আশঙ্কা ছিলই। আর সেটাই সত্যি হল। এনসিপিতে ভাঙন লক্ষ্য করা গিয়েছিল। এখন সেটা স্পষ্ট। এনসিপি থেকে নতুন রাজনৈতিক দলের জন্ম হয়ে গেল। এনসিপি ভেঙে তৈরি হল নতুন দল। এটা আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারে জানানো হল। নতুন দলের নামও জানানো হয়েছে। এর নাম এনপিএ।
জানা গিয়েছে, জুলাই গণপ্রজাতিক সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়া। বাম ও মধ্যপন্থী মতাদর্শের তরুণদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটল। যার নাম দেওয়া হয়েছে এনপিএ বা নেটওয়ার্ক ফর পিপলস একশন। নতুন এই প্ল্যাটফর্মের ৩ জন মুখপাত্র ও ১০১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি মুখপাত্রের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আরা রুমি, মইনুল ইসলাম তুহিন ও নাজিকা জান্নাত। শুক্রবার সেখানে প্ল্যাটফর্মের মুখপাত্র ও কাউন্সিল সদস্যের নাম ঘোষণা করেন মীর হুযাইফা এল মামদূহ। জানা গিয়েছে, নতুন দলে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে থান পাওয়া ১০১ জনের মধ্যে এনসিপি থেকে পদত্যাগ কারীর চার নেতা রয়েছে। তারা হলেন, এনসিপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অনিক রায়, সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব তুহিন খান, সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব তুহিন খান, সাবেক উত্তরাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক অলীক মৃ, সাবেক কালচারাল সেলের উপপ্রধান সৈয়দা নীলিমা দোলা। এছাড়াও রয়েছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সাবেক সদস্য সৈয়দ ইমতিয়াজ নদভী। তবে এনসিপি থেকে যে সমস্ত তারকা নেতা নেত্রী পদত্যাগ করেছেন, তাদের দেখা যায়নি এনসিপিতে। আসলে অনেকেই বলছেন অর্থাৎ যারা পদত্যাগ করেছেন, তারা বলছেন, মূলত এনসিপি জামাতের অংশ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যখন এটা সফল হয়নি, তখন জামাতের সঙ্গে জোট তৈরি করেছে তারা। এবি পার্টি অর্থাৎ জামাত থেকে বেরিয়ে যাইএকটি দল। অনেকে তখন বলেছিলেন জামায়েত ইসলামী আওয়ামী লীগের সময় নিষিদ্ধ ছিল। তারা সরাসরি রাজনীতি করতে পারবে না বলে এবি পার্টির মাধ্যমে রাজনীতিতে নামবে। এমন একটা কথা শোনা গিয়েছিল তখন। শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর জামাত পূর্ণ শক্তি নিয়ে মাঠে নামে। সেখানে এবি পার্টি গৌণ একটি শক্তিতে পরিণত হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির জোটের ফলে পরিস্থিতি বদলায়। এনসিপি থেকে অনেকে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগকারীদের বক্তব্য ছিল, তারা বাংলাদেশবাসীকে একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। যেখানে সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। কিন্তু জামাতের আদর্শের সঙ্গে তাদের মেলে না। সেই কারণেই তারা বেরিয়ে এসেছে। এদিকে এনসিপি ভেঙে গেল। নতুন দল গঠন হল। এখন দেখার, এনসিপি শক্তিশালী হয় নাকি এনপিএ শক্তিশালী হয়! এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আশছে ততই বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে এনসিপি এবং জামায়েত-ই ইসলামীর মধ্যে বেশি করে ঘটনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জামায়েত যে ১২ দলের সঙ্গে জোট করেছিল, সেখানে একের পর এক দল বেরিয়ে যাচ্ছে। এদিকে এনসিপিরও একই অবস্থা। তারমধ্যে তাসনিম জারাদের মতো তারকা নেত্রীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ভোটে লড়ছেন। ফলে অনেকটাই ব্যাকফুটে এনসিপি বা জাতীয় নাগরিক পার্টি। তবে নির্বাচন এগিয়ে আসতে যে যে নাটক লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তাতে পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত কি গড়ায় সেটাই দেখার। পাশাপাশি এটাও দেখার, জাতীয় সংসদ ত্রয়োদশ নির্বাচন সুষ্ঠভাবে হয় কিনা।
বাংলাদেশে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তাঁর বক্তব্যে আওয়ামী লীগকে খোঁচা দিলেন। যেটা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ...
Read more











Discussion about this post