কৌস্তুভ বাগচিকে কি ভয় পাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেস? কারণ বিরোধীরা বলছে, যেনতেন প্রকারণে কৌস্তুভ বাগচিকে জেলে ঢোকানোর চেষ্টা চলছে। এই প্রশ্নটা উঠছে। কারণ তার কারণ, বিজেপি নেতা কৌস্তুভ বাগচীর বাড়ির সামনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিবাদ সভা। অভিযোগ উঠছে, এটা কোনও প্রতিবাদ সভা নয়। বিজেপি নেতা এবং তার পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছেন, ভয়ে নেত্রীর ঘুম উঠতেই কৌস্তবের দুয়ারে নেত্রীর দূত রুপী ভায়েরা হাজির।
জানা গিয়েছে, ব্যারাকপুরে ওয়ারলেস মোড় সংলগ্ন বেসরকারি নার্সিংহোমে তাণ্ডবের অভিযোগে তাকে নোটিস পাঠায় পুলিশ। তাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। এমনকি শুক্রবার সকাল ১১টায় মোহনপুর থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু কাজের ব্যস্ততার কথা বলে পুলিশের কাছে সময় চান বিজেপি নেতা। এদিকে ওই রাতে কৌস্তভ বাগচী আঙুল উঁচিয়ে চিকিৎসকদের হুমকি, শাসানোর অভিযোগের সেই ঘটনা প্রতিবাদে সরব হয় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী, সমর্থকরা।
অন্যদিকে হাসপাতালে প্রবল বিক্ষোভের পর ব্যারাকপুরে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক কৌস্তব বাগচীর নাম না করে তিনি বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন। শুনুন সেই বক্তব্য
এদিকে যে রোগীর মৃত্যু ঘটেছে, তার পরিবারের সদস্যরা যে বক্তব্য রেখেছেন, তাতে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন তারা। শুনুন সেই অভিযোগ
অর্থাৎ এখানেই প্রমাণিত হয়ে গেল, পার্থ ভৌমিক যে অভিযোগ করছেন, যে মৃত রোগীর পরিবার থেকে কোনও অভিযোগ করেনি, সেটা একেবারেই সত্যি নয়। একেবারে রোগী পরিবার অভিযোগ করছে, যদি পুলিশ কেস তুলে নেয়, তবে মৃতদেহ সঙ্গে সঙ্গে পেয়ে যাবে। আর না হলে তাদের দেহ পেতে বেগ পেতে হবে।
অন্যদিকে কৌস্তব বাগচীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তিনি এক চিকিৎসককে মারধর করেছেন। অথচ বিজেপি নেতা তার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার হেন্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এখানে দেখা যাচ্ছে, ওই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলছেন কৌস্তভ বাগচী। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু স্বীকারোক্তি করেছেন ওই চিকিৎসক।একেবারে তিনি স্পষ্ট করে বলছেন, প্রশাসনের তরফে কৌস্তভ বাগচীর নাম নেওয়ার জন্য তাকে কিভাবে চাপ দেওয়া হয়েছে। তবে এত অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে ঠিক কি হয়েছিল সেদিন, যেখানে বলা হচ্ছে কৌস্তভ বাগচী মেরেছেন, দেখুন সেই ভিডিও
অর্থাৎ ভিডিওতে যিনি মারছেন সেই ব্যক্তির সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়া ঘাটলে দেখা যাবে বিভিন্ন তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে তার ছবি। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, তিনি তৃণমূলেই লোক। এখন দেখার, এত কিছুর পরও কি পদক্ষেপ করে প্রশাসন।












Discussion about this post