এই মহুর্তে বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের বৈদশিক নীতি হল, সাম দাম দন্ড ভেদ, এই ইউনূস সাহেব- সাম এবং দাম কোনটিই মানতে চাননি, তাই দন্ড দিতে প্রস্তুত হচ্ছে ভারত। প্রথমে বিক্রম মিস্ত্রি বাংলাদেশে গিয়ে নতুন সরকারের সঙ্গে দুই দেশের কমন বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেছেন। যাতে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের কোন ছেদ না পড়ে। তার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রীও ইউনূসকে সম্মান দেখিয়ে তার সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের এই তদারকী সরকারের মানসিকতার কোন পরিবর্তন হয়নি। তিনি হয়তো আমেরিকার চশমা পরে ভারতকে দেখেছেন বা এখনও দেখার চেষ্টা করছেন। তাই যেমন ট্রাম্প ভারতকে চিনতে পারেনি, তেমন ইউনূসও ভারতের ক্ষমতা চিনতে পারেনি। অথবা তার প্রভুদের খুশি করার জন্য বাস্তবতাকে মানতে চাননি। সামের পর আসি দামে।ইউনূসের সঙ্গে দাম নিয়ে তো কোন কথা বলাই যায় না। কারণ যিনি আগেই অন্য দেশের থেকে দাম নিয়ে, দেশ বেচে দিয়ে খমতায় এসেছেন, তার সঙ্গে নতুন করে আর কি দামাদামি করা যায়। তাই সাম দামে কাজ না হলে, যেটি ব্যবহার করতে হয় সেটি হল দন্ড। এখন ভারত বুঝেছে যে বিগড়ে যাওয়া বাচ্চাকে অনেক বলার পর, না শুনলে দন্ড দিতে হয়। অন্তত একটু চোখ রাঙাতে তো হয়ই। তাই বার বার চিকেন নেক নিয়ে মিথ্যে আস্ফালনের পর, ভারত যখন চিকেন নেকে তাদের ক্ষমতা জাহির করে, বেশ কিছুটা অংশ নিজেদের দখলে নিল।তখন বিষয়টি না জানার ভান করল ইউনূস সরকার। যখন ভারত চিকেন নেক সংলগ্ন লালমোনির হাটের বেশ কিছুটা নিজেদের দখল নেয়। তখন বিজিবি সহ বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহীনি চুপচাপ সরে যায়। এই নিয়ে তাদের প্রশ্ন করা হলে, তারা বলে, তারা উপর মহলের নির্দেশের অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু রাজানৈতিক বা কূটনৈতিক কোন মহল থেকেই তাদের কোন নির্দেশ দেওয়া হয়নি। ফলে তারা পিছু হটে যায়। এই খবর সমস্ত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরও, এটিকে ভুল বা মিথ্যে বলে জানায় নি স্বরাষ্ট্র দফতর বা বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়। উল্টে দিশেহারা ইউনূস চারদিকে চ্যানেল ধরতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তারা ভারতের হাতে পায়ে ধরে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে, ভারত এটি করতে পারে না। দয়া করে তারা যেন বাংলাদেশের দখল করা জায়গা ছেড়ে দেয়। কিন্তু এই অনুনয় বিনয় ছাড়া তারা আর কোন প্রতিবাদের পথে যেতে পারেনি। তাদের যে প্রতিরোধের ক্ষমতা নেই, তা বোঝা গেল যখন ভারত থেকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হল যে, জাকির নায়েক যদি মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে আসে, তবে বাংলাদেশ সরকার যেন তাকে ভারতের হাতে তুলে দেয়। আর বাংলাদেশ সরকার যদি তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়, তবে ভারত বাংলাদেশের ভিতরে গিয়ে জাকির নায়েক কে গ্রেফতার করে নিয়ে আসবে। আর এই বক্তব্য রণধির জয়সোয়াল কেবল ভারতীয় মিডিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ কে জানায় নি। এটি লিখিত আকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র দফতরকে জানিয়ে দেওয়া হয়। অন্যদিকে ভারতের সেনার পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের সেনার কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয় যে, বাংলাদেশ জাকির নায়েককে আশ্রয় দিলে, ভারত বাংলাদেশে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে, জাকির নায়েককে ভারতে নিয়ে আসবে। পররাষ্ট্র দফতর এবং সেনা বিষয়টি জানায় ইউনূসকে। এবং সেনার পক্ষ থেকে তাকে জাকির নায়েকের বাংলাদেশে আসেত দেওয়ারসিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে বলে।ইউনূস বিষয়টি স্বরাষ্ট্র দফতরকে জানান, যে কোন ভাবে বা, যে কোন অজুহাতে, বাংলাদেশ জাকির নায়েকের আমন্ত্রনটি বাতিল করুক। তখন স্বরাষ্ট্র দফতর তার সুরক্ষা, এবং তিনি আসলে যে প্রচুর ভীড়ের সৃষ্টি হবে, তা এই সময়ে সামলানো বাংলাদেশের পক্ষ্যে সম্ভব নয় বলে জানিয়ে, তার আমন্ত্রন বাতিল করে। অনেকেই বলছেন পাকিস্তানের নেতা মন্ত্রীরা আসছে, তাদের সুরক্ষা দিতে পারলে জাকির নায়েক কে কেন নয়। তবে ইউট্যুইবে বা ফেসবুকে বাঘ সেজে থাকা ব্যক্তিরা যাই বলে থাকুক না কেন, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার ক্ষমতা আগামী এক হাজার বছরেও হবে বা বাংলাদেশের। সেটি জানে সে দেশের সেনাবাহীনি। তাই হাসিনার সঙ্গে জাকির নায়েকের বিষটিকে তুলনায় আনতে চাইছে না তারা।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post