হাসিনাকে কি ফেরাবে ভারত? এখন মনে হয় এটি কোটি টাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিগত কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির সাজা ঘোষণা হয়েছে। তারপরই হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ। বর্তমানে মুহাম্মদ ইউনূসের রাজত্বে সেদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারতকে কূটনৈতিক বার্তা পাঠায়েছিল।এবার গোটা বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার বার্তা দিলো ভারত।দিল্লির তরফে জানানো হয়েছে এই বিষয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া নিয়ে বাংলাদশের যে অনুরোধ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সম্প্রতি ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গোটা বিষয়ে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন ‘আমাদের কাছে এই সংক্রান্ত বিষয়ে একটি অনুরোধ এসেছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তবে যেহেতু এর সঙ্গে বিচারবিভাগীয় এবং অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া অংশ হিসেবে জড়িয়ে আছে, তাই এখনই কিছু বলতে পারছি না। আমরা সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখছি। ব্যাস এই এক কথাতেই সমজদ্বারের ইশারায় কাফি। বলাবাহুল্য, এর আগেও হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে কূটনৈতিক বার্তা পাঠিয়েছিল ইউনূস সরকার। আর এবারে দ্বিতীয়বার আবার চিঠি পাঠাতে মুখ খুলল ভারত। বলাবাহুল্য বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনাকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল নভেম্বরের ১৭ তারিখ। বিগত কিছুদিন আগে এমনই রায় ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। মোট পাঁচটি অপরাধের ভিত্তিতে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনার পাশাপাশি একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকেও। রায় ঘোষণার দিনই আদালতে ফাঁসির ঘোষণার পাশাপাশি হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের বাংলাদেশে থাকা সমস্ত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় হাসিনাকে কি ফেরাবে ভারত? এমন প্রশ্ন সারা বিশ্ব তথা বাংলাদেশের। বিগত কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির সাজা ঘোষণা হয়েছে। তারপরই হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ।নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘এই বিষয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়া নিয়ে বাংলাদশের যে অনুরোধ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’অবশেষে নয়াদিল্লির বিদেশ মন্ত্রক জানাল, হাসিনা বিষয়ে বাংলাদেশের অনুরোধ আইনি কাঠামোর মধ্যে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বুধবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ভারত সর্বদা বাংলাদেশের জনগণের শান্তি, স্থিতিশীলতা, গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যতের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরপর সাংবাদিকরা যখন বাংলাদেশের পাঠানো চিঠি নিয়ে প্রশ্ন করেন, তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের কাছে একটি অনুরোধ এসেছে। এটি বিচারবিভাগীয় এবং অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ। পুরো বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ব্যাস এই একটি কথার বেশি আর কিছুই পরিষ্কার করেনি ভারত অর্থাৎ ভারত যে হাসিনাকে নিয়ে বড় কিছু প্ল্যান তৈরি করে রেখেছে তা বলাই বাহুল্য কারণ আমরা প্রত্যেকেই জানি হাসিনা এবং তার বাবা মজিবুর রহমান বাংলাদেশ জন্মানোর আগে থেকেই ভারতের কাছে কৃতজ্ঞ এবং ভারত হাসিনার পরিবারকে বন্ধু হিসাবে দেখে। কাজেই ইউনূসের চক্রান্তে হাসিনাকে যে ভারত মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবে না তা বলাই যায়।। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক বহু দশকের কৌশলগত সমীকরণের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে আছে। তাই শেখ হাসিনা ইস্যুতে ভারতের প্রতিটি পদক্ষেপই হবে পরিমিত এবং আন্তর্জাতিক জবাবদিহিতার আলোকে। বর্তমান পরিস্থিতিতে দিল্লি সরাসরি কোনও সিদ্ধান্ত ঘোষণা না করলেও, হাসিনা বিষয়ে আলোচনার দরজা খোলা রেখেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।এখন সকলের চোখ ভারতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে-ভারত কি ফেরাবে হাসিনাকে, নাকি আন্তর্জাতিক বিধান মেনে তাঁকে আশ্রয় দেবে?












Discussion about this post