান্তের আকাশে ভারতীয় ড্রোন চক্কর কাটতে দেখা গেল। জানা যাচ্ছে, কুড়িগ্রামের রৌমারী বরাইমারি সীমান্তে বাংলাদেশের আকাশে চারটি ড্রোন লক্ষ্য করা গিয়েছে। এমনকি এই খবর নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ বিজিবির 35 ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল হাসানুর রহমান। তবে এই বিষয়টি নিয়ে বিজিবি আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও, বিএসএফ অস্বীকার করেছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে স্থানীয়রা বলছে, আসাম রাজ্যের কাঁকরিপাড়া সীমান্তের দেশটির সীমান্ত বাহিনী ক্যাম্পের আওতাধীন বিএসএফ সদস্যরা শুক্রবার রাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চারটি ড্রোন পাঠায়, রৌমারী, বরাইমারি সীমান্তের আকাশে প্রায় আধা ঘন্টা চক্কর দেয়। এদিকে বিজিবি বলছে, সাধারণ মানুষের পক্ষে এই ড্রোন উড়ানো সম্ভব নয়। এই বিষয়টি বেশি করে উঠে আসছে, তার কারণ শিলিগুড়ি করিডোরে ভারত কার্যত যুদ্ধ প্রস্তুতি ন্যায় প্রস্তুতি শুরু করেছে। এমনকি রাফাল যুদ্ধ বিমান পর্যন্ত নিয়ে এসেছে। ফলে অনেকে বলছে, বাংলাদেশ সরকারের উচিত ভারতের সঙ্গে কথা বলা। আর যদি এগুলি ভারত বিদ্বেষ করার জন্য বা বাংলাদেশের কিছু কার্যকলাপের জন্য হয়, তবে সেগুলি থামানো উচিত তদারকি সরকারের। নাহলে যেভাবে ভারত বাংলাদেশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাপ দিতে শুরু করেছে, তাতে বিপদে পড়বে ইউনূসের দেশ।












Discussion about this post