আবার নাটক।
হাসিনাকে নিয়ে কয়েক দফা নাটক করেছেন তদারকি সরকার প্রধান ইউনূস। মানুষ যাতে সেই নাটক দেখতে পারে, তাঁর জন্য যমুনাভবনে নাকি টিকিট কাউন্টার খোলা হয়েছিল। নাটকটা সেখানেই মঞ্চস্থ করার কথা ছিল। হিরো আমাদের ইউনূস স্যর। আর ভিলেনের চরিত্রে পাঠ করার কথা ছিল সেনাপ্রধান ওয়াকারের। সেই নাটকের একটা টিকিট বিক্রি হয়নি। ফলে, নাটকও মঞ্চস্থ করতে পারেননি ইউনূস। এবার বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের নাটক মঞ্চস্থ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তদারকি সরকার প্রধান।
এই গণহত্যা নিয়ে ইউনূসের তদন্ত কমিশন যে রিপোর্ট সরকারের ঘরে জমা করেছে, সেখানে বলা হয়েছে, ১৬ বছর আগের হত্যাকাণ্ডে ভারতের যোগ রয়েছে। ভারত থেকে নাকি সৈন্য পাঠানো হয়েছিল। তাদের বুলেটে মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশ সেনার ৫৭ জন কর্তার। কমিশনের দাবি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশেই নাকি দিল্লি থেকে সেনা পাঠানো হয়েছিল। সেটাই যদি হবে তাহলে ইউনূস সরকার বা তার সেনাপ্রধান ওয়াকার কেন ভারতের কাছে কৈফিয়ত তলব করছে না। তাদের তো দিল্লির কাছে জবাবদিহি চাওয়া উচিত যে কী করে তাদের সুশৃঙ্খল বাহিনীর ভিতরে তারা সেনা পাঠিয়ে বাংলাদেশ সেনার ৫৭জন কর্মকর্তাকে খুন করে?
যে সময়ের ঘটনা সেই সময় বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর নাম ছিল বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআর। ঘটনাটি ঘটে ২০০৯ সালের ২৫ এবং ২৫ ফেব্রুয়ারি। হামলার ঘটনায় নিহত হন বিডিআর-এর তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ সহ ৫৭ জন সেনা সদস্য। তাদের পরিবারকেও ছাড়া হয়নি। এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪। সেই ঘটনার তদন্ত করতে ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেন। কমিশনকে ওই হত্যালীলার তদন্তের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। কমিশনের নেতৃত্বে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আলম ফজলুর রহমান।
১১ মাস ধরে তাদের তদন্ত চলেছে। রিপোর্টে দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকারের তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। হাসিনার সবুজ সঙ্কেত পেয়েই তিনি এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। রবিবার ইউনূসের কাছে গিয়ে তদন্ত কমিশনের সদস্যেরা রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেও তদন্তের মূল বিষয়গুলি তাঁরা তুলে ধরেন। তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাকে দূর্বল করতে চেয়েছিল ভারত। তাতে তারা লাভবানও নাকি হয়েছিলেন। বিডিআর হত্যাকাণ্ডে গঠিত কমিশ এই ঘটনার জন্য দায় চাপিয়েছে ক্ষমতাচ্যূত প্রধানমন্ত্রী হাসিনা, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানের নাতি এবং শেখ হাসিনার খুড়তুতো ভাই ফজলে নূর তাপস ও আওয়ামী লীগকে। বলা হচ্ছে গণঅভ্যুত্থানের সময় এই ফজলে নূরকে মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আলম ফজলুর রহমান সংবাদমাধ্যণের প্রতিনিধিদের বলেন, ‘ওই ঘটনায় ভারত থেকে ৯২১ জন এসেছিল। তাঁর মধ্যে ৬৭ জনের কোনও খবর কমিশন পায়নি। তাঁরা কোন দিক দিয়ে এসেছিলেন, কোথা দিয়ে বেরিয়ে যান, সে বিষয়ে কমিশন সুস্পষ্ট কোনও তথ্য পায়নি। আমাদের তদন্তে উঠে এসেছে, প্রতিবেশী বাংলাদেশকে দূর্বল করতে চেয়েছিল ভারত। দূর্বল করতে চেয়েছিল সেনাবাহিনী এবং বিজিবিকে।’
তর্কের খাতিরে যদি ধরে নেওয়া যায় ইউনূসের এই কমিশন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করেছি, তাহলে তো ঢাকার এবং উত্তরপাড়ার তরফে সাউথব্ল এবং দিল্লির সেনাভবনের কাছে তো জবাব চাওয়া উচিত। সেই জবাব কি তারা চাইবে? সে হিম্মত তাদের আছে বলে তো মনে হয় না।
প্রকাশ্যে গুলি। একবার নয়, একাধিকবার। বলা হচ্ছে গুলি মাথার এফোঁড় ওফোঁড় করে বেরিয়ে গিয়েছে। যারা গুলি চালিয়েছে, তারা এসেছিল বাইকের...
Read more












Discussion about this post