সম্প্রতি ইরান ইসরাইলের যুদ্ধ বিরতিতে শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের মধ্যে একটি উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যখন ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি হয়, তখন শেখ হাসিনা নীরব ছিলেন। কিন্তু সংঘর্ষ শেষ হতেই তিনি ফের স্বমহিমায় নিজের ফর্মে ফেরেন। তিনি কার্যত আওয়ামী লীগ নেতা, কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এখনও দেখা যাচ্ছে সেই ছবি। তবে কি শেখ হাসিনা বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত দ্রুত নিতে চলেছে ভারত? দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা? তাই কি আনন্দিত শেখ হাসিনা?
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। দুই দেশের বাণিজ্য ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়েছে। তবে বাংলাদেশ সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি হয়। সেই কটা দিন ভারতীয় রাজনীতিবিদরা শেখ হাসিনার দিকে নজর দিতে পারেনি। আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ইরান ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে যুদ্ধ বিরতি হতেই ফের স্বমহিমায় বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হল। বাংলাদেশের অন্দরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কড়াকড়ি করতে তেমন পালন করতে না পারলেও দেশের বাইরে কার্যত উৎসব দেখা গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকার যে ক্ষমতাচ্যুত বা শেখ হাসিনা যে পালিয়ে যাওয়া একজন প্রধানমন্ত্রী, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের ভার্চুয়াল বৈঠকে এসেও যে যে বক্তব্য রাখছেন, তাতেও বোঝা যাচ্ছে না তার মধ্যে কোনও হতাশা রয়েছে। তবে কি শেখ হাসিনা স্বমহিমায় ফিরছেন বাংলাদেশে? সেই কারণে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে তিনি হতাশায় ডুবছেন, আর যুদ্ধ পরিস্থিতি পরবর্তী সময়ে তিনি আনন্দিত হচ্ছেন। এদিকে ইরান ইসরাইলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে খানিকটা ভারতের অর্থনীতি প্রভাব পড়েছে। তার কারণ ইরানে ভারতের বিনিয়োগ হয়েছে। এমনকি ইস্রায়েলের ভারতের বিনিয়োগ রয়েছে। আদানি নিয়ন্ত্রিত ভারতের তৈলশোধনাগারে প্রভাব পড়েছে এই যুদ্ধে। ফলে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক বেশি সম্পৃক্ত বাংলাদেশের সঙ্গে লড়াই করে শেখ হাসিনাকে ফেরানো। এবং সে ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভারতীয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে। তবে যেভাবে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তাতে এটা স্পষ্ট, কিছু একটি ঘটতে চলেছে। এবং সেটা শেখ হাসিনার জন্য ইতিবাচক।












Discussion about this post