ভারতের তিন বাহিনীর যৌথ মহড়া, অপারেশন ত্রিশূল পাকিস্তানের সীমান্তে পরিচালনা হচ্ছে। আরব সাগরে স্যর ক্রিক অঞ্চল, রাজস্থান, গুজরাটের সীমান্ত অঞ্চলে চলছে ভয়ানক এই যুদ্ধ মহড়া। এই মহড়া গতি পেতেই ভয়ে পা কাঁপতে শুরু করেছে পাকিস্তানের। এই আবহে পাকিস্তান নতুন করে তাঁদের আকাশসীমায় বিধিনিষেধ আরোপ করেছে এবং গুলিবর্ষণের সতর্কতা জারি করছে। ভারতের গোয়েন্দা সূত্র এমনটাই দাবি করেছে। যদিও পাকিস্তান অভিযোগ করছে, এই অপারেশন ত্রিশূল ২০২৫ নামে ত্রি-সেবা সামরিক মহড়ার সময় সামুদ্রিক অঞ্চলে ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ পরিচালনা করতে পারে। ভারতের যা ইচ্ছা করুক, স্থলে, সমুদ্রে, অথবা আকাশে। ভারতের জানা উচিত, এবার প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হবে, পাকিস্তানের সংবাদপত্র দ্য ডন পাক সেনার আইএসপিআর প্রধানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই যুদ্ধ মহড়ায় ভারত যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান, সাবমেরিন, ট্যাঙ্ক, কামান এবং উন্নত যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবস্থাকে একত্রিত করছে। যা ভারতের যৌথ যুদ্ধক্ষমতা এবং সামুদ্রিক প্রস্তুতি পরীক্ষার অন্যতম উপায় বলেই মনে করা হচ্ছে। একদিকে যখন ভারতের বিরাট এই যুদ্ধমহড়া নিয়ে আতঙ্কিত পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনী। ঠিক তখনই পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে আসছে আরও বড় দুঃসংবাদ।
এক মাস আগেই পাক অধিকৃত কাশ্মীর কেঁপে উঠেছিল স্থানীয়দের জোরালো আন্দোলনে। কয়েক সপ্তাহ পরই এই অঞ্চলে বিক্ষোভের আরেকটি ঢেউ উঠেছে, মজার বিষয় হল, এবার জেনারেল জেডের নেতৃত্বে শুরু হয়েছে তীব্র আন্দোলন। যাদের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী, তাঁদের দাবি বর্ধিত ফি এবং পরীক্ষা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হিসাবে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল। জানা যাচ্ছে তা এবার শেহবাজ শরীফের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে পরিণত হয়েছে। যেমনটা হয়েছিল বাংলাদেশে এবং নেপালে। এর পরিণতি কি হয়েছে তা গোটা বিশ্বই জানে। পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে পাক সরকার বরাবরই উদাসীন। কিন্তু ওই এলাকা নিজেদের দখলে রাখতে পাক সেনাবাহিনী তাঁদের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে আসছে যুগের পর যুগ। কিন্তু ওই এলাকায় কোনও উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা রেশন ব্যবস্থা ভালো করার কোনও উদ্যোগই নেয়নি পাকিস্তান সরকার। উল্টে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নতি তাঁরা দেখছেন দিনের পর দিন। যা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জেনারেল জেডদের চোখে পড়েছে। ফলে তাঁরা এবার বিদ্রোহী হয়ে উঠল।
তবে ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো বড় ধরনের অস্থিরতার মুখোমুখি হচ্ছে। এটা শাহবাজ শরীফ সরকারের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ভারত যে কূটনৈতিক অঙ্ক নিয়ে ময়দানে নেমেছে তাতে এবার পিওকে খুব শীঘ্রই ভারতের অংশ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ভারত, কার্যত চার দিক থেকেই ঘিরে নিয়েছে পাকিস্তানকে। পূর্ব প্রান্তে ভারতীয় সেনা সবরকম সমরাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র সাজিয়ে বসে আছে। জম্মু ও কাশ্মীরের যে এলাকাগুলি জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানো হয়, সেই এলাকাগুলি কার্যত সিল করে দিয়েছে সেনা, বিএসএফ ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথ বাহিনী। অন্যদিকে, আরব সাগরে নৌবাহিনীর টহল ও যুদ্ধ মহড়া পাকিস্তানের করাচি বন্দরকে এই মুহূর্তে কার্যত অকেজো করে দিয়েছে। আর পশ্চিম প্রান্তে ইরাণ ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের অতি মধুর সম্পর্ক এবং আফগানিস্তানের তরফে লাগাতার আক্রমণ পাকিস্তানকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলছে। ফলে পাক সেনাপ্রধান কোন দিকে সেনা মোতায়েন করবেন, আর কোন এলাকা খালি রাখবেন সেটাই বুঝে উঠতে পারছেন না। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে, পাকিস্তানের একাধিক এলাকায় বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বালুচিস্তানে বালুচ লিবারেশন আর্মি বা বিএলএ, খাইবার পাথতুনখোয়াতে তেহরিক-ই-তালিবান বা টিটিপি এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জেনারেল জেড। ফলে পাক সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সামনে উভয় সংকট। ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীর যে কোনও সময় ভারতের দখলে চলে আসবে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post