ভারতীয় সেনার ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে’ তদারকি সরকার প্রধান ইউনূসের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। অসমর্থিত সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে ভারতের একটি গণমাধ্যম এবং বাংলাদেশের একাধিক বৈদ্যুতিন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, শিলিগুড়ি করিডোর, যার দৈর্ঘ্য ছিল ২২ কিলোমিটার, ভারতীয় সেনা সেটিকে আরও ৩৮ কিলোমিটার বাড়িয়ে ৬০ কিলোমিটার করেছে। সেটা হয়েছে এতটাই গোপনে যে কাকপক্ষীও টের পায়নি। গণমাধ্যম থেকে বলা হয়েছে, ভারতীয় সেনাকে এই পথে হাঁটতে বাধ্য করেছে বাংলাদেশের একটি অবৈধ, অসাংবিধানিক সরকার, যার মাথায় রয়েছেন নোবেল ম্যান ড. ইউনূস। পাশাপাশি সে দেশের বুকে এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, যে ঘটনায় ভারতীয় সেনাকে এই পদক্ষেপ করতে হয়েছে।
সম্প্রতি পাকিস্তান সেনার দ্বিতীয় পদমর্যাদার কর্তা তথা সে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ‘জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটি’-য়ের চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামসাদ মির্জা তাঁর বেশ কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে বাংলাদেশ যান। মির্জার হাতে ইউনূস ‘আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’ নামে একটি বই উপহার দেন। সেই বইয়ের প্রচ্ছদে আঁকা মানচিত্রে দেখানো হয়েছে সেভেন সিস্টার্স বাংলাদেশের অংশ। ঢাকার আচার-আচরণে প্রথম থেকে চটে রয়েছে সাউথব্লক। আগুনে ঘি ঢেলেছে এই বই।
গত বছর প্যারিস থেকে ভারতের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউনূস কার্যত হুমকি দিয়ে বসেছিলেন। ভারতীয় সাংবাদিকের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি বাংলাদেশকে কোনওভাবে অস্থির করে তোলার চেষ্টা করেন, তাহলে গোটা বাংলাদেশ তো জ্বলবে। সেই সঙ্গে জ্বলবে মায়ানমার। বাদ যাবে না পশ্চিবঙ্গের ওই সেভেন সিস্টার্স। ’ তারপর থেকে একাধিকবার ইউনূসকে ভারত-বিদ্বেষী কথাবার্তা বলতে শোনা যায়। এমনকী বাংলাদেশের বুকে ঘটে যাওয়া একাধিক হিংসাত্মক ঘটনার পিছনে তিনি ভারতকে কাঠগড়ায় তোলেন। ভারত তার সমুচিত জবাব দিয়েছে।
তার পরেও থেমে থাকেননি নোবেলম্যান। চিনে গিয়ে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে আলটপকা কথা বলেছেন। ইউনূস বলেন, ‘ভারতে উত্তরপূর্বের সাতটি রাজ্যকে বলা হয় সেভেন সিস্টার্স। এই সাতটি রাজ্য ল্যান্ডলক। ওদের সমুদ্র নেই। আমাদের কাছে সমুদ্র আছে। এটা একটা বিশাল সুযোগ চিনের অর্থনীতির উন্নতির জন্য এটা একটা বড় দিক হতে পারে। নেপাল-ভুটানের অসীম হাইড্রো পাওয়ার আছে।’
হাসিনার আমলে যে পাকিস্তান বাংলাদেশের ছায়াকে পর্যন্ত সমঝে চলত, সেই পাকিস্তান সেনার জন্য ঢাকা তার দরজা খুলে দিয়েছে। রাওয়ালপিন্ডির সেনা সদর থেকে অনেকেই বাংলাদেশ গিয়েছেন। গিয়েছেন পাক-মন্ত্রীরাও। আগামী ৮ নভেম্বর পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরফ ঢাকা যাচ্ছেন। সফর চারদিনের। সূত্রের খবর, তিনি স্থলসেনা প্রধান ওয়াকার উজ জামান, বায়ুসেনা প্রধান মার্শাল হাসান মেহমুদ খান এবং নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল মহম্মদ নজমুল হাসানের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
ইউনূস সরকারের দাপাদাপি বন্ধ করতে ভারতীয় সেনা গোয়েন্দার এক প্রতিনিধিদল দল সম্প্রতি ঢাকা সফর করে। সেনাপ্রধান ওয়াকারের সঙ্গে বৈঠকে বসে। তাঁর হাতে তুলে দেয় বেশ কিছু নথি। ইউনূসকে ঘুরিয়ে বার্তা দেয় থেমে যাওয়ার। তারপরেও ইউনূসের দাপাদাপি বন্ধ হয়নি। এবার সে কারণে ভারতীয় সেনা শিলিগুড়ি করিডোরের ক্ষেত্র ৩৮ কিলোমিটার বাড়িয়ে নিল। এই চিকেন নেক নিয়ে ইউনূস যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে সেই স্বপ্ন ভেঙে খান খান। তাঁর এই স্বপ্নভঙ্গে মনে করায় এই রবীন্দ্র গান ‘স্বপ্নে আমার মনে হল, কখন ঘা দিলে আমার দ্বারে হায়।’
ভারতীয় সেনা তো ইউনূসের স্বপ্নেই ঘা দিয়েছে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post