বিএসএফ থেকে একটি গুলি চললে, দিন রাত বাংলাদেশে তাই নিয়ে খবর মিটিং মিছিল আন্দোলোন শুরু হয়ে যায়। যদিও বাংলাদেশ সরকার এবং সেনা জানে বিএসএফ যাদের গুলি করে তারা কারা। তারা হয় জঙ্গী না হয় চোরাচালানকারী। কিন্তু এখন মায়ানমার থেকে যেভাবে বাংলাদেশের উপর আক্রমন হচ্ছে তাই নিয়ে চুপ সরকার। প্রশ্ন করা হলে বলা হচ্ছে আমরা কাদের সঙ্গে কথা বলব। যেখান থেকে এগুলি হচ্ছে সেটি তো বার্মা সরকারের অধিনে নেই, এই জায়গাগুলির দখলে আছে আরাকান আর্মি, আর বাংলাদেশ সরকার আরাকান আর্মিকে কোনরকম স্বিকৃতি দেয়নি। কিন্তু কিছুদিন আগেই আরাকান আর্মি বাংলাদেশের ঢুকে উৎসব পালন করে গেছে। এখন এই আরাকান বিরোধী বক্তব্য কি চিনকে খুশি করার জন্য? যদিও এই সুযোগে বহুদিন পরে সাংবাদিকদের সামনে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান।এবং এই সুযোগে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন তদারকী সরকার চাইলেও তারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে যাবে না। এমনকি তারা মায়ানমার সরকারের সঙ্গেও সব সময় কথা বার্তা চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে তাদের মিলিট্যারির সঙ্গে বাংলাদেশ মিলিট্যারির একটা ভালো সম্পর্ক আছে, আর দুই দেশের সেনার মধ্যে ভালো সম্পর্ক থাকার অর্থ হল, কোন ভুল বোঝাবুঝির কারণে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম। মানে ভারতের সেনাপ্রধান যা বলেছেন ঘুরিয়ে ভারতের নাম না নিয়ে, তাই বললেন বাংলাদেশের সেনা প্রধান। যদিও দুই দেশই তাদের সীমান্তে সামরিক বহর বৃদ্ধি করে চলেছে। তবে এগুলি স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন দুই সেনাপ্রধানই। ফলে ভারত বাংলাদেশের মধ্যে ভোটের আগে পর্যন্ত কোন যুদ্ধের আশঙ্কা না থাকলেও, বাংলাদেশকে সব দিক থেকে গ্রাস করছে এক অদ্ভুত অস্থিরতা। যার সৃষ্টি কর্তারা হল স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো তৌহিদী জনগন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ভুল বুঝতে পারলেও স্থিকার করবে না। যখন গ্যাসের দাম হাসিনার সময়ে ছিল হাজার টাকা, আর এখন চার হাজার টাকা। এক বছরের মধ্যে এই এত বড় পার্থক্যের পরও তারা চুপ। বাংলাদেশের জনগন এখন কাকে প্রশ্ন করবে । তাদের দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক সম্পদ হল গ্যাস, তার পরও কেন তাদের এত দাম দিতে হচ্ছে, তারা বুঝতে পারছে না, নাকি বুঝেও বুঝছে না। হাসিনা তো আগেই বলেছিলেন যে কেউ কেউ চাইছে বাংলাদেশ থেকে গ্যাস কিনতে, কিন্তু তিনি দেশের জনগনকে ঠকিয়ে, সাদা চামড়ার লোকেদের সেই সুযোগ করে দিতে চাননি। তার ফলও তাকে ভুগতে হচ্ছে গদি হারিয়ে। বাংলাদেশের ভিসা শুধু পাকিস্তান ছাড়া আর সব দেশে প্রায় নিষিদ্ধ। বাংলাদেশে এখন একটা জিনিস খুব সহজ এবং সস্তা সেটি হল সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। সে ধর্মের দোহাই দিয়ে হোক অথবা আওয়ামীলীগের দোসর। অবশ্য আরও একটি ব্যাপার হল ভারত বিদ্বেষী মন্তব্য করে জনপ্রিয়তা লাভ করা। মানে পাকিস্তানে যে ভাবে ভারত বিরোধীতা করে রাজনীতিতে জনপ্রিয়তা পাওয়া যায়, এখন বাংলাদেশেও তেমনই কালচার শুরু হয়েছে। কিন্তু ভারত এটিকে আর্মি ডিপ্লোমেসি দিয়েই সামলাতে চাইছে, অন্তত একটি নতুন সরকার না আসা পর্যন্ত।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post