গত ১৫ মাস ধরে ভারত ইউনূসের মত একজন রাজনৈতিক বালকের কাছ থেকে ভাষার বোমা সহ্য করে এসেছে। এবার বোধায় ভারতের ধৈয্যের বাঁধ ভাঙল। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে যেমন ভারতের রক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং যে পরিকল্পনা করে ছিলেন এবার সেটিই হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জন্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চায় না নয়া দিল্লী। তবে ভারত যে কোন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে ভয় পায় না। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনা পূর্ণ সম্পর্ক না চাইলেও, ইউনূসের বক্তব্য এবং কাজকর্ম দেখে ভারতের সতর্ক থাকা উচিৎ। কারণ বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তন হয়েছে যেন শুধু ভারত বিরোধীতা নয়, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্যই। যা দেখা গেছে ইউনূস সাহেব ক্ষমতা দখলের আগের থেকেই ভারতকে হুশিয়ারি দিতে শুরু করেছিলেন। এবং যখন যে দেশে গেছেন সেখানেই ভারতের সেভেন সিস্টার এবং শিলিগুড়ি করিডর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারত এতদিন চুপ ছিল। এতদিন বাংলাদেশকে পর্যবেক্ষন এবং গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে ভারত বুঝেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় চীনা যুদ্ধ সরাঞ্জাম মুজুত করা হচ্ছে। এবং চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের গোপন চুক্তি হচ্ছে, যার মর্ম হল, ভারত বাংলাদেশ আক্রমন করলে, চীন আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশকে সমর্থন করবে। তাই ভারতও আমেরিকা ফ্রান্স জার্মানি সহ বিভিন্ন দেশকে অবগত করেছে যে চীন এশিয়াতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইছে। এবার যদি প্রশ্ন করা হয় এই মহুর্তে ভারতের বন্ধু দেশ কারা, খুব সহজ ভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ বৈদেশীক বন্ধুত্ব্য ততক্ষন স্থায়ী হয়, যতক্ষন স্বার্থ থাকে। বিশেষ করে চীন আমেরিকার মত দেশগুলির ক্ষেত্রে। আর কিছু বন্ধু থাকে তারা স্বার্থ দেখে না, পরম্পরা এবং প্রতিজ্ঞা দেখে।ভারতের জন্য যেমন রাশিয়া এবং ইজরায়েল। আবার কোথাও বন্ধুত্ব তৈরী হয় মানবতা এবং ভালোবাসা দিয়ে। যেমন ভারত আফগানিস্তান। যখন চীন বা আমেরিকার সঙ্গে ভারতের কোন চুক্তি হয়, তখন ভারতের শত্রুদের, সমাজ মাধ্যম বা ছোটখাট গণমাধ্যম থেকে সাবধান করা হয়। কিন্তু ভারতের শত্রুদেশ গুলির মাথায় যারা বসে আছে তারা জানে এই সম্পর্ক স্বার্থের, তাই তারা বিচলিত না হয়ে অপেক্ষা করে। কিন্তু যাদের রাজনৈতিক আর্থিক এবং সামরিক ক্ষমতা সীমিত, তাদের উচিৎ প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সমঝোতা করে চলা। যেমন বাংলাদেশের বর্তমান সরকার। বাংলাদেশের বর্তমান ইউনূস সরকার এতটাই বোকা যে তারা বুঝতেই পারছে না, যে দেশগুলি তাকে ব্যবহার করে ভারতের সঙ্গে প্রতিশোধ বা প্রতিযোগীতায় জিততে চাইছ, তারা শেষ পর্যন্ত সহযোগীতা করবে না। এখন বাংলাদেশের বর্তমান সরকার, যারা বিদেশী সহয়তায় ক্ষমতা দখল করে আছে, তারা ভাবছে ভারত বিরোধীতাই তাদের ক্ষমতায় থাকার এক মাত্র চাবিকাঠি। কিন্তু ভারত যদি কিছুদিনের জন্য সেই বিদেশী শক্তির সঙ্গে সমঝোতা করে নেয়, তাহলে ভারত যখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেবে তখন সেই বিদেশী শক্তি কোন প্রতিবাদ না করে চুপ করে বসে থাকবে। যেমন আমেরিকা। ভারত আমেরিকার কাছে ১১৩ টি তেজস ইঞ্জিন এর “অর্ডার দিয়েছে। এর আগে ৯৭টির জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছিল, আমেরিকা মাত্র চারটি দিতে পেরেছে। তাহলে অনেকে বলবেন আগের অর্ডারে এত বাকি থাকা স্বত্বেও, ভারত কেন আবার অর্ডার দিল। এর অর্থ হল আমেরিকাকে চুপ করিয়ে রাখা। যে আমরা যাই করি না কেন, তুমি চুপ করে দেখ। ভারতের হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) হল ভারতের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সংস্থা, যারা দ্রুততার সঙ্গে ১ হাজার কামাকাজি ড্রোন চেয়েছে। ১৫ কিলোমিটার রেঞ্জের মধ্যে এই ড্রোনগুলি শিলিগুড়ি সীমা পাহারা দেবে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post