রাজাকারের সম্পত্তি থাকা দোষের না! হাসিনার সম্পত্তিথাকলেই অপরাধ?এই হেডলাইনের পরিবর্তি এটিও রাখা যেত যে, কড়াইলের আগুনের উত্তাপ ভোলাতে, দেশবাসীকে হাসিনার লকারের ভূয়া গহনার চমক দেখালেন ইউনূস। হেডলাইন যাই হোক যা বলতে চাই আপনারা তা বুঝলেই হল। হাসিনা বলেছিলেন রাজাকারের নাতি পুতিরা সব মেধাবী, আর মুক্তি যোদ্ধাদের নাতি পুতিরা কি মেধাবী না। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ ছিল না কারা রাজাকার এবং কারা মুক্তিযোদ্ধা। তবু সেই বক্তব্যের জন্য হাসিনার গদি গেল। যদিও হাসিনা কিছু বলুন আর নাই বলুন, তাকে গদি ছাড়তেই হত। কারণ তার গদি নাড়াতে আমেরিকার ডিপস্ট্রেট ২৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করেছে। এখন তো সফিকুর সাহেবও নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান বলে দাবী করেন। আবার কখনও বলেন তারা মুক্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন নি তার নিদৃষ্ট কারণ আছে। যাই হোক তিনি নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান বলে মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান এবং স্বিকৃতি দিয়েছেন। ফলে হাসিনার ঐ রাজাকার আর মুক্তিযোদ্ধা বক্তব্যটি, তার বা তার দলের গায়ে লাগার কথা না।আর যে কারণে বলছিলাম ঐ বক্তব্যের জন্য হাসিনার সিংহাসন নড়েনি, নড়েছে ডিপস্ট্রেটের কারণে।সে যাক সেই সব এখন অতিত। এখন যেটি প্রাসঙ্গিক ইউনূস সাহেবের কাছে তা হল, রাজাকারের নাতি পুতি যারা ৫ই আগস্টের আগে দু-বেলা খেতে পেত না। তারা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। এই বক্তব্য আমাদের না, বলেছে যুলাই যোদ্ধারাই।যারা এক সময় এই রাজাকারের নাতি পুতিকে নেতা মনে করত।
তারা এখন প্রশ্ন তুলছে, কোটা বিরোধী আন্দোলোন করা সারজিসের শ্বশুর, কার সুপারিশে প্রধান বিচারপতি? পাকিস্তানি রাজাকারদের মসিহা ইউনূস সাহেবের কাছে এগুলি অপরাধের নয়। অপরাধ হল হাসিনার। তার কেন সম্পত্তি থাকবে? এই প্রশ্ন তুলে দেশের মানুষকে খেপিয়ে তোলা এবং তার যে মাস্টার প্ল্যান, কিছু দিনের জন্য সেই বিষয়টি থেকে জনগনকে দুরে রাখা। কড়াইলে আগুন লেগে দেড় হাজার পরিবার নিশ্বঃ, শোনা যাচ্ছে ইউনূস সাহেব ঐ জায়গায় বিলাস বহুল মার্কেট কমপ্লেক্স বানাতে চান, আর সেই কারণের আগুন কিনা বলা মুশকিল। আর এসবের ফলে দেশের সাধারণ মানুষে বেশী করে যে হাসিনার দিকে ঝুঁকছেন, সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না।যেমন বন্দর বিক্রির দিনেই ঘটেছিল হাসিনার রায় দান এবং ধানমন্ডি ৩২ ভাঙার ঘটনা।ঠিক সেই রকম ভাবে খবরের অভিমুখ আগুনের দিক থেকে ঘুরিয়ে দিতেই, হাসিনার লকারে ৯ কেজি সোনার গহনা। যদিও সেই গহনা উদ্ধারের যে ছবি দেখানো হচ্ছে সেখানে কয়েকটি লোক কি সব মাপ জোপ করছেন দেখা যাচ্ছে,গহনা উদ্ধারের ছবি দেখা যাচ্ছে না। শুধু তাই নয় লকারের যে মাপ আর যে পরিমান সোনার গহনা উদ্ধার হয়েছে, যেখানে আবার পুঁধি পাথর, এ সবও আছে, ফলে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে ঐ মাপের লকারে কি ৯ কেজি গহনা রাখা সম্ভব? সোনার বাট বানিয়ে রাখলে হয়তো সম্ভব হত। আওয়ামীলীগ বলবে এ সবই তাদের নজরে থাকছে, দিন যেদিন ঘুরবে, সেদিন এর জবাব দিতে হবে আজকের উদ্ধারকারী দলকে। যদিও হাসিনা তার গহনা থাকাটাকে অস্থিকার করেন নি।
তিনি বলেছেন যে তারা সমভ্রান্ত পরিবার থেকে এসেছেন, তাই তাদের তো সোনা দানা অর্থ থাকবেই। তবে ইউনূসকে বিপদে ফেলে তিনি বলেছেন যে ঐ সোনা দানা নিয়ে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করুক ইউনূস সরকার। যে মহুর্তে ইউনূস সাহেব ভেবেছিলেন তিনি মোক্ষম চাল দিয়েছেন, এবার তিনি যমুনায় বিরাট করে সেলিব্রেশন করবেন, ঠিক সেই মহুর্তে হাসিনার এই বক্তব্য তার চাল দেওয়ার আগেই কিস্তি মাত করে দেওয়ার মত।












Discussion about this post